
কার্ত্তিক দাস, নড়াইল

তিন বছর আগে পদ্মা ও মধুমতি নদীর ওপর দেশের দুটি মেগা প্রকল্পের সেতু উদ্বোধনের পর ঢাকা-কলকাতা ভায়া নড়াইল-যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে ভাঙ্গা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শেষ না হওয়ায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা। সরু ও খানাখন্দে ভরা এই সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে কয়েকটি জেলার লাখো মানুষকে। যাত্রীদের ভোগান্তিরও শেষ নেই।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত তিন বছরে এই মহাসড়কে ৭৫টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৪৫ জন এবং আহত হয়েছেন ১৫২ জন। স্থানীয় বাসিন্দা, বাস মালিক ও শ্রমিকরা বলছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই মেগা প্রকল্পের পূর্ণ সুফল পেতে ভাটিয়াপাড়া-বেনাপোল অংশটি দ্রুত প্রশস্ত করা জরুরি।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা থেকে ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে পার হওয়ার পর মোকছেদপুর, ভাটিয়াপাড়া-নড়াইল-যশোর হয়ে বেনাপোল পর্যন্ত প্রায় ১২০ কিলোমিটার সড়ক অত্যন্ত সরু। এই অংশ দিয়েই এখন দিন-রাত তীব্র যানচাপের মধ্যে চলাচল করছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। ওভারটেকিং বা ক্রসিংয়ের সময় সড়কের পাশে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় প্রায়ই যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাচ্ছে অথবা অন্য গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। এতে যেমন প্রাণহানি বাড়ছে, তেমনি অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করছেন।

স্থানীয় পরিবহনসংশ্লিষ্টদের মতে, এই ১২০ কিলোমিটার সড়ক অবিলম্বে চার লেনে উন্নীত বা পর্যাপ্ত প্রশস্ত না করলে দুর্ঘটনা কোনোভাবেই কমানো সম্ভব হবে না।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং স্থানীয় সূত্র জানায়, পদ্মা ও মধুমতি সেতু চালুর পর ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ২৭ জুন পর্যন্ত নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৭৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে কিংবা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪৫ জন মারা গেছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন ১৫২ জন। তাদের মধ্যে অনেকেই পঙ্গু হয়ে হাসপাতালের শয্যায় কিংবা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবেশদ্বার বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে রাজধানীর দ্রুত ও নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে এই মহাসড়ক দ্রুত সংস্কার ও প্রশস্ত করা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিবহনচালক সুজন শিকদার বলেন, ‘ওভারটেকিং কিংবা ক্রসিংয়ের সময় সড়কের পাশে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাচ্ছে অথবা অন্য গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। সড়কটির এই অংশ চার লেনে উন্নীত না করা হলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব হবে না।’
নড়াইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হাসান বলেন, ‘পদ্মা ও মধুমতি সেতুর কারণে আমাদের যাতায়াত অনেক সহজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাস্তা অত্যন্ত সরু হওয়ায় সেই সুযোগ-সুবিধা অনেকটাই নষ্ট হচ্ছে। প্রতিনিয়ত পথচারিরা ভোগান্তিতে পড়েন, রাস্তায় চলাচলকারি জনগণ ও আমাদের শ্রমিক ও যাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। আমরা অবিলম্বে এই রাস্তা প্রশস্ত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, ‘নড়াইল জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক হলো ঢাকা-বেনাপোল ভায়া ভাটিয়াপাড়া-নড়াইল সড়কটি। বর্তমানে এটি মাত্র ২৪ ফিট চওড়া।’
তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে ব্যস্ততা ও যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। সাময়িক সুরক্ষার জন্য আমরা সড়ক সংলগ্ন পর্যাপ্ত সাইন-সিগন্যাল ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থার আয়োজন করেছি। তবে আশার কথা হলো, চলতি বছরের শেষের দিকেই আমরা এই সড়কটি স্থায়ীভাবে প্রশস্ত করণের কাজ শুরু করতে পারব।’
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকা-মাওয়া-নড়াইল-বেনাপোল জাতীয় মহাসড়কের কালনা এলাকায় মধুমতি নদীর ওপর দেশের প্রথম ছয় লেনবিশিষ্ট ‘মধুমতি সেতু’ উদ্বোধন করা হয়। এরপর থেকেই ঢাকা, যশোর, বেনাপোল, কলকাতা, সাতক্ষীরা, খুলনা, মাগুরা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে যাত্রীবাহী পরিবহন, পণ্যবাহী ট্রাকসহ শত শত যানবাহন নড়াইল রুট ব্যবহার করছে। কিন্তু সেতুর সংযোগ সড়কগুলো আধুনিক ও প্রশস্ত হলেও ভেতরের মূল মহাসড়কটি আগের মতোই সরু রয়ে গেছে। ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও জনভোগান্তি।

