
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার কথিত প্রেমিক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর কীটনাশক পান করে ওই স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে কথিত প্রেমিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। পঞ্চগড় সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ত। কীটনাশক পানের পর পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন।
ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর আগের দিন, রোববার তার বড় ভাই বাদী হয়ে মামলা করেন। ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে করা মামলায় সোহেলসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকেও আসামি করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোহেল (২৫) এবং তার সহযোগী ইজিবাইকচালক রফিকুল ইসলাম ওরফে বাঘা মন্টুকে (২৩) গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ, পরিবারের সদস্য ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পেশায় রাজমিস্ত্রি শ্রমিক সোহেল ওই স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সোহেল ওই ছাত্রীকে ইজিবাইকে করে পার্শ্ববর্তী হাফিজাবাদ ইউনিয়নের রাজমহল-পূর্ববাগান এলাকার আবু সায়েদের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর সহযোগীদের সহায়তায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনাটি কাউকে জানালে পরিণতি ভালো হবে না বলে মেয়েটিকে হুমকি দেওয়া হয়। রাত প্রায় দুইটার দিকে তাকে মডেলহাটগামী একটি ইজিবাইকে তুলে দেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। ওই ইজিবাইকে একা পেয়ে চালক ও দুই যাত্রীও তাকে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে মেয়েটি ইজিবাইক থেকে লাফ দিয়ে নেমে স্থানীয় এক ট্রাক্টরচালকের সহায়তায় রক্ষা পান।
পরে রাত আড়াইটার দিকে মোবাইল ফোনে বাড়িতে থাকা ভাইকে ঘটনার কথা জানান ওই স্কুলছাত্রী। পরিবারের সদস্যরা তাকে সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনাটি শুনে পরদিন পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ করলে ওই ছাত্রী যেন সমাজে মুখ না দেখায় এমন হুমকি দেন সোহেল। পরে রাগে–ক্ষোভে গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে ওই স্কুলছাত্রী কীটনাশক পান করে। এরপর পরিবারের সদস্যরা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. রেজওয়ানুল্লাহ বলেন, কীটনাশক পান করার পর ওই স্কুলছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়টি জানা যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
ওই স্কুলছাত্রীর বড় ভাই বলেন, ‘আমার বোন না গেলে নাকি সে (সোহেল) বাঁচবে না— এমন কথা বলে নিয়ে গিয়েছিল। আমি এই নরপশুদের ফাঁসি চাই।’ পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশীষ কুমার শীল বলেন, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পঞ্চগড়ে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার কথিত প্রেমিক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর কীটনাশক পান করে ওই স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে কথিত প্রেমিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। পঞ্চগড় সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ত। কীটনাশক পানের পর পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন।
ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর আগের দিন, রোববার তার বড় ভাই বাদী হয়ে মামলা করেন। ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে করা মামলায় সোহেলসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকেও আসামি করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোহেল (২৫) এবং তার সহযোগী ইজিবাইকচালক রফিকুল ইসলাম ওরফে বাঘা মন্টুকে (২৩) গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ, পরিবারের সদস্য ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পেশায় রাজমিস্ত্রি শ্রমিক সোহেল ওই স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সোহেল ওই ছাত্রীকে ইজিবাইকে করে পার্শ্ববর্তী হাফিজাবাদ ইউনিয়নের রাজমহল-পূর্ববাগান এলাকার আবু সায়েদের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর সহযোগীদের সহায়তায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনাটি কাউকে জানালে পরিণতি ভালো হবে না বলে মেয়েটিকে হুমকি দেওয়া হয়। রাত প্রায় দুইটার দিকে তাকে মডেলহাটগামী একটি ইজিবাইকে তুলে দেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। ওই ইজিবাইকে একা পেয়ে চালক ও দুই যাত্রীও তাকে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে মেয়েটি ইজিবাইক থেকে লাফ দিয়ে নেমে স্থানীয় এক ট্রাক্টরচালকের সহায়তায় রক্ষা পান।
পরে রাত আড়াইটার দিকে মোবাইল ফোনে বাড়িতে থাকা ভাইকে ঘটনার কথা জানান ওই স্কুলছাত্রী। পরিবারের সদস্যরা তাকে সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনাটি শুনে পরদিন পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ করলে ওই ছাত্রী যেন সমাজে মুখ না দেখায় এমন হুমকি দেন সোহেল। পরে রাগে–ক্ষোভে গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে ওই স্কুলছাত্রী কীটনাশক পান করে। এরপর পরিবারের সদস্যরা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. রেজওয়ানুল্লাহ বলেন, কীটনাশক পান করার পর ওই স্কুলছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়টি জানা যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
ওই স্কুলছাত্রীর বড় ভাই বলেন, ‘আমার বোন না গেলে নাকি সে (সোহেল) বাঁচবে না— এমন কথা বলে নিয়ে গিয়েছিল। আমি এই নরপশুদের ফাঁসি চাই।’ পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশীষ কুমার শীল বলেন, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে