
তবিবর রহমান, যশোর

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরে ৬টি আসনেই নৌকার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে রয়েছেন। পাঁচটি আসনে দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং একটিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নৌকার সঙ্গে লড়াইয়ে রয়েছেন। জেলাজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ থাকায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে গোটা যশোরকে নিরাপত্তার চাদরে জড়িয়ে রাখার পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।
অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে যশোরে ছয়টি আসনে ১৬ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়ন করা হবে। এছাড়া জেলার ছয়টি আসনের ৮২৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৭৫টিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। যা মোট কেন্দ্রের প্রায় ৩৫ শতাংশ। সাধারণ ভোটকেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরের ছয়টি আসনেই নৌকা ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, হুমকি-ধমকির মতো ঘটনা ঘটে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে যশোরের ছয়টি আসনেই নির্বাচনের পরিবেশে কিছুটা উত্তাপ ছড়িয়েছে। এসব কারণে জেলার ছয়টি আসনের ৮২৫ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৭৫টিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। যা মোট কেন্দ্রের প্রায় ৩৫ শতাংশ। সাধারণ ভোটকেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা-ব্যবস্থা থাকবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে যশোরে ছয়টি আসনে ১৬ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়ন করা হবে।
আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন উপপরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে ১৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নির্বাচনী এলাকা টহল দেবে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাবের সদস্যরা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে যশোর পুলিশ লাইনসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার।
শুক্রবার সকাল ৯টায় যশোর পুলিশ লাইনস মাঠে সহকারী পুলিশ সুপার ও পুলিশের ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ পুলিশ সদস্য ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন যশোর পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কমকর্তারা। এ সময় তাদেরকে ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদানের ব্যবস্থা করা এবং নির্বাচনী সরঞ্জাম ও ভোটকেন্দ্রের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়া নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে কোন প্রার্থী ও তার সমর্থকদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা ও ভোটের দিন দুপুরে শুকনা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এজন্য প্রত্যেককে মাথাপিছু ১ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করা হলেও আমরা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি না। নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেট, সেনা সদস্য ছাড়ারও নিরাপত্তা দিতে ২৫০০ পুলিশ সদস্য, ১০ হাজার আনসার সদস্য, ৪৫০ বিজিবি সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দাবাহিনী কাজ করবে। নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকবে যশোরের সকল কেন্দ্র।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম শাহীন, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, জেলা আনসার কমান্ডেন্ট সঞ্জয় সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, বর্তমানে যেসব কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ বলা হচ্ছে, আগে সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ বলা হতো। বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে এই তালিকা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে যে কেন্দ্রে ভোটার বেশি, কোনো প্রার্থীর বাড়ির কাছে ভোটকেন্দ্র কিনা, প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা, যাতায়াত ব্যবস্থা প্রভৃতি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে ভোটযুদ্ধে ৩২ জন প্রার্থী লড়বেন। নৌকার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র ৮ প্রার্থী মাঠে থাকছেন। ভোটে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মূল লড়াইয়ের আভাস মিলছে। জেলায় ৮২৫টি ভোট কেন্দ্রে ৫ হাজার ২১৭টি বুথে ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরে ৬টি আসনেই নৌকার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে রয়েছেন। পাঁচটি আসনে দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং একটিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নৌকার সঙ্গে লড়াইয়ে রয়েছেন। জেলাজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ থাকায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে গোটা যশোরকে নিরাপত্তার চাদরে জড়িয়ে রাখার পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।
অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে যশোরে ছয়টি আসনে ১৬ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়ন করা হবে। এছাড়া জেলার ছয়টি আসনের ৮২৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৭৫টিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। যা মোট কেন্দ্রের প্রায় ৩৫ শতাংশ। সাধারণ ভোটকেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরের ছয়টি আসনেই নৌকা ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, হুমকি-ধমকির মতো ঘটনা ঘটে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে যশোরের ছয়টি আসনেই নির্বাচনের পরিবেশে কিছুটা উত্তাপ ছড়িয়েছে। এসব কারণে জেলার ছয়টি আসনের ৮২৫ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৭৫টিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। যা মোট কেন্দ্রের প্রায় ৩৫ শতাংশ। সাধারণ ভোটকেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা-ব্যবস্থা থাকবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে যশোরে ছয়টি আসনে ১৬ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়ন করা হবে।
আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন উপপরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে ১৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নির্বাচনী এলাকা টহল দেবে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাবের সদস্যরা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে যশোর পুলিশ লাইনসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার।
শুক্রবার সকাল ৯টায় যশোর পুলিশ লাইনস মাঠে সহকারী পুলিশ সুপার ও পুলিশের ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ পুলিশ সদস্য ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন যশোর পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কমকর্তারা। এ সময় তাদেরকে ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদানের ব্যবস্থা করা এবং নির্বাচনী সরঞ্জাম ও ভোটকেন্দ্রের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়া নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে কোন প্রার্থী ও তার সমর্থকদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা ও ভোটের দিন দুপুরে শুকনা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এজন্য প্রত্যেককে মাথাপিছু ১ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করা হলেও আমরা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি না। নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেট, সেনা সদস্য ছাড়ারও নিরাপত্তা দিতে ২৫০০ পুলিশ সদস্য, ১০ হাজার আনসার সদস্য, ৪৫০ বিজিবি সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দাবাহিনী কাজ করবে। নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকবে যশোরের সকল কেন্দ্র।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম শাহীন, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, জেলা আনসার কমান্ডেন্ট সঞ্জয় সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, বর্তমানে যেসব কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ বলা হচ্ছে, আগে সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ বলা হতো। বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে এই তালিকা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে যে কেন্দ্রে ভোটার বেশি, কোনো প্রার্থীর বাড়ির কাছে ভোটকেন্দ্র কিনা, প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা, যাতায়াত ব্যবস্থা প্রভৃতি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে ভোটযুদ্ধে ৩২ জন প্রার্থী লড়বেন। নৌকার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র ৮ প্রার্থী মাঠে থাকছেন। ভোটে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মূল লড়াইয়ের আভাস মিলছে। জেলায় ৮২৫টি ভোট কেন্দ্রে ৫ হাজার ২১৭টি বুথে ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৮ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
হাওর অঞ্চলে বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমের ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতার কারণে সারা বছর সহজ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা কঠিন। সেতুটি নির্মিত হলে অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও অঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদমপুর বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী শিব্বির আহমেদ ও একই গ্রামের বাছির মিয়ার মধ্যে মাছ কেনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন বাজারে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন।
১ দিন আগে