তিন বছর আগে পদ্মা ও মধুমতি নদীর ওপর দেশের দুটি মেগা প্রকল্পের সেতু উদ্বোধনের পর ঢাকা-কলকাতা ভায়া নড়াইল-যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে ভাঙ্গা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শেষ না হওয়ায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা। সরু ও খানাখন্দে ভরা এই সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে কয়েকটি জেলার লাখো মানুষকে। যাত্রীদের ভোগান্তিরও শেষ নেই।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত তিন বছরে এই মহাসড়কে ৭৫টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৪৫ জন এবং আহত হয়েছেন ১৫২ জন। স্থানীয় বাসিন্দা, বাস মালিক ও শ্রমিকরা বলছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই মেগা প্রকল্পের পূর্ণ সুফল পেতে ভাটিয়াপাড়া-বেনাপোল অংশটি দ্রুত প্রশস্ত করা জরুরি।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা থেকে ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে পার হওয়ার পর মোকছেদপুর, ভাটিয়াপাড়া-নড়াইল-যশোর হয়ে বেনাপোল পর্যন্ত প্রায় ১২০ কিলোমিটার সড়ক অত্যন্ত সরু। এই অংশ দিয়েই এখন দিন-রাত তীব্র যানচাপের মধ্যে চলাচল করছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। ওভারটেকিং বা ক্রসিংয়ের সময় সড়কের পাশে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় প্রায়ই যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাচ্ছে অথবা অন্য গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। এতে যেমন প্রাণহানি বাড়ছে, তেমনি অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করছেন।

স্থানীয় পরিবহনসংশ্লিষ্টদের মতে, এই ১২০ কিলোমিটার সড়ক অবিলম্বে চার লেনে উন্নীত বা পর্যাপ্ত প্রশস্ত না করলে দুর্ঘটনা কোনোভাবেই কমানো সম্ভব হবে না।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং স্থানীয় সূত্র জানায়, পদ্মা ও মধুমতি সেতু চালুর পর ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ২৭ জুন পর্যন্ত নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৭৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে কিংবা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪৫ জন মারা গেছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন ১৫২ জন। তাদের মধ্যে অনেকেই পঙ্গু হয়ে হাসপাতালের শয্যায় কিংবা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবেশদ্বার বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে রাজধানীর দ্রুত ও নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে এই মহাসড়ক দ্রুত সংস্কার ও প্রশস্ত করা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিবহনচালক সুজন শিকদার বলেন, ‘ওভারটেকিং কিংবা ক্রসিংয়ের সময় সড়কের পাশে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাচ্ছে অথবা অন্য গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। সড়কটির এই অংশ চার লেনে উন্নীত না করা হলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব হবে না।’
নড়াইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হাসান বলেন, ‘পদ্মা ও মধুমতি সেতুর কারণে আমাদের যাতায়াত অনেক সহজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাস্তা অত্যন্ত সরু হওয়ায় সেই সুযোগ-সুবিধা অনেকটাই নষ্ট হচ্ছে। প্রতিনিয়ত পথচারিরা ভোগান্তিতে পড়েন, রাস্তায় চলাচলকারি জনগণ ও আমাদের শ্রমিক ও যাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। আমরা অবিলম্বে এই রাস্তা প্রশস্ত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, ‘নড়াইল জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক হলো ঢাকা-বেনাপোল ভায়া ভাটিয়াপাড়া-নড়াইল সড়কটি। বর্তমানে এটি মাত্র ২৪ ফিট চওড়া।’
তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে ব্যস্ততা ও যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। সাময়িক সুরক্ষার জন্য আমরা সড়ক সংলগ্ন পর্যাপ্ত সাইন-সিগন্যাল ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থার আয়োজন করেছি। তবে আশার কথা হলো, চলতি বছরের শেষের দিকেই আমরা এই সড়কটি স্থায়ীভাবে প্রশস্ত করণের কাজ শুরু করতে পারব।’
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকা-মাওয়া-নড়াইল-বেনাপোল জাতীয় মহাসড়কের কালনা এলাকায় মধুমতি নদীর ওপর দেশের প্রথম ছয় লেনবিশিষ্ট ‘মধুমতি সেতু’ উদ্বোধন করা হয়। এরপর থেকেই ঢাকা, যশোর, বেনাপোল, কলকাতা, সাতক্ষীরা, খুলনা, মাগুরা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে যাত্রীবাহী পরিবহন, পণ্যবাহী ট্রাকসহ শত শত যানবাহন নড়াইল রুট ব্যবহার করছে। কিন্তু সেতুর সংযোগ সড়কগুলো আধুনিক ও প্রশস্ত হলেও ভেতরের মূল মহাসড়কটি আগের মতোই সরু রয়ে গেছে। ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও জনভোগান্তি।

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্
৪ ঘণ্টা আগে
ঘটনার পর খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ তিনভাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
৪ ঘণ্টা আগে