
রাজশাহী ব্যুরো

ধর্মীয় উপাসনালয়, পূজামণ্ডপে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হলে কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, পূজামণ্ডপে যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় সে যেই হোক তাকে ছাড় দেব না। আইনের আওতায় এনে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করব।
আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী গৌরাঙ্গ বাড়ি কালীমন্দির পরিদর্শন ও অসহায়-দরিদ্রদের মধ্যে সহায়তা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, রাজশাহী বিভাগের সনাতন ধর্মের ভাই-বোনেরা যাতে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পূজা উৎসব পালন করতে পারে এই ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে আহ্বান করছি। আপনারা যদি মন্দিরে হামলার আশঙ্কা করেন তাহলে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করবেন। আমরা সেন্ট্রালি বলে দিয়েছি, যে মন্দিরগুলো ঝুঁকিপূর্ণ আছে আপনারা মনে করেন, মাদ্রাসা ছাত্ররা পালাক্রমে মন্দিরগুলো পাহারা দেবে। সঙ্গে স্থানীয় জনগণও পাহারা দেবে। কোনো ক্রিমিনাল আমাদের এই ধর্মীয় উৎসবে বাধা দিতে পারবে না।
তিনি বলেন, ভারতের মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের মন্দির লালন-পালনের (সেবা) ব্যবস্থা আছে। যারা মন্দিরের সেবা করে। যাদের মা-বাবা নেই তাদের খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। আমি আশা করব, এই শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ড মানবিক একটা পরিকল্পনা নিতে পারেন। ধর্ম চর্চা, ধর্ম অনুশীলনের পাশাপাশি অসহায় মানুষদের খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেন।
এই দেশকে অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন একটা রাষ্ট্রে আমরা পরিণত করতে চাই জানিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এই ক্ষেত্রে আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা আমাদের হাতকে শক্তিশালী করবেন।
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলার গোগ্রাম ইউনিয়নের নলওয়াতুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. মোখতার আলী, শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ বাড়ি দেব মন্দিরের সভাপতি বিদ্যুৎ নারায়ণ সরকার। এসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীর মানুষজনও উপস্থিত ছিলেন।

ধর্মীয় উপাসনালয়, পূজামণ্ডপে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হলে কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, পূজামণ্ডপে যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় সে যেই হোক তাকে ছাড় দেব না। আইনের আওতায় এনে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করব।
আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী গৌরাঙ্গ বাড়ি কালীমন্দির পরিদর্শন ও অসহায়-দরিদ্রদের মধ্যে সহায়তা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, রাজশাহী বিভাগের সনাতন ধর্মের ভাই-বোনেরা যাতে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পূজা উৎসব পালন করতে পারে এই ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে আহ্বান করছি। আপনারা যদি মন্দিরে হামলার আশঙ্কা করেন তাহলে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করবেন। আমরা সেন্ট্রালি বলে দিয়েছি, যে মন্দিরগুলো ঝুঁকিপূর্ণ আছে আপনারা মনে করেন, মাদ্রাসা ছাত্ররা পালাক্রমে মন্দিরগুলো পাহারা দেবে। সঙ্গে স্থানীয় জনগণও পাহারা দেবে। কোনো ক্রিমিনাল আমাদের এই ধর্মীয় উৎসবে বাধা দিতে পারবে না।
তিনি বলেন, ভারতের মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের মন্দির লালন-পালনের (সেবা) ব্যবস্থা আছে। যারা মন্দিরের সেবা করে। যাদের মা-বাবা নেই তাদের খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। আমি আশা করব, এই শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ড মানবিক একটা পরিকল্পনা নিতে পারেন। ধর্ম চর্চা, ধর্ম অনুশীলনের পাশাপাশি অসহায় মানুষদের খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেন।
এই দেশকে অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন একটা রাষ্ট্রে আমরা পরিণত করতে চাই জানিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এই ক্ষেত্রে আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা আমাদের হাতকে শক্তিশালী করবেন।
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলার গোগ্রাম ইউনিয়নের নলওয়াতুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. মোখতার আলী, শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ বাড়ি দেব মন্দিরের সভাপতি বিদ্যুৎ নারায়ণ সরকার। এসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীর মানুষজনও উপস্থিত ছিলেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। গ্রেপ্তার দুজন হলেন নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার মুগ্ধ দাস ও তাঁর মামাতো ভাইয়ের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।
২ দিন আগে
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) সদর দপ্তরের সামনে সড়কে অবস্থান নেন তারা। এতে বনানী থেকে মহাখালীগামী যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
২ দিন আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
৩ দিন আগে