
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব টিটু ভূইয়া ও তার ভাই মিটু ভূইয়ার বিরুদ্ধে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৫নভেম্বর) সকালে উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত টিটু ভূইয়া ও মিঠু ভুইয়া একই গ্রামের শান্তু ভুইয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, মোবারকপুর গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান (৬৫) দীর্ঘদিন ধরে মস্তু মিয়ার জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। ঘটনার দিন সকালে হাবিবুর রহমান ওই জমিতে কাজ করতে যান। এ সময় ছাত্রদল নেতা টিটু ভূইয়া ও তার ভাই মিটু ভূইয়া সেখানে গিয়ে কাজ করতে নিষেধ করেন। তারা অভিযোগ করেন, হাবিবুর রহমান তাদের জমির অংশের মাটি কেটে নিয়েছেন।
এ নিয়ে হাবিবুর রহমান আপত্তি জানালে টিটু ভূইয়া ও মিটু ভূইয়া তাকে লাঠি দিয়ে তাড়া করে বাড়িতে নিয়ে যায়। হাবিবুর রহমানকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার স্ত্রী সালমা আক্তার ও ছেলে তৌহিদ মিয়াকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে গেলে অভিযুক্তরা চলে যায়।
এ ঘটনায় আহত হয়ে ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান জানান, টিটু ভূইয়া ছাত্রদলের রাজনীতি করায় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে। আমাকে, আমার স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব টিটু ভূইয়া বলেন, হাবিবুর রহমান একজন মাদক ব্যবসায়ী। সে অশালীন ভাষায় আমার চাচাকে গালিগালাজ করেছিল। তাই তার সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে মারধরের অভিযোগটি মিথ্যা।
এ ব্যাপারে আটপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব টিটু ভূইয়া ও তার ভাই মিটু ভূইয়ার বিরুদ্ধে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৫নভেম্বর) সকালে উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত টিটু ভূইয়া ও মিঠু ভুইয়া একই গ্রামের শান্তু ভুইয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, মোবারকপুর গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান (৬৫) দীর্ঘদিন ধরে মস্তু মিয়ার জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। ঘটনার দিন সকালে হাবিবুর রহমান ওই জমিতে কাজ করতে যান। এ সময় ছাত্রদল নেতা টিটু ভূইয়া ও তার ভাই মিটু ভূইয়া সেখানে গিয়ে কাজ করতে নিষেধ করেন। তারা অভিযোগ করেন, হাবিবুর রহমান তাদের জমির অংশের মাটি কেটে নিয়েছেন।
এ নিয়ে হাবিবুর রহমান আপত্তি জানালে টিটু ভূইয়া ও মিটু ভূইয়া তাকে লাঠি দিয়ে তাড়া করে বাড়িতে নিয়ে যায়। হাবিবুর রহমানকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার স্ত্রী সালমা আক্তার ও ছেলে তৌহিদ মিয়াকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে গেলে অভিযুক্তরা চলে যায়।
এ ঘটনায় আহত হয়ে ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান জানান, টিটু ভূইয়া ছাত্রদলের রাজনীতি করায় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে। আমাকে, আমার স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব টিটু ভূইয়া বলেন, হাবিবুর রহমান একজন মাদক ব্যবসায়ী। সে অশালীন ভাষায় আমার চাচাকে গালিগালাজ করেছিল। তাই তার সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে মারধরের অভিযোগটি মিথ্যা।
এ ব্যাপারে আটপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে