
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দীঘির কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশু ফাতেমার মা ফজিলা খাতুনকে সাড়ে তিন বছর পর ফিরে পেয়েছে তার পরিবার। মেয়ের মৃত্যুর খবর ও ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর স্বজনরা তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর হরিচাঁদ গ্রাম থেকে পরিবারের সদস্যরা বাগেরহাটে এসে ফজিলা খাতুনকে নিয়ে যান। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিকেলে স্থানীয় প্রশাসন তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন ফজিলা খাতুন। প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে ঝড়-বৃষ্টির এক দিনে ছোট মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান তিনি। এরপর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। একপর্যায়ে তাকে ফিরে পাওয়ার আশাও ছেড়ে দিয়েছিলেন স্বজনরা।
গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ফজিলা খাতুন ও তার মেয়ে ফাতেমা বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার এলাকায় বসবাস করছিলেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘ফাতেমার মা’ নামে। তবে কেউই তার প্রকৃত পরিচয় জানতেন না।
গত সোমবার রাতে মাজার সংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের আক্রমণের শিকার হয় শিশু ফাতেমা। পরদিন মঙ্গলবার ভোরে দীঘি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর বুধবার সংশ্লিষ্ট কুমিরটিকে দীঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ফাতেমার মৃত্যুর খবর ও ছবি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বুধবার তা দেখে স্বজনরা নিশ্চিত হন, নিহত শিশুটি তাদের পরিবারের সদস্য এবং তার সঙ্গে থাকা নারীটি নিখোঁজ ফজিলা খাতুন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বাগেরহাটে রওনা দেন।
ফজিলার ভাই হারেজ আলী বলেন, “সকালে এসে দেখি আমার বোন মাজারের পাশে একটি ঘরের সঙ্গে হেলান দিয়ে শুয়ে আছে। আমাকে দেখে উঠে বসে। পরে তাকে ফাতেমার কবরের কাছে নিয়ে গেলে সে বারবার বলছিল, ‘আমার ফাতেমা আমার কাছে নাই। কুমির আমার বাচ্চাকে খাইছে।’”
ফজিলার মা হাজেরা খাতুন বলেন, ‘আমার ছয় সন্তানের মধ্যে ফজিলা সবচেয়ে বড়। আমাকে দেখে সে শুধু মেয়ের কথাই বলছিল। নাতনির জন্য এখন আমাদের সবার মন কাঁদে।’ ফজিলার ছেলে বজলুর রহমান বলেন, ‘তিন বছরের বেশি সময় পর মাকে ফিরে পেলাম। কিন্তু ছোট বোনকে আর ফিরে পেলাম না।’
বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. আতিয়া খাতুন বলেন, পরিবারের দেওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, নিহত ফাতেমার টিকাকার্ডসহ বিভিন্ন কাগজপত্র যাচাই করা হয়েছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহের সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। সব তথ্য যাচাই শেষে ফজিলা খাতুনকে তার পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দীঘির কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশু ফাতেমার মা ফজিলা খাতুনকে সাড়ে তিন বছর পর ফিরে পেয়েছে তার পরিবার। মেয়ের মৃত্যুর খবর ও ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর স্বজনরা তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর হরিচাঁদ গ্রাম থেকে পরিবারের সদস্যরা বাগেরহাটে এসে ফজিলা খাতুনকে নিয়ে যান। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিকেলে স্থানীয় প্রশাসন তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন ফজিলা খাতুন। প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে ঝড়-বৃষ্টির এক দিনে ছোট মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান তিনি। এরপর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। একপর্যায়ে তাকে ফিরে পাওয়ার আশাও ছেড়ে দিয়েছিলেন স্বজনরা।
গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ফজিলা খাতুন ও তার মেয়ে ফাতেমা বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার এলাকায় বসবাস করছিলেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘ফাতেমার মা’ নামে। তবে কেউই তার প্রকৃত পরিচয় জানতেন না।
গত সোমবার রাতে মাজার সংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের আক্রমণের শিকার হয় শিশু ফাতেমা। পরদিন মঙ্গলবার ভোরে দীঘি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর বুধবার সংশ্লিষ্ট কুমিরটিকে দীঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ফাতেমার মৃত্যুর খবর ও ছবি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বুধবার তা দেখে স্বজনরা নিশ্চিত হন, নিহত শিশুটি তাদের পরিবারের সদস্য এবং তার সঙ্গে থাকা নারীটি নিখোঁজ ফজিলা খাতুন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বাগেরহাটে রওনা দেন।
ফজিলার ভাই হারেজ আলী বলেন, “সকালে এসে দেখি আমার বোন মাজারের পাশে একটি ঘরের সঙ্গে হেলান দিয়ে শুয়ে আছে। আমাকে দেখে উঠে বসে। পরে তাকে ফাতেমার কবরের কাছে নিয়ে গেলে সে বারবার বলছিল, ‘আমার ফাতেমা আমার কাছে নাই। কুমির আমার বাচ্চাকে খাইছে।’”
ফজিলার মা হাজেরা খাতুন বলেন, ‘আমার ছয় সন্তানের মধ্যে ফজিলা সবচেয়ে বড়। আমাকে দেখে সে শুধু মেয়ের কথাই বলছিল। নাতনির জন্য এখন আমাদের সবার মন কাঁদে।’ ফজিলার ছেলে বজলুর রহমান বলেন, ‘তিন বছরের বেশি সময় পর মাকে ফিরে পেলাম। কিন্তু ছোট বোনকে আর ফিরে পেলাম না।’
বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. আতিয়া খাতুন বলেন, পরিবারের দেওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, নিহত ফাতেমার টিকাকার্ডসহ বিভিন্ন কাগজপত্র যাচাই করা হয়েছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহের সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। সব তথ্য যাচাই শেষে ফজিলা খাতুনকে তার পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে