
নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলায় নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি বাঁশের সাঁকো পরিদর্শনে গিয়ে ভেঙে নদীতে পড়ে গেছেন জামায়াতের ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী। তবে সাঁকোর কিছুটা সামনে থাকায় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার রক্ষা পান। এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডিমলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন সাঁকোর ওপর উঠে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘যাওয়া যাবে, সমস্যা হবে না।’
নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার সবার সামনে ছিলেন। তিনি এগিয়ে যাওয়ার পর তার পেছনের অংশের সাঁকোটি ভেঙে পড়তে থাকে। এতে কয়েকজন নিচে পড়ে যান।
জামায়াতের স্থানীয় নেতারা জানান, ডিমলা উপজেলা সদরের সঙ্গে নাউতরা এলাকার যোগাযোগের জন্য নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি বাঁশের সাঁকোর জায়গায় একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার স্থানীয় জামায়াত নেতাদের নিয়ে সাঁকোটি পরিদর্শনে যান।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংসদ সদস্য ও তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা সাঁকোর ওপর উঠলে সেটি ভেঙে পড়ে। এতে উপজেলা জামায়াতের আমির মজিবুর রহমান, নায়েবে আমির কাজী হাবিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান, সংসদ সদস্যের দেহরক্ষী আব্দুল মান্নান, ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নূর মোবাশ্বেরসহ ৮ থেকে ১০ জন সাঁকো থেকে নদীতে পড়ে যান।
এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি বলে জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের আমন্ত্রণে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে আমরা সেখানে যাই। সাঁকোটি পরিদর্শনের সময় হঠাৎ করে সেটি ভেঙে পড়ে। আমরা এবং স্থানীয় কিছু লোকজন ওই সাঁকো থেকে পড়ে যাই। তবে সংসদ সদস্য রক্ষা পান।’
এ বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

নীলফামারীর ডিমলায় নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি বাঁশের সাঁকো পরিদর্শনে গিয়ে ভেঙে নদীতে পড়ে গেছেন জামায়াতের ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী। তবে সাঁকোর কিছুটা সামনে থাকায় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার রক্ষা পান। এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডিমলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন সাঁকোর ওপর উঠে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘যাওয়া যাবে, সমস্যা হবে না।’
নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার সবার সামনে ছিলেন। তিনি এগিয়ে যাওয়ার পর তার পেছনের অংশের সাঁকোটি ভেঙে পড়তে থাকে। এতে কয়েকজন নিচে পড়ে যান।
জামায়াতের স্থানীয় নেতারা জানান, ডিমলা উপজেলা সদরের সঙ্গে নাউতরা এলাকার যোগাযোগের জন্য নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি বাঁশের সাঁকোর জায়গায় একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার স্থানীয় জামায়াত নেতাদের নিয়ে সাঁকোটি পরিদর্শনে যান।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংসদ সদস্য ও তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা সাঁকোর ওপর উঠলে সেটি ভেঙে পড়ে। এতে উপজেলা জামায়াতের আমির মজিবুর রহমান, নায়েবে আমির কাজী হাবিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান, সংসদ সদস্যের দেহরক্ষী আব্দুল মান্নান, ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নূর মোবাশ্বেরসহ ৮ থেকে ১০ জন সাঁকো থেকে নদীতে পড়ে যান।
এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি বলে জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের আমন্ত্রণে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে আমরা সেখানে যাই। সাঁকোটি পরিদর্শনের সময় হঠাৎ করে সেটি ভেঙে পড়ে। আমরা এবং স্থানীয় কিছু লোকজন ওই সাঁকো থেকে পড়ে যাই। তবে সংসদ সদস্য রক্ষা পান।’
এ বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে ককটেলসদৃশ একটি বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে আদালতের মূল ফটকের কাছে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কোনো হতাহত না হলেও বিচারপ্রার্থীসহ অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
৭ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত এ আদেশ দেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
১০ ঘণ্টা আগে