
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার পূর্বধলায় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার গাড়িতে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি হওয়ার পর এবার সাংগঠনিক শাস্তির মুখে পড়লেন স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের তিন নেতা। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিস্কৃত তিনজন হলেন— পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির।
রোবববার (২৬ এপ্রিল) বিএনপি ও ছাত্রদলের পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (এমপি) রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই তিনজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক এ ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পূর্বধলার আতকাপাড়া গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে নেত্রকোনা-৫ আসনের এমপি মাছুম মোস্তফার গাড়ি ভাঙচুর করে তাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এমপি মাছুম স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেন।
পরে শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে মাছুম মোস্তফার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আল আমিন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাছুম মোস্তফার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু তাহের তালুকদারকে। বহিষ্কৃত তিন নেতাও আসামির তালিকায় ছিলেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুষ্পষ্ট অভিযোগে ইশতিয়াক আহমেদ বাবুকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অন্যদিকে ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাজু আহমেদকে তার পদ থেকে এবং সোলায়মান কবিরকে প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দলীয় এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বহিষ্কৃত নেতারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা কেউই এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হতে পারেননি।
রাজপথে রাজনৈতিক হামলার শিকার হয়ে পা ভাঙার একটি ভিডিও ফুটেজ পোস্ট করেছেন ইশতিয়াক আহমেদ। ফুটেজে দেখা যায়, তিনি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন, সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। এ ফুটেজ শেয়ার করে ইশতিয়াক লিখেছেন, ‘সব কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ্। দলের সিদ্ধান্তের জন্য আলহামদুলিল্লাহ্।’
সাজু আহমেদ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আল্লাহ আমাকে ধৈর্য দান করার শক্তি দান করুন। আমিন।’
সোলায়মান কবীর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের আন্দোলন সংগ্রামের শ্রম, ঘাম, জেলখানা, রিমান্ড, মানসিক নির্যাতন, শারিরিক নির্যাতনের ত্যাগের এই পুরষ্কার দেওয়া জন্য।’
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকেও কেন্দ্রের এ সিদ্ধান্তে হতাশা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, ঘটনাস্থলে না থেকেও ‘বানোয়াট’ অভিযোগে মামলার আসামি হওয়ার পর সাংগঠনিক বহিষ্কারের শিকার হয়েছেন এই তিনজন। ‘ত্যাগী’ নেতাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে তাদের কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

নেত্রকোনার পূর্বধলায় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার গাড়িতে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি হওয়ার পর এবার সাংগঠনিক শাস্তির মুখে পড়লেন স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের তিন নেতা। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিস্কৃত তিনজন হলেন— পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির।
রোবববার (২৬ এপ্রিল) বিএনপি ও ছাত্রদলের পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (এমপি) রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই তিনজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক এ ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পূর্বধলার আতকাপাড়া গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে নেত্রকোনা-৫ আসনের এমপি মাছুম মোস্তফার গাড়ি ভাঙচুর করে তাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এমপি মাছুম স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেন।
পরে শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে মাছুম মোস্তফার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আল আমিন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাছুম মোস্তফার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু তাহের তালুকদারকে। বহিষ্কৃত তিন নেতাও আসামির তালিকায় ছিলেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুষ্পষ্ট অভিযোগে ইশতিয়াক আহমেদ বাবুকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অন্যদিকে ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাজু আহমেদকে তার পদ থেকে এবং সোলায়মান কবিরকে প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দলীয় এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বহিষ্কৃত নেতারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা কেউই এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হতে পারেননি।
রাজপথে রাজনৈতিক হামলার শিকার হয়ে পা ভাঙার একটি ভিডিও ফুটেজ পোস্ট করেছেন ইশতিয়াক আহমেদ। ফুটেজে দেখা যায়, তিনি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন, সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। এ ফুটেজ শেয়ার করে ইশতিয়াক লিখেছেন, ‘সব কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ্। দলের সিদ্ধান্তের জন্য আলহামদুলিল্লাহ্।’
সাজু আহমেদ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আল্লাহ আমাকে ধৈর্য দান করার শক্তি দান করুন। আমিন।’
সোলায়মান কবীর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের আন্দোলন সংগ্রামের শ্রম, ঘাম, জেলখানা, রিমান্ড, মানসিক নির্যাতন, শারিরিক নির্যাতনের ত্যাগের এই পুরষ্কার দেওয়া জন্য।’
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকেও কেন্দ্রের এ সিদ্ধান্তে হতাশা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, ঘটনাস্থলে না থেকেও ‘বানোয়াট’ অভিযোগে মামলার আসামি হওয়ার পর সাংগঠনিক বহিষ্কারের শিকার হয়েছেন এই তিনজন। ‘ত্যাগী’ নেতাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে তাদের কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আবদুর রহমানের স্ত্রী ও তিন ছেলে দুবাইয়ে থাকেন। স্ত্রী বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন। কয়েকদিন ধরে বাবার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে ছেলেরা সোমবার খোঁজ নিতে বলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
২০ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন ফরহাদ। হাসপাতালের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর ও আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস।
২ দিন আগে