
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে আবারও পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনা ঘটেছে। এসবি সুপার ডিলাক্স নামে এ বাসটিও ছেড়ে এসেছিল কুষ্টিয়া থেকে। তবে এ দুর্ঘটনায় প্রাথমিকভাবে হতাহতের তথ্য মেলেনি।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরি ঘাটে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরি ঘাটে একইভাবে একটি বাস ডুবে গেলে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
ঘাটে অবস্থানরত ব্যক্তিরা জানান, কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সময় ৭ নম্বর ঘাটের পন্টুন এলাকায় হঠাৎ সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। জানা গেছে, ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতির সময়ই বাসটি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ফলে প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাসটি উদ্ধারের তৎপরতা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, র্যাব ও বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরই মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরিরা পানির নিচে বাসের অবস্থান শনাক্ত করে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেছেন। বাসটি নদী থেকে টেনে তোলার জন্য উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন জানান, দৌলতদিয়া ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। দুর্ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছি। বাসটি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। কেন ও কীভাবে বাসটি পড়ে গেল, তা জানার চেষ্টা করছি।
দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে এর আগেও একাধিকবার এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত ২৫ মার্চের দুর্ঘটনাটিই ছিল সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী। সেবার কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে গেলে ২৬ জনের সলিল সমাধি ঘটে।
ওই দুর্ঘটনার পর ঘাট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কথা বলা হলেও আবারও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে ওই ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ কঠোরভাবে নির্দেশনা দেয়, ফেরিতে ওঠার আগে বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দিতে হবে। ফেরি থেকে বাস নেমে যাওয়ার পর তারা আবার বাসে উঠতে পারবেন। সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসের দুর্ঘটনার পর এ নির্দেশনা কার্যকর হওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটলেও হতাহতের ঘটনা কমেছে বলে জানিয়েছেন ঘাটসংশ্লিষ্টরা।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে আবারও পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনা ঘটেছে। এসবি সুপার ডিলাক্স নামে এ বাসটিও ছেড়ে এসেছিল কুষ্টিয়া থেকে। তবে এ দুর্ঘটনায় প্রাথমিকভাবে হতাহতের তথ্য মেলেনি।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরি ঘাটে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরি ঘাটে একইভাবে একটি বাস ডুবে গেলে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
ঘাটে অবস্থানরত ব্যক্তিরা জানান, কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সময় ৭ নম্বর ঘাটের পন্টুন এলাকায় হঠাৎ সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। জানা গেছে, ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতির সময়ই বাসটি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ফলে প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাসটি উদ্ধারের তৎপরতা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, র্যাব ও বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরই মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরিরা পানির নিচে বাসের অবস্থান শনাক্ত করে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেছেন। বাসটি নদী থেকে টেনে তোলার জন্য উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন জানান, দৌলতদিয়া ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। দুর্ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছি। বাসটি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। কেন ও কীভাবে বাসটি পড়ে গেল, তা জানার চেষ্টা করছি।
দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে এর আগেও একাধিকবার এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত ২৫ মার্চের দুর্ঘটনাটিই ছিল সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী। সেবার কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে গেলে ২৬ জনের সলিল সমাধি ঘটে।
ওই দুর্ঘটনার পর ঘাট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কথা বলা হলেও আবারও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে ওই ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ কঠোরভাবে নির্দেশনা দেয়, ফেরিতে ওঠার আগে বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দিতে হবে। ফেরি থেকে বাস নেমে যাওয়ার পর তারা আবার বাসে উঠতে পারবেন। সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসের দুর্ঘটনার পর এ নির্দেশনা কার্যকর হওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটলেও হতাহতের ঘটনা কমেছে বলে জানিয়েছেন ঘাটসংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৬ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে