

বাগেরহাটের মোংলায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতাসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি পীযূষ কান্তি মজুমদার (৫৮) সহ ৮ জনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনোত্তর হামলার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে ‘মোংলা পূজা উদযাপন ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতা রুখতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
জানা গেছে, রোববার মোংলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচর অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে ৪ প্রার্থীর মধ্যে চিংড়ি প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান পুনরায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, রাতে ভোট গগনা শেষে বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তার নেতা কর্মী ও সমর্থকদের উপর হামলাসহ নানা ধরনের তাণ্ডব চালাতে থাকে জয়ী প্রার্থীর লোকজন। রাতে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সানবান্ধা আবাসন এলাকায় আনারসের কর্মী বাবুলের দোকানে হামলা ও ভাঙচুরসহ তাকে মারধর করা হয়। সোমবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিনা উসকানিতে চাঁদপাই ইউনিয়নের পাগলের মোড়ে ইকবাল হোসেনের সমর্থক মোংলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি পীযূষ কান্তি মজুমদারের ওপর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই হাবিবের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা করা হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। এরপর চৌকদিারের মোড়ে আনারসের কর্মী ইউছুপ (২৫), সাইদুল (২২), চিলা ব্রিজের গোডা খাল এলাকায় প্রভুদান হালদারকে জয়ী প্রার্থীর ক্যাডার বাহিনীর লোকজন হামলা চালিয়ে জখম করে।
এ ছাড়া পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিজয়ী প্রার্থীর লোকজন আনারস প্রতীকের লোকদের উপর হামলা ও মারধর চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে পূজা উদযাপন কমিটির নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে দুপুর ১টার দিকে পৌর মার্কেটের সামনে ‘মোংলা পূজা উদযাপন ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে কয়েক শ লোক। এ সময় বক্তব্য রাখেন পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী ইজারাদার, বুড়িরডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান উদয় শঙ্কর বিশ্বাস, মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মন্ডল, সুন্দরবন ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদার, পূজা উদযাপন কমিটির নেতা অম্বরেশ রায়, বিপুল মণ্ডল প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা পীযূষ মণ্ডলের ওপর চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলার বিচারসহ আনারস প্রতীকের নেতা কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তার দাবি জানানো হয়।
মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা, শাহীন জানান, ভোট গণনার পর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতার শিকার হয়ে ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৮ জন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ৪টি পৃথক ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায়জড়িত সন্দেহে ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপরদিকে নির্বাচন পরবর্তী হামলা ও সহিংসতা রোধে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার করেছে।

বাগেরহাটের মোংলায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতাসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি পীযূষ কান্তি মজুমদার (৫৮) সহ ৮ জনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনোত্তর হামলার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে ‘মোংলা পূজা উদযাপন ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতা রুখতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
জানা গেছে, রোববার মোংলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচর অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে ৪ প্রার্থীর মধ্যে চিংড়ি প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান পুনরায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, রাতে ভোট গগনা শেষে বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তার নেতা কর্মী ও সমর্থকদের উপর হামলাসহ নানা ধরনের তাণ্ডব চালাতে থাকে জয়ী প্রার্থীর লোকজন। রাতে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সানবান্ধা আবাসন এলাকায় আনারসের কর্মী বাবুলের দোকানে হামলা ও ভাঙচুরসহ তাকে মারধর করা হয়। সোমবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিনা উসকানিতে চাঁদপাই ইউনিয়নের পাগলের মোড়ে ইকবাল হোসেনের সমর্থক মোংলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি পীযূষ কান্তি মজুমদারের ওপর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই হাবিবের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা করা হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। এরপর চৌকদিারের মোড়ে আনারসের কর্মী ইউছুপ (২৫), সাইদুল (২২), চিলা ব্রিজের গোডা খাল এলাকায় প্রভুদান হালদারকে জয়ী প্রার্থীর ক্যাডার বাহিনীর লোকজন হামলা চালিয়ে জখম করে।
এ ছাড়া পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিজয়ী প্রার্থীর লোকজন আনারস প্রতীকের লোকদের উপর হামলা ও মারধর চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে পূজা উদযাপন কমিটির নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে দুপুর ১টার দিকে পৌর মার্কেটের সামনে ‘মোংলা পূজা উদযাপন ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে কয়েক শ লোক। এ সময় বক্তব্য রাখেন পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী ইজারাদার, বুড়িরডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান উদয় শঙ্কর বিশ্বাস, মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মন্ডল, সুন্দরবন ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদার, পূজা উদযাপন কমিটির নেতা অম্বরেশ রায়, বিপুল মণ্ডল প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা পীযূষ মণ্ডলের ওপর চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলার বিচারসহ আনারস প্রতীকের নেতা কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তার দাবি জানানো হয়।
মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা, শাহীন জানান, ভোট গণনার পর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতার শিকার হয়ে ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৮ জন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ৪টি পৃথক ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায়জড়িত সন্দেহে ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপরদিকে নির্বাচন পরবর্তী হামলা ও সহিংসতা রোধে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার করেছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত শিশুদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
১১ ঘণ্টা আগে
বন্ধুদের এমন অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। অতিথিদের মাঝে হাস্যরস আর আলোচনা— দুটিই ছিল চোখে পড়ার মতো।
১৭ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম (বাদশা) ধানের শীষ, জামায়াতের আবিদুর রহমান (সোহেল) দাঁড়িপাল্লা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিম্নমানের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
১ দিন আগে