
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান আজাদের সমর্থনে বিক্ষোভ করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বিএনপির একাংশ। এ আসনে বিএনপি ঘোষিত প্রার্থী এস এম ওবায়দুল হক নাসিরকে ‘বহিরাগত’ আখ্যা দিয়ে তারা স্লোগান দেন— ‘টাঙ্গাইলের মাটি, আজাদ ভাইয়ের ঘাঁটি’, ‘আজাদ ভাই এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে’।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদকে দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ায় তার সমর্থকরা মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) এ বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন।
স্থানীয়রা জানান, এ দিন দুপুরে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন আজাদের সমর্থকরা। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে যানজট তৈরি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এর আগে উপজেলা সদরের ঘাটাইলে তারা সমাবেশ করেন।
এ আসনে বিএনপি দলের প্রার্থী হিসেবে এস এম ওবায়দুল হক নাসিরের নাম ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশ বলছে, ওবায়দুল হক নাসির ঘাটাইলের স্থায়ী বাসিন্দা নন। স্থানীয় যোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে তাকে মনোননয়ন দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের এ আসনে চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও দুই মেয়াদের প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাঈনুল ইসলামও এ আসনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী। ২০১৮ সালের নির্বাচনে এই দুজনকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেয় বিএনপি, পরে লুৎফর রহমান খান আজাদকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়।
আজাদ ও মাঈনুল দুজনই ঘাটাইলের স্থানীয় বাসিন্দা। তবে এবারে এ আসন থেকে প্রার্থী তালিকায় থাকা নাসিরের বাড়ি পাশের সাখিপুর-বাসাইল আসনে। ওই আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আহমেদ আজম খান।
স্থানীয়দের দাবি, আহমেদ আজম খান গুরুত্বপূর্ণ নেতা হওয়ায় ওবায়দুল হক নাসির ২০২১ সালের দিকে ঘাটাইল উপজেলায় চলে আসেন এবং সেখানে ঘরবাড়ি করে বসবাস শুরু করেন। সাম্প্রতিক সময়ে পৌর এলাকায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতার কাছ থেকে বাজারমূল্যের অনেক কম দামে মৌজামূল্যে একটি দামি জমি কিনে তিনি আলোচিত হন।
নাসিরের বিরুদ্ধে স্থানীয় বিএনপির একাংশের বড় অভিযোগ, ‘বহিরাগত’ হয়েও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি আওয়ামী লীগের কিছু প্রভাবশালী লোককে আশ্রয়-প্রশয় দিয়েছেন। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নাসির।

বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান আজাদের সমর্থনে বিক্ষোভ করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বিএনপির একাংশ। এ আসনে বিএনপি ঘোষিত প্রার্থী এস এম ওবায়দুল হক নাসিরকে ‘বহিরাগত’ আখ্যা দিয়ে তারা স্লোগান দেন— ‘টাঙ্গাইলের মাটি, আজাদ ভাইয়ের ঘাঁটি’, ‘আজাদ ভাই এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে’।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদকে দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ায় তার সমর্থকরা মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) এ বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন।
স্থানীয়রা জানান, এ দিন দুপুরে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন আজাদের সমর্থকরা। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে যানজট তৈরি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এর আগে উপজেলা সদরের ঘাটাইলে তারা সমাবেশ করেন।
এ আসনে বিএনপি দলের প্রার্থী হিসেবে এস এম ওবায়দুল হক নাসিরের নাম ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশ বলছে, ওবায়দুল হক নাসির ঘাটাইলের স্থায়ী বাসিন্দা নন। স্থানীয় যোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে তাকে মনোননয়ন দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের এ আসনে চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও দুই মেয়াদের প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাঈনুল ইসলামও এ আসনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী। ২০১৮ সালের নির্বাচনে এই দুজনকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেয় বিএনপি, পরে লুৎফর রহমান খান আজাদকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়।
আজাদ ও মাঈনুল দুজনই ঘাটাইলের স্থানীয় বাসিন্দা। তবে এবারে এ আসন থেকে প্রার্থী তালিকায় থাকা নাসিরের বাড়ি পাশের সাখিপুর-বাসাইল আসনে। ওই আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আহমেদ আজম খান।
স্থানীয়দের দাবি, আহমেদ আজম খান গুরুত্বপূর্ণ নেতা হওয়ায় ওবায়দুল হক নাসির ২০২১ সালের দিকে ঘাটাইল উপজেলায় চলে আসেন এবং সেখানে ঘরবাড়ি করে বসবাস শুরু করেন। সাম্প্রতিক সময়ে পৌর এলাকায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতার কাছ থেকে বাজারমূল্যের অনেক কম দামে মৌজামূল্যে একটি দামি জমি কিনে তিনি আলোচিত হন।
নাসিরের বিরুদ্ধে স্থানীয় বিএনপির একাংশের বড় অভিযোগ, ‘বহিরাগত’ হয়েও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি আওয়ামী লীগের কিছু প্রভাবশালী লোককে আশ্রয়-প্রশয় দিয়েছেন। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নাসির।

ফলাফলে দেখা যায়, ১১০টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলে এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। সে হিসাবে মিলন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১০ হাজার ৮৫৯ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের সবগুলোতেই বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা। পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। বাকি একটি আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বিএনপিরই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।
৩ ঘণ্টা আগে