
বিজয় কর রতন, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। এর পাশাপাশি মিলেছে শত ভরির বেশি স্বর্ণালঙ্কার, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা এবং মানতকারীদের হাজারো চিঠি।
শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাকা গণনা শেষে এ হিসাব নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসন। ছয় মাস পর এ দিন সকালে মসজিদের ১০টি দানবাক্স ও তিনটি ট্রাঙ্ক খুলে গণনা শুরু হয়।
সকাল ৭টায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। সিন্দুক থেকে বের করা টাকা বড় বড় বস্তায় ভরা হয়। এবার মোট ৪৩টি বড় বস্তা ভর্তি টাকা পাওয়া যায়, যা বস্তার সংখ্যার দিক থেকেও সর্বোচ্চ।
পরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। এ কাজে এবার ৬৭১ জনের একটি দল অংশ নেয় এবং পুরো কার্যক্রম তদারকি করেন ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৩ ঘণ্টা গণনার পর রাত সাড়ে ৮টায় চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করা হয়।
এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন পাওয়া গিয়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। সেই সঙ্গে মিলেছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এবং সোনা, রূপা ও হীরার অলঙ্কার।
এবারও টাকার পাশাপাশি মসজিদটির দানবাক্সে পাওয়া গেছে শত ভরিরও বেশি সোনা, রূপা ও হীরার অলঙ্কার। এ ছাড়া দিনার, ইউরো, মার্কিন ডলারসহ বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণও আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। পাওয়া গেছে মানতকারীদের ইচ্ছা ও প্রার্থনা লেখা হাজারো চিঠিও।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন সাংবাদিকদের জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের পরিচালন ব্যয় মিটিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ পর্যন্ত সরাসরি দানের ১১৪ কোটি টাকা এবং অনলাইনে দানের ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা ব্যাংকে জমা ছিল। এবার নতুন করে প্রায় ১৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা যুক্ত হওয়ায় ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১৩০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
তিনি আরও জানান, দান হিসেবে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হয়। ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের মুনাফা থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও সহায়তা করা হয়।
দানবাক্স খোলার সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ, রূপালী ব্যাংকের এজিএম মোহাম্মদ আলী হারেছী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। এর পাশাপাশি মিলেছে শত ভরির বেশি স্বর্ণালঙ্কার, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা এবং মানতকারীদের হাজারো চিঠি।
শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাকা গণনা শেষে এ হিসাব নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসন। ছয় মাস পর এ দিন সকালে মসজিদের ১০টি দানবাক্স ও তিনটি ট্রাঙ্ক খুলে গণনা শুরু হয়।
সকাল ৭টায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। সিন্দুক থেকে বের করা টাকা বড় বড় বস্তায় ভরা হয়। এবার মোট ৪৩টি বড় বস্তা ভর্তি টাকা পাওয়া যায়, যা বস্তার সংখ্যার দিক থেকেও সর্বোচ্চ।
পরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। এ কাজে এবার ৬৭১ জনের একটি দল অংশ নেয় এবং পুরো কার্যক্রম তদারকি করেন ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৩ ঘণ্টা গণনার পর রাত সাড়ে ৮টায় চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করা হয়।
এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন পাওয়া গিয়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। সেই সঙ্গে মিলেছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এবং সোনা, রূপা ও হীরার অলঙ্কার।
এবারও টাকার পাশাপাশি মসজিদটির দানবাক্সে পাওয়া গেছে শত ভরিরও বেশি সোনা, রূপা ও হীরার অলঙ্কার। এ ছাড়া দিনার, ইউরো, মার্কিন ডলারসহ বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণও আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। পাওয়া গেছে মানতকারীদের ইচ্ছা ও প্রার্থনা লেখা হাজারো চিঠিও।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন সাংবাদিকদের জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের পরিচালন ব্যয় মিটিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ পর্যন্ত সরাসরি দানের ১১৪ কোটি টাকা এবং অনলাইনে দানের ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা ব্যাংকে জমা ছিল। এবার নতুন করে প্রায় ১৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা যুক্ত হওয়ায় ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১৩০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
তিনি আরও জানান, দান হিসেবে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হয়। ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের মুনাফা থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও সহায়তা করা হয়।
দানবাক্স খোলার সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ, রূপালী ব্যাংকের এজিএম মোহাম্মদ আলী হারেছী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্
৪ ঘণ্টা আগে
ঘটনার পর খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ তিনভাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
৪ ঘণ্টা আগে