
শেরপুর প্রতিনিধি

অতি ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা ঢলে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও জামালপুর জেলার নিম্নাঞ্চলও। তবে আগামীকাল শনিবার দুপুরের পর আবার নদ-নদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টায় ভোগাই নদী শেরপুর জেলার নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০৫ সেন্টিমিটার এবং জিঞ্জিরাম নদীর পানি জামালপুরের গোয়ালকান্দা পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, ময়মনসিংহ বিভাগের ভোগাই-কংস, সোমেশ্বরী ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বাড়ছে, যা শনিবার সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে শেরপুরের ভোগাই নদীর ভাটিতে নেত্রকোনার কংস নদী ও জামালপুরের জিঞ্জিরাম নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। ফলে ভোগাই-কংস নদী সংলগ্ন শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা এবং জিঞ্জিরাম নদী সংলগ্ন জামালপুর জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। তবে শনিবারই আবার বৃষ্টি কমে এসব নদীর পানি কমতে পারে।
পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই শেরপুর জেলার ভোগাই-কংস নদীর পানি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) প্রায় সাড়ে ৬ মিটার পানি বেড়েছে এখানে। এর মূল কারণ শেরপুর জেলা ও সংলগ্ন সীমান্তবর্তী স্থানে এবং ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে আকস্মিক ভারি বৃষ্টিপাত। শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও পয়েন্টে ২৬১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। শেরপুরের এই পানির প্রবাহের ফলে ভাটিতে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলাতেও ভোগাই-কংস নদীর পানিও বাড়ছে।’

অতি ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা ঢলে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও জামালপুর জেলার নিম্নাঞ্চলও। তবে আগামীকাল শনিবার দুপুরের পর আবার নদ-নদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টায় ভোগাই নদী শেরপুর জেলার নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০৫ সেন্টিমিটার এবং জিঞ্জিরাম নদীর পানি জামালপুরের গোয়ালকান্দা পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, ময়মনসিংহ বিভাগের ভোগাই-কংস, সোমেশ্বরী ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বাড়ছে, যা শনিবার সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে শেরপুরের ভোগাই নদীর ভাটিতে নেত্রকোনার কংস নদী ও জামালপুরের জিঞ্জিরাম নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। ফলে ভোগাই-কংস নদী সংলগ্ন শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা এবং জিঞ্জিরাম নদী সংলগ্ন জামালপুর জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। তবে শনিবারই আবার বৃষ্টি কমে এসব নদীর পানি কমতে পারে।
পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই শেরপুর জেলার ভোগাই-কংস নদীর পানি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) প্রায় সাড়ে ৬ মিটার পানি বেড়েছে এখানে। এর মূল কারণ শেরপুর জেলা ও সংলগ্ন সীমান্তবর্তী স্থানে এবং ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে আকস্মিক ভারি বৃষ্টিপাত। শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও পয়েন্টে ২৬১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। শেরপুরের এই পানির প্রবাহের ফলে ভাটিতে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলাতেও ভোগাই-কংস নদীর পানিও বাড়ছে।’

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার ভোরে জেলার দাউদকান্দি, বুড়িচং (নিমসার), চান্দিনা ও চৌদ্দগ্রাম এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
১০ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের লাঠিটিলার ডোমাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা পরিবেশ ও সংবাদকর্মী খোর্শেদ আলম। ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে হলুদ তরমুজ চাষাবাদের শখ জাগে তার। পরীক্ষামূলকভাবে ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো এই তরমুজ চাষ করে সফল হন তিনি। এর পর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
বাম্পার ফলন হলেও ক্রেতা সংকটে বিপাকে পড়েছেন বরগুনার আমতলীর তরমুজ চাষিরা। বড় পাইকার না থাকায় উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করতে না পেরে চাষিদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। এ অবস্থায় উপজেলায় অন্তত শতকোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বরগুনার তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝাড়াখালী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভবনের সংকটে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান চলছে। সাম্প্রতিক ঝড়ে বিদ্যালয়ের আধাপাকা ভবনের টিনের চালা উড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন গাছতলায়, কখনও রোদে পুড়ে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে