
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ-কিশোগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল অংশে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে সাতটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। ছাউনিগুলো যেখানে নির্মিত হয়েছে, সেখানে কোনো বাস থামছে না। ফলে যাত্রীরা ছাউনিগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না। বর্তমানে ছাউনিগুলো হকার ও ভবঘুরেদের দখলে রয়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, বাস যেখানে থামে সেখানে ছাউনিগুলো নির্মাণ না করে বাসস্ট্যাণ্ড থেকে কিছুটা দূরে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে তারা ছাউনিগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, স্থানীয় প্রশাসনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতামত নিয়েই ছাউনি নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুই মাস আগে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে নান্দাইল চৌরাস্তায় তিনটি, জামতলা বাজার, মুশুলী, নান্দাইল সদর ও কানুরামপুর এলাকায় একটি মোট সাতটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের যে স্থানে বাস এসে যাত্রীর জন্য থামে, সেখান থেকে অনেকটা দূরে যাত্রী ছাউনি। যাত্রীরা বাসে উঠতে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও ছাউনিতে যাচ্ছেন না। ছাউনিগুলোতে হকার ও ভবঘুরে লোকজন দখল করে রেখেছেন।
ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকা দিয়ে নেত্রকোনা থেকে ঢাকা, কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ ও ভৈরবের দিকে যাত্রীবাহী বাসসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করে। চৌরাস্তায় প্রচুর যাত্রীর সমাগম হয়। কিন্তু চৌরাস্তা এলাকায় নির্মাণ করা তিনটি যাত্রী ছাউনির কাছাকাছি কোনো রুটের বাস থামে না। ময়মনসিংহগামী সড়কের মোড়ে নির্মিত একটি যাত্রী ছাউনির কাছাকাছি জায়গা থেকে বিআরটিসি পরিবহনের বাসগুলো ছেড়ে যায়। কিন্তু অন্য পরিবহনের বাসগুলো এখানে থামে না।
স্থানীয় বারইগ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যাত্রী ছাউনির কাছে বাস থামে না। ছাউনিতে যাত্রী আসবেন কীভাবে?
ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জগামী এমকে সুপার পরিবহন বাসের চালক মো. মাসুদ মিয়া জানান, যাত্রী ছাউনিগুলো সঠিক জায়গায় নির্মাণ করা হয়নি। তাই সেগুলো যাত্রীদের উপকারে আসছে না।
মুশুলী বাজারে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু সেটিও কোনো কাজে লাগছে না। বাজার এলাকায় বাস থামে না। তবে যাত্রী ছাউনি থেকে অনেকটা দূরে মুশুলি চৌরাস্তা নামক স্থানে বাস থামে।
মুশুলি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমিনুল হক জানান, বাসে করে কলেজে আসার পথে হেলপারকে বললে যাত্রী ছাউনির কাছে কোনো কোনো যাত্রীকে নামিয়ে দিয়ে যায়। তবে বাস থামে না। নান্দাইল সদরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী বাস ও অন্যান্য যানবাহনে করে বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু যে স্থানে যাত্রীরা দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষা করেন, সেখানে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ না করে প্রায় ৫০০ ফুট পূর্বদক্ষিণ দিকে যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করা হয়েছে। যা যাত্রীদের কোনো কাজে লাগছে না। যাত্রী ছাউনির আশপাশে বাস থামে না। বরং সেখানে ভাড়ায় চালিত যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। যাত্রী ছাউনিটি এখন রাজনৈতিক দলের সভামঞ্চ, ভবঘুরেদের শোয়ার জায়গা অথবা আড্ডা মারার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী বিজয় বসাক জানান, নান্দাইলে মোট আটটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। এরমধ্যে সাতটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। একেকটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ কাজে বরাদ্দ প্রায় সাত লাখ টাকা।
এই কর্মকর্তা দাবি করেন, ছাউনিগুলো যাত্রীদের কাজে লাগছে। স্থান নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জায়গা বাছাই করা হয়েছে বলে জানান।

