
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী বিচার চাওয়ায় তাকে তার বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের পর মেয়েটি ও তার পরিবার বিচার চাইলেও অভিযুক্তরা তা মীমাংসার চেষ্টা করেছিল।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদীর কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকায় একটি সরিষা খেত থেকে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল।
নিহতের কিশোরীর বাবা বরিশালের বাসিন্দা। কাজের সূত্রে পরিবার নিয়ে তিনি নরসিংদীর মাধবদীতে থাকেন।
স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহ দুয়েক আগে মেয়েটি বাড়ি ফেরার সময় স্থানীয় নূরার নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জনের একটি দল তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মেয়েটির পরিবার বিচার চেয়ে মহিষাশুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহর কাছে যায়। সালিশে মেয়েটি বিচার না পেলেও তাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকেলে মেয়েটিকে নিয়ে তার খালার বাড়ির পথে রওয়ানা হন বাবা। পথে বড়ইতলা এলাকায় নূরার নেতৃত্বে পাঁচজন মেয়েটিকে তার বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন সারা রাত খোঁজাখুঁজি করেও মেয়েটির সন্ধান পায়নি।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় একটি সরিষা খেতে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় এক কিশোরীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে স্বজনরা গিয়ে মেয়েটিকে শনাক্ত করে।
মেয়েটির বাবা বলেন, আমার সামনে থেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে নূরা ও তার সহযোগীরা। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাইনি। নূরা এই কাজ করেছে। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
ঘটনার পর অভিযুক্ত নূরাসহ তার সহযোগীরা গা ঢাকা দিয়েছে। মেয়েটির লাশ উদ্ধারের পর সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহকেও এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। তার মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় সাবেক এক ইউপি সদস্যের কাছে বিচার চাওয়ায় নূরা নামের একজন ওই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে যায়। তারপর মেয়েটির লাশ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে ধর্ষণের ঘটনায় বিচার চাইতে সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে না গিয়ে থানায় আসা দরকার ছিল পরিবারটির।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার জানান, পুলিশ ওই সরিষা খেত থেকে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় দায়ীদের খুঁজছে পুলিশ। মেয়েটির পরিবার অভিযোগ দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী বিচার চাওয়ায় তাকে তার বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের পর মেয়েটি ও তার পরিবার বিচার চাইলেও অভিযুক্তরা তা মীমাংসার চেষ্টা করেছিল।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদীর কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকায় একটি সরিষা খেত থেকে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল।
নিহতের কিশোরীর বাবা বরিশালের বাসিন্দা। কাজের সূত্রে পরিবার নিয়ে তিনি নরসিংদীর মাধবদীতে থাকেন।
স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহ দুয়েক আগে মেয়েটি বাড়ি ফেরার সময় স্থানীয় নূরার নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জনের একটি দল তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মেয়েটির পরিবার বিচার চেয়ে মহিষাশুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহর কাছে যায়। সালিশে মেয়েটি বিচার না পেলেও তাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকেলে মেয়েটিকে নিয়ে তার খালার বাড়ির পথে রওয়ানা হন বাবা। পথে বড়ইতলা এলাকায় নূরার নেতৃত্বে পাঁচজন মেয়েটিকে তার বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন সারা রাত খোঁজাখুঁজি করেও মেয়েটির সন্ধান পায়নি।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় একটি সরিষা খেতে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় এক কিশোরীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে স্বজনরা গিয়ে মেয়েটিকে শনাক্ত করে।
মেয়েটির বাবা বলেন, আমার সামনে থেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে নূরা ও তার সহযোগীরা। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাইনি। নূরা এই কাজ করেছে। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
ঘটনার পর অভিযুক্ত নূরাসহ তার সহযোগীরা গা ঢাকা দিয়েছে। মেয়েটির লাশ উদ্ধারের পর সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহকেও এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। তার মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় সাবেক এক ইউপি সদস্যের কাছে বিচার চাওয়ায় নূরা নামের একজন ওই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে যায়। তারপর মেয়েটির লাশ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে ধর্ষণের ঘটনায় বিচার চাইতে সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে না গিয়ে থানায় আসা দরকার ছিল পরিবারটির।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার জানান, পুলিশ ওই সরিষা খেত থেকে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় দায়ীদের খুঁজছে পুলিশ। মেয়েটির পরিবার অভিযোগ দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওই পরিবহন কোম্পানির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসার সময় বাসটিতে ৩৭ জন যাত্রী ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন বাসের তত্ত্বাবধায়ক, সহকারী ও চালক। বাসটি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছায়। এ সময় ৭ নম্বর ঘাটে ছিল বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরি। সেখানে উঠতে গিয়েই বাসটি পাশের আরেকটি ফেরির র্যামে আঘাত
৯ ঘণ্টা আগে
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপি এলাকার সীমান্ত দিয়ে ১১ জন, পাটগ্রামের পয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর-দীঘলটারী সীমান্ত দিয়ে আরও ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ।
১০ ঘণ্টা আগে
ঘাটে অবস্থানরত ব্যক্তিরা জানান, কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সময় ৭ নম্বর ঘাটের পন্টুন এলাকায় হঠাৎ সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। জানা গেছে, ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতির সময়ই বাসটি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ফলে প্রাণহানি এড়ানো স
১১ ঘণ্টা আগে
দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতেই মারা গেছেন ছয়জন। এ ছাড়া ময়মনসিংহে মারা গেছেন দুজন। একজন করে মারা গেছেন নাটোর, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও বগুড়ায়।
১ দিন আগে