
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরিফ মির (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও একজন। গুলিবিদ্ধ ইমরান নিহত আরিফের চাচাতো ভাই বলে বলে জানা গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল ৬টার দিকে ইউনিয়নের চরডুমুরিয়া গ্রামে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতিক মল্লিক ও মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ওহিদ মোল্লার অনুসারী শাহ কামাল গ্রুপের সঙ্গে একই এলাকার ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সহ-সভাপতি আওলাদ হোসেনের অনুসারী নিহত আরিফ গ্রুপের দীর্ঘ দিনের বিরোধ চলছিল।
সোমবার সকালে নিহত আরিফ ও ইমরান ঘুম থেকে উঠে তাদের বাড়ির সামনে গেলে শাহ কামালের নেতৃত্বে একদল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। এতে আরিফ ও ইমরান গুলিবিদ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ ইমরানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহতের স্ত্রী পারুল বেগম বলেন, রাত ৩টা থেকে গোলাগুলি শুরু হয় সকালে ৬টার দিকে আমার স্বামী ঘর থেকে বের হয় শাহ কামাল দলবল নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। সেখানে আমার স্বামীর শরীর গুলি লাগলে সেখানেই তিনি মারা যান। আমার স্বামীকে যারা এভাবে গুলি করে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুহুল আমিন জানান, দুই জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। এর মধ্যে আরিফকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি সাইফুল আলম জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরিফ মির (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও একজন। গুলিবিদ্ধ ইমরান নিহত আরিফের চাচাতো ভাই বলে বলে জানা গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল ৬টার দিকে ইউনিয়নের চরডুমুরিয়া গ্রামে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতিক মল্লিক ও মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ওহিদ মোল্লার অনুসারী শাহ কামাল গ্রুপের সঙ্গে একই এলাকার ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সহ-সভাপতি আওলাদ হোসেনের অনুসারী নিহত আরিফ গ্রুপের দীর্ঘ দিনের বিরোধ চলছিল।
সোমবার সকালে নিহত আরিফ ও ইমরান ঘুম থেকে উঠে তাদের বাড়ির সামনে গেলে শাহ কামালের নেতৃত্বে একদল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। এতে আরিফ ও ইমরান গুলিবিদ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ ইমরানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহতের স্ত্রী পারুল বেগম বলেন, রাত