
রাজশাহী ব্যুরো

বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ-এর দলীয় কার্যালয়ের স্থানকে প্রতীকীভাবে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সংগঠনটির রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজুসহ কয়েকজন নেতা আজ বৃহস্পতিবার সকালে নগরের কুমারপাড়া এলাকায় ওই স্থানে ‘পাবলিক টয়লেট’ শিরোনামে একটি ব্যানার টানান।
ব্যানারে লেখা ছিল, ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১৭ বছরের ক্ষোভ ঝাড়ুন। সৌজন্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, রাজশাহী।’
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মহানগর আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয় বিক্ষুব্ধ জনতা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। পরে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর শরীফ ওসমান হাদী নিহতের ঘটনার পর উত্তেজিত ছাত্র-জনতা পরিত্যক্ত ভবনের অবশিষ্ট অংশও ভেঙে ফেলে।
ধ্বংসস্তূপের সামনে গত শুক্রবার রাতে কে বা কারা একটি উদ্বোধনী ব্যানার টানিয়ে যায়। পরদিন সকালে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেটি ছিঁড়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন।
এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সেখানে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ নামে নতুন ব্যানার টানানো হয়। ব্যানার টানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু। তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতনের পর ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে। রাজশাহীতে আন্দোলনের সময় শহীদ আলী রায়হান ও শহীদ সাকিব আঞ্জুমসহ অনেকে প্রাণ হারান এবং অসংখ্য মানুষ আহত হন। এখনো এক আহত কর্মীর মেরুদণ্ডে গুলি রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এত নির্যাতনের পরও আওয়ামী লীগ আবারও রাজশাহীতে তাদের অফিস চালু করার ঘোষণা দিয়েছে, যা নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। যে কার্যালয়টি একসময় সন্ত্রাসীদের আতুরঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, সেটিকে আমরা প্রতীকীভাবে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে উদ্বোধন করেছি।
সংগঠনটির নেতারা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে শিগগিরই একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে, যাতে ওই স্থানে স্থায়ীভাবে একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় রাজশাহী জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ-এর দলীয় কার্যালয়ের স্থানকে প্রতীকীভাবে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সংগঠনটির রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজুসহ কয়েকজন নেতা আজ বৃহস্পতিবার সকালে নগরের কুমারপাড়া এলাকায় ওই স্থানে ‘পাবলিক টয়লেট’ শিরোনামে একটি ব্যানার টানান।
ব্যানারে লেখা ছিল, ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১৭ বছরের ক্ষোভ ঝাড়ুন। সৌজন্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, রাজশাহী।’
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মহানগর আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয় বিক্ষুব্ধ জনতা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। পরে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর শরীফ ওসমান হাদী নিহতের ঘটনার পর উত্তেজিত ছাত্র-জনতা পরিত্যক্ত ভবনের অবশিষ্ট অংশও ভেঙে ফেলে।
ধ্বংসস্তূপের সামনে গত শুক্রবার রাতে কে বা কারা একটি উদ্বোধনী ব্যানার টানিয়ে যায়। পরদিন সকালে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেটি ছিঁড়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন।
এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সেখানে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ নামে নতুন ব্যানার টানানো হয়। ব্যানার টানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু। তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতনের পর ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে। রাজশাহীতে আন্দোলনের সময় শহীদ আলী রায়হান ও শহীদ সাকিব আঞ্জুমসহ অনেকে প্রাণ হারান এবং অসংখ্য মানুষ আহত হন। এখনো এক আহত কর্মীর মেরুদণ্ডে গুলি রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এত নির্যাতনের পরও আওয়ামী লীগ আবারও রাজশাহীতে তাদের অফিস চালু করার ঘোষণা দিয়েছে, যা নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। যে কার্যালয়টি একসময় সন্ত্রাসীদের আতুরঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, সেটিকে আমরা প্রতীকীভাবে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে উদ্বোধন করেছি।
সংগঠনটির নেতারা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে শিগগিরই একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে, যাতে ওই স্থানে স্থায়ীভাবে একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় রাজশাহী জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে