
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে শনিবার (২৫ মে) রাতেই মোংলায় জারি করা হয় সাত নম্বর বিপদসংকেত। উপকূলজুড়ে আতঙ্ক। প্রস্তুত রাখা হয়েছে শত শত আশ্রয়কেন্দ্র। সাগর-নদী উত্তাল। ঝড় মোকাবিলায় করণীয় সবকিছু করতে ঘুম নেই সংশ্লিষ্টদের। অথচ এসবের থোড়াই কেয়ার নদীতে চলাচলকারী ট্রলারমাঝিদের।
সাত নম্বর বিপদসংকেতের মধ্যেই রবিবার (২৬ মে) ভোর থেকে যাত্রী নিয়ে মোংলা নদীতে অবিরাম ছুটছে তাদের ট্রলার। তবে ট্রলারে যাত্রী বহনে নির্দিষ্ট সংখ্যার নিয়ম থাকলেও চার গুণ যাত্রী নিয়ে পারাপার করেছেন তারা। কমপক্ষে ৮০ জন যাত্রী নিয়ে নদীর ওপার থেকে এপারে ভিড়তেই ডুবে যায় একটি ট্রলার। যেন তীরে এসে ডুবলো তরি। রবিবার সকাল ৯টায় মোংলা নদীর ঘাটে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
তবে নদীর পাড়ে ডুবে যাওয়ায় কিছু যাত্রী উঠে গেলেও অনেকের নিখোঁজের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক লোকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রবিবার ভোর থেকেই ট্রলারে করে শত শত যাত্রী পার হয়েছেন। যার অধিকাংশই ইপিজেডের ‘ভিআইপি’ নামক একটি কারখানার কর্মরত শ্রমিক। এদিন প্রত্যেকটি ট্রলারে ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী ছিল। ট্রলারচালকেরা ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যেই অতি মুনাফার লোভে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে নদী পার করছিল। দুর্ঘটনার পর খবর পেয়ে ছুটে আসেন ডুবে যাওয়া ট্রলারের যাত্রীদের স্বজনেরা। তারা এ সময় পৌরসভার নিয়ন্ত্রণে থাকা টোল আদায়ের কাউন্টার ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনার পর থেকে মোংলা নদীতে ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঝড়ের মধ্যে ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মোংলা নদী পারাপার ট্রলারমালিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম বাবুল বলেন, ‘যাত্রীরা লাফিয়ে লাফিয়ে ট্রলারে উঠে পড়লে আমাদের কী করার আছে।’ এ কথা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।
এদিকে ডুবে যাওয়া ট্রলারে থাকা যাত্রীদের অধিকাংশ মোংলা ইপিজেডের ভিআইপি কারখানার শ্রমিক ছিলেন। সাত নম্বর বিপদসংকেতের মধ্যেও কারখানা খুলে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে, ভিআইপি কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান দাবি করেন, সাত নম্বর বিপদসংকেত জারি হওয়ার পরই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাহলে সকালে কেন শ্রমিক পার হচ্ছিল, জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘আমি মিটিংয়ে আছি। আপনারা যা লেখার লেখেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শ্রমিকেরা অভিযোগ করে বলেন, ‘ঝড়ের মধ্যে কারখানায় যাওয়ার বিষয়ে ভিআইপির মিজান স্যার ফোন দিয়ে জোর করে তাদের নিয়েছেন।’
মোংলা উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিশাত তামান্না বলেন, ‘ট্রলার দুর্ঘটনার পরপরই খোঁজখবর রাখছি। কোনও যাত্রী নিখোঁজ আছে কিনা, সে বিষয়ে পৌরসভার সিসি ক্যামেরায় দেখা হচ্ছে।’

ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে শনিবার (২৫ মে) রাতেই মোংলায় জারি করা হয় সাত নম্বর বিপদসংকেত। উপকূলজুড়ে আতঙ্ক। প্রস্তুত রাখা হয়েছে শত শত আশ্রয়কেন্দ্র। সাগর-নদী উত্তাল। ঝড় মোকাবিলায় করণীয় সবকিছু করতে ঘুম নেই সংশ্লিষ্টদের। অথচ এসবের থোড়াই কেয়ার নদীতে চলাচলকারী ট্রলারমাঝিদের।