ময়মনসিংহ-কিশোগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল অংশে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে সাতটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। ছাউনিগুলো যেখানে নির্মিত হয়েছে, সেখানে কোনো বাস থামছে না। ফলে যাত্রীরা ছাউনিগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না। বর্তমানে ছাউনিগুলো হকার ও ভবঘুরেদের দখলে রয়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, বাস যেখানে থামে সেখানে ছাউনিগুলো নির্মাণ না করে বাসস্ট্যাণ্ড থেকে কিছুটা দূরে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে তারা ছাউনিগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, স্থানীয় প্রশাসনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতামত নিয়েই ছাউনি নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুই মাস আগে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে নান্দাইল চৌরাস্তায় তিনটি, জামতলা বাজার, মুশুলী, নান্দাইল সদর ও কানুরামপুর এলাকায় একটি মোট সাতটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের যে স্থানে বাস এসে যাত্রীর জন্য থামে, সেখান থেকে অনেকটা দূরে যাত্রী ছাউনি। যাত্রীরা বাসে উঠতে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও ছাউনিতে যাচ্ছেন না। ছাউনিগুলোতে হকার ও ভবঘুরে লোকজন দখল করে রেখেছেন।
ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকা দিয়ে নেত্রকোনা থেকে ঢাকা, কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ ও ভৈরবের দিকে যাত্রীবাহী বাসসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করে। চৌরাস্তায় প্রচুর যাত্রীর সমাগম হয়। কিন্তু চৌরাস্তা এলাকায় নির্মাণ করা তিনটি যাত্রী ছাউনির কাছাকাছি কোনো রুটের বাস থামে না। ময়মনসিংহগামী সড়কের মোড়ে নির্মিত একটি যাত্রী ছাউনির কাছাকাছি জায়গা থেকে বিআরটিসি পরিবহনের বাসগুলো ছেড়ে যায়। কিন্তু অন্য পরিবহনের বাসগুলো এখানে থামে না।
স্থানীয় বারইগ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যাত্রী ছাউনির কাছে বাস থামে না। ছাউনিতে যাত্রী আসবেন কীভাবে?
ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জগামী এমকে সুপার পরিবহন বাসের চালক মো. মাসুদ মিয়া জানান, যাত্রী ছাউনিগুলো সঠিক জায়গায় নির্মাণ করা হয়নি। তাই সেগুলো যাত্রীদের উপকারে আসছে না।
মুশুলী বাজারে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু সেটিও কোনো কাজে লাগছে না। বাজার এলাকায় বাস থামে না। তবে যাত্রী ছাউনি থেকে অনেকটা দূরে মুশুলি চৌরাস্তা নামক স্থানে বাস থামে।
মুশুলি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমিনুল হক জানান, বাসে করে কলেজে আসার পথে হেলপারকে বললে যাত্রী ছাউনির কাছে কোনো কোনো যাত্রীকে নামিয়ে দিয়ে যায়। তবে বাস থামে না। নান্দাইল সদরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী বাস ও অন্যান্য যানবাহনে করে বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু যে স্থানে যাত্রীরা দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষা করেন, সেখানে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ না করে প্রায় ৫০০ ফুট পূর্বদক্ষিণ দিকে যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করা হয়েছে। যা যাত্রীদের কোনো কাজে লাগছে না। যাত্রী ছাউনির আশপাশে বাস থামে না। বরং সেখানে ভাড়ায় চালিত যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। যাত্রী ছাউনিটি এখন রাজনৈতিক দলের সভামঞ্চ, ভবঘুরেদের শোয়ার জায়গা অথবা আড্ডা মারার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী বিজয় বসাক জানান, নান্দাইলে মোট আটটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। এরমধ্যে সাতটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। একেকটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ কাজে বরাদ্দ প্রায় সাত লাখ টাকা।
এই কর্মকর্তা দাবি করেন, ছাউনিগুলো যাত্রীদের কাজে লাগছে। স্থান নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জায়গা বাছাই করা হয়েছে বলে জানান।

এর মধ্য দিয়ে ওই বিস্ফোরণের দগ্ধ পাঁচজনের কেউই আর বেঁচে থাকতে পারলেন না। এক বিস্ফোরণ কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারের সবার প্রাণ।
১ দিন আগে
এ দিন সকালে নগরীর পবা উপজেলার কুকন্ডী ও বুধপাড়া এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সীমিত পরিসরে আম পাড়ছেন চাষিরা। ব্যবসায়ীরাও বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, অধিকাংশ বাগানের গুটি আম এখনও পুরোপুরি পরিপক্ব হয়নি। আরও কয়েকদিন পর পুরোদমে আম সংগ্রহ শুরু হবে।
১ দিন আগে
চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়া শিশু রেশমি আক্তার সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে মারা গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে বাবার পর একে একে মারা গেছে তিন শিশুসন্তানও। বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য মা সালমা আক্তার।
২ দিন আগে