
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কালিয়াপাড়া বাজারে অভিযান চালিয়ে ২০৩ টি দোকান উচ্ছেদ করেছে উপজেলার প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৪ জুন) এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে বাজারের ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. ফয়জুর রহমান।
ফয়জুর রহমান রাজনীতি ডটকমকে জানান, অভিযান শেষে ৩.৮ একর সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। জমিটির বাজার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকার মতো হবে। ওই জমি প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে একসনা বন্দোবস্ত (লিজ) দেওয়ার প্রক্রিয়া নেওয়া হবে।
স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত কালিয়াপাড়া বাজারটি। গত ২১ বছর আগে ওই বাজারের সরকারি জমির ওপর দোকানপাঠ নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এছাড়া অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি বাজারের জমি দখল করে দোকান নির্মাণ করে ভাড়া খাটাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কালিয়াপাড়া বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সেনাবাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে। এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে পাকা ও টিনের দোকানগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ দোকানপাটের আসবাবপত্র ও মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ২০০৩-২০০৪ সালের দিকে তৎকালীন (ইউএনও) কাজী ওয়াছি উদ্দিন প্রকৃত ব্যবসায়ীদের একসোনা বন্দোবস্ত (লিজ) দেওয়ার কথা বলেও সময় একটি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। পরে তিনি বদলি হয়ে গেলে বন্দোবস্ত কার্যক্রম আর এগোয়নি। অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জমিতে আবার দোকানপাঠ নির্মাণ করেন ব্যবসয়ীরা।
২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কালিয়াপাড়া বাজার অধিকার রক্ষা আন্দোলন নামে একটি সংগঠন কালিয়াপাড়া বাজারের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার আন্দোলন শুরু করে। এ নিয়ে সংগঠনের সদস্যরা মানববন্ধনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করে। এই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বাজার থেকে অবৈধ দোকানপাঠ উচ্ছেদ করার জন্য এক ডজনের বেশি নোটিশ জারি হয়। কিন্তু দখলদাররা নানা জায়গায় টাকাপয়সা ছড়িয়ে নোটিশের কার্যক্রম বাস্তাবায়নে বাধা দিতে সক্ষম হন।
আল আমিন নামের একজন ব্যবসায়ী জানান. তাঁর বড় ভাই যে তিন লাখ টাকায় কিনেছিলেন সেটি আজ উচ্ছেদ করা হয়েছে।
কালিয়াপাড়া বাজারের ইলেক্ট্রনিক ব্যবসায়ী নুসরাত উল্লাহ বলেন, আমার বাবা ও দাদারা এই বাজারে ব্যবসা করেছেন। আমাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাজার উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য বিগত সময়ের আওয়ামী লীগের এক সংসদ সদস্যকে ২০০ দোকান থেকে ৫৭ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছিল।
কালিয়াপাড়া বাজার অধিকার রক্ষা আন্দোলনের সংগঠক আবুল কালাম সোহেল বলেন, প্রশাসন দখলদারদের উচ্ছেদ করেছে। এখন প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হোক।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়জুর রহমান এ প্রতিবেদককে জানান, নথি অনুযায়ী ২০৩টি ছোটবড় দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। জমি চিহ্নিত করার পর নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বন্দোবস্তের আবেদন নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কালিয়াপাড়া বাজারে অভিযান চালিয়ে ২০৩ টি দোকান উচ্ছেদ করেছে উপজেলার প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৪ জুন) এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে বাজারের ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. ফয়জুর রহমান।
ফয়জুর রহমান রাজনীতি ডটকমকে জানান, অভিযান শেষে ৩.৮ একর সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। জমিটির বাজার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকার মতো হবে। ওই জমি প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে একসনা বন্দোবস্ত (লিজ) দেওয়ার প্রক্রিয়া নেওয়া হবে।
স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত কালিয়াপাড়া বাজারটি। গত ২১ বছর আগে ওই বাজারের সরকারি জমির ওপর দোকানপাঠ নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এছাড়া অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি বাজারের জমি দখল করে দোকান নির্মাণ করে ভাড়া খাটাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কালিয়াপাড়া বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সেনাবাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে। এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে পাকা ও টিনের দোকানগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ দোকানপাটের আসবাবপত্র ও মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ২০০৩-২০০৪ সালের দিকে তৎকালীন (ইউএনও) কাজী ওয়াছি উদ্দিন প্রকৃত ব্যবসায়ীদের একসোনা বন্দোবস্ত (লিজ) দেওয়ার কথা বলেও সময় একটি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। পরে তিনি বদলি হয়ে গেলে বন্দোবস্ত কার্যক্রম আর এগোয়নি। অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জমিতে আবার দোকানপাঠ নির্মাণ করেন ব্যবসয়ীরা।
২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কালিয়াপাড়া বাজার অধিকার রক্ষা আন্দোলন নামে একটি সংগঠন কালিয়াপাড়া বাজারের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার আন্দোলন শুরু করে। এ নিয়ে সংগঠনের সদস্যরা মানববন্ধনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করে। এই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বাজার থেকে অবৈধ দোকানপাঠ উচ্ছেদ করার জন্য এক ডজনের বেশি নোটিশ জারি হয়। কিন্তু দখলদাররা নানা জায়গায় টাকাপয়সা ছড়িয়ে নোটিশের কার্যক্রম বাস্তাবায়নে বাধা দিতে সক্ষম হন।
আল আমিন নামের একজন ব্যবসায়ী জানান. তাঁর বড় ভাই যে তিন লাখ টাকায় কিনেছিলেন সেটি আজ উচ্ছেদ করা হয়েছে।
কালিয়াপাড়া বাজারের ইলেক্ট্রনিক ব্যবসায়ী নুসরাত উল্লাহ বলেন, আমার বাবা ও দাদারা এই বাজারে ব্যবসা করেছেন। আমাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাজার উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য বিগত সময়ের আওয়ামী লীগের এক সংসদ সদস্যকে ২০০ দোকান থেকে ৫৭ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছিল।
কালিয়াপাড়া বাজার অধিকার রক্ষা আন্দোলনের সংগঠক আবুল কালাম সোহেল বলেন, প্রশাসন দখলদারদের উচ্ছেদ করেছে। এখন প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হোক।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়জুর রহমান এ প্রতিবেদককে জানান, নথি অনুযায়ী ২০৩টি ছোটবড় দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। জমি চিহ্নিত করার পর নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বন্দোবস্তের আবেদন নেওয়া হবে।

তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ সব সময় হচ্ছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই। যারা আছে, তারা শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী বা তাদের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
৭ ঘণ্টা আগে
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যায়াম করতে গিয়ে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় তার সহকর্মীরা তাকে গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকার মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।
১১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্গাপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি বাসের সঙ্গে শ্যামগঞ্জ থেকে দুর্গাপুরগামী একটি সিএনজির বমুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির যাত্রী আইনুল হক নিহত হন।
১১ ঘণ্টা আগে
আহত সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে বাতেন খাঁ মোড়ে চা পান করছিলেন দুই সাংবাদিক। এ সময় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাব্বির নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
১ দিন আগে