সাত নম্বর বিপদসংকেতের মধ্যেই রবিবার (২৬ মে) ভোর থেকে যাত্রী নিয়ে মোংলা নদীতে অবিরাম ছুটছে তাদের ট্রলার। তবে ট্রলারে যাত্রী বহনে নির্দিষ্ট সংখ্যার নিয়ম থাকলেও চার গুণ যাত্রী নিয়ে পারাপার করেছেন তারা। কমপক্ষে ৮০ জন যাত্রী নিয়ে নদীর ওপার থেকে এপারে ভিড়তেই ডুবে যায় একটি ট্রলার। যেন তীরে এসে ডুবলো তরি। রবিবার সকাল ৯টায় মোংলা নদীর ঘাটে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
তবে নদীর পাড়ে ডুবে যাওয়ায় কিছু যাত্রী উঠে গেলেও অনেকের নিখোঁজের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক লোকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রবিবার ভোর থেকেই ট্রলারে করে শত শত যাত্রী পার হয়েছেন। যার অধিকাংশই ইপিজেডের ‘ভিআইপি’ নামক একটি কারখানার কর্মরত শ্রমিক। এদিন প্রত্যেকটি ট্রলারে ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী ছিল। ট্রলারচালকেরা ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যেই অতি মুনাফার লোভে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে নদী পার করছিল। দুর্ঘটনার পর খবর পেয়ে ছুটে আসেন ডুবে যাওয়া ট্রলারের যাত্রীদের স্বজনেরা। তারা এ সময় পৌরসভার নিয়ন্ত্রণে থাকা টোল আদায়ের কাউন্টার ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনার পর থেকে মোংলা নদীতে ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঝড়ের মধ্যে ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মোংলা নদী পারাপার ট্রলারমালিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম বাবুল বলেন, ‘যাত্রীরা লাফিয়ে লাফিয়ে ট্রলারে উঠে পড়লে আমাদের কী করার আছে।’ এ কথা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।
এদিকে ডুবে যাওয়া ট্রলারে থাকা যাত্রীদের অধিকাংশ মোংলা ইপিজেডের ভিআইপি কারখানার শ্রমিক ছিলেন। সাত নম্বর বিপদসংকেতের মধ্যেও কারখানা খুলে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে, ভিআইপি কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান দাবি করেন, সাত নম্বর বিপদসংকেত জারি হওয়ার পরই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাহলে সকালে কেন শ্রমিক পার হচ্ছিল, জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘আমি মিটিংয়ে আছি। আপনারা যা লেখার লেখেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শ্রমিকেরা অভিযোগ করে বলেন, ‘ঝড়ের মধ্যে কারখানায় যাওয়ার বিষয়ে ভিআইপির মিজান স্যার ফোন দিয়ে জোর করে তাদের নিয়েছেন।’
মোংলা উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিশাত তামান্না বলেন, ‘ট্রলার দুর্ঘটনার পরপরই খোঁজখবর রাখছি। কোনও যাত্রী নিখোঁজ আছে কিনা, সে বিষয়ে পৌরসভার সিসি ক্যামেরায় দেখা হচ্ছে।’

জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। তারা আহত ৬ জনকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নিহত ও আহত শ্রমিকদের বাড়ি উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
১৫ ঘণ্টা আগে
আহত যুবক হোয়াইক্যাং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল গ্রামের বাসিন্দা ফজল করিমের ছেলে। ঘটনার পর সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে নাফ নদীতে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
গণভোট শুধু আগামী পাঁচ বছরের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ।
১৭ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বলেন, ‘ভোর চারটা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে; বের করা হলে ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।’
১৮ ঘণ্টা আগে