
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। আসনটির ১৫২টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লক্ষ ৭৫ লক্ষ ২০৮ ভোট।
আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. গোলাম রব্বানী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট। অর্থাৎ, ৬১ হাজার ৬৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
রংপুরের এই আসনে বিএনপি এবং জামায়াত দুই দলই একই নামের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে (গোলাম রব্বানী) মনোনয়ন দেয়। জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী মিঠাপুকুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এবং স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত পরাজিত প্রার্থী মো. গোলাম রব্বানী মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের কাণ্ডারি।
তবে ‘ধানের শীষ’ বনাম ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক এবং দুই প্রার্থীর আলাদা সাংগঠনিক পরিচয় ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে। নির্বাচনের আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, এই আসনে লড়াই হবে দ্বিমুখী, যা শেষ পর্যন্ত জামায়াত প্রার্থীর নিরঙ্কুশ বিজয়ে রূপ নিলো।
মিঠাপুকুর দীর্ঘদিন থেকেই জামায়াতে ইসলামীর একটি শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে পরিচিত। এবারের নির্বাচনে আবারও সেই শক্ত ঘাঁটির প্রমাণ মিলল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। আসনটির ১৫২টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লক্ষ ৭৫ লক্ষ ২০৮ ভোট।
আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. গোলাম রব্বানী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট। অর্থাৎ, ৬১ হাজার ৬৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
রংপুরের এই আসনে বিএনপি এবং জামায়াত দুই দলই একই নামের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে (গোলাম রব্বানী) মনোনয়ন দেয়। জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী মিঠাপুকুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এবং স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত পরাজিত প্রার্থী মো. গোলাম রব্বানী মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের কাণ্ডারি।
তবে ‘ধানের শীষ’ বনাম ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক এবং দুই প্রার্থীর আলাদা সাংগঠনিক পরিচয় ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে। নির্বাচনের আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, এই আসনে লড়াই হবে দ্বিমুখী, যা শেষ পর্যন্ত জামায়াত প্রার্থীর নিরঙ্কুশ বিজয়ে রূপ নিলো।
মিঠাপুকুর দীর্ঘদিন থেকেই জামায়াতে ইসলামীর একটি শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে পরিচিত। এবারের নির্বাচনে আবারও সেই শক্ত ঘাঁটির প্রমাণ মিলল।

নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১০ হাজার ৮৫৯ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের সবগুলোতেই বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা। পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। বাকি একটি আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বিএনপিরই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।
২ ঘণ্টা আগে
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য বলছে, ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৮৪০ ভোট। সে হিসাবে খালিদুজ্জামানের চেয়ে সাত হাজার ৯৮৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তারেক রহমান।
৪ ঘণ্টা আগে