
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপিঘোষিত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করে দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ মশাল মিছিল করেছেন।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নান্দাইল পৌর এলাকায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে জ্বলন্ত মশাল হাতে নিয়ে মিছিল করতে দেখা গেছে। মিছিলকারীার ‘অবৈধ মনোনয়ন মানি না’ বলে স্লোগান দেন।
মশাল মিছিলে অংশ নেওয়া কয়েকজন নেতাকর্মী বলেন, আমরা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী। এ আসনে দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তিনি কর্মীবান্ধব নন। তাই দলের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে শুরু থেকেই আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে আসছি। আমরা প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি করছি। ধারাবাহিক প্রতিবাদের অংশ হিসেবে মশাল মিছিল করেছি।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নান্দাইল আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন ছয় নেতা। তারা হলেন— উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন বিন আবদুল মান্নান, সদস্য নাসের খান চৌধুরী, ছাত্রদলের সাবেক নেতা কাজী এরশাদুল করিম আরমান, মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল মোমেন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামছুল ইসলাম শামস সূর্য।
গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম দফায় দলের ২৩৭ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এ আসনে দল মনোনয়ন দিয়েছে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরীকে। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুরো উপজেলার জনপদগুলো চষে বেড়াচ্ছেন। বুধবার উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে জনসংযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপির চার নেতা একত্রিত হয়েছেন। তারা এক প্ল্যাটফর্মে মিলিত হয়ে তাদের অনুসারীদের নিয়ে নান্দাইল আসনের মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে শুরু থেকে সভা-সমাবেশ, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপিঘোষিত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করে দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ মশাল মিছিল করেছেন।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নান্দাইল পৌর এলাকায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে জ্বলন্ত মশাল হাতে নিয়ে মিছিল করতে দেখা গেছে। মিছিলকারীার ‘অবৈধ মনোনয়ন মানি না’ বলে স্লোগান দেন।
মশাল মিছিলে অংশ নেওয়া কয়েকজন নেতাকর্মী বলেন, আমরা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী। এ আসনে দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তিনি কর্মীবান্ধব নন। তাই দলের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে শুরু থেকেই আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে আসছি। আমরা প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি করছি। ধারাবাহিক প্রতিবাদের অংশ হিসেবে মশাল মিছিল করেছি।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নান্দাইল আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন ছয় নেতা। তারা হলেন— উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন বিন আবদুল মান্নান, সদস্য নাসের খান চৌধুরী, ছাত্রদলের সাবেক নেতা কাজী এরশাদুল করিম আরমান, মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল মোমেন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামছুল ইসলাম শামস সূর্য।
গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম দফায় দলের ২৩৭ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এ আসনে দল মনোনয়ন দিয়েছে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরীকে। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুরো উপজেলার জনপদগুলো চষে বেড়াচ্ছেন। বুধবার উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে জনসংযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপির চার নেতা একত্রিত হয়েছেন। তারা এক প্ল্যাটফর্মে মিলিত হয়ে তাদের অনুসারীদের নিয়ে নান্দাইল আসনের মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে শুরু থেকে সভা-সমাবেশ, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে হাঁস প্রতীক নিয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
শাহাদাত হোসেন সেলিম বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান ছিলেন। এই দলটি বিএনপির শরিক দল হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করেছে। এবারের নির্বাচনে দল বিলুপ্ত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ফলাফলে দেখা যায়, ১১০টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলে এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। সে হিসাবে মিলন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে