
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর বেসরকারি ফলাফলে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন।
সিরাজগঞ্জের এ আসনটির ১৪৭ কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাওলানা রফিকুল পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য এম আকবর আলী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭১৮ ভোট। মাত্র ১ হাজার ৬৮২ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
সিরাজগঞ্জ-৪ আসনটি রাজনৈতিকভাবে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ এবং এখানে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে দীর্ঘদিনের শীতল লড়াই চলে আসছে। মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনেও এ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী সাংগঠনিক ভীত এবং মাওলানা রফিকুলের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা তাকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার ধর্মীয় ভাবাপন্ন ভোটব্যাংক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে একাট্টা হওয়ায় তার জয় নিশ্চিত হয়েছে।
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এম আকবর আলী দীর্ঘ বিরতির পর নির্বাচনে ফিরে এসেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দিয়েছেলিন। ধানের শীষের ভোটব্যাংক এবং ব্যক্তিগত ইমেজের ওপর ভর করে তিনি ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি ভোট পেলেও মাত্র ১ হাজার ৬৮২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর বেসরকারি ফলাফলে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন।
সিরাজগঞ্জের এ আসনটির ১৪৭ কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাওলানা রফিকুল পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য এম আকবর আলী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭১৮ ভোট। মাত্র ১ হাজার ৬৮২ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
সিরাজগঞ্জ-৪ আসনটি রাজনৈতিকভাবে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ এবং এখানে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে দীর্ঘদিনের শীতল লড়াই চলে আসছে। মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনেও এ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী সাংগঠনিক ভীত এবং মাওলানা রফিকুলের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা তাকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার ধর্মীয় ভাবাপন্ন ভোটব্যাংক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে একাট্টা হওয়ায় তার জয় নিশ্চিত হয়েছে।
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এম আকবর আলী দীর্ঘ বিরতির পর নির্বাচনে ফিরে এসেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দিয়েছেলিন। ধানের শীষের ভোটব্যাংক এবং ব্যক্তিগত ইমেজের ওপর ভর করে তিনি ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি ভোট পেলেও মাত্র ১ হাজার ৬৮২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেন।

শাহাদাত হোসেন সেলিম বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান ছিলেন। এই দলটি বিএনপির শরিক দল হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করেছে। এবারের নির্বাচনে দল বিলুপ্ত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ফলাফলে দেখা যায়, ১১০টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলে এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। সে হিসাবে মিলন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১০ হাজার ৮৫৯ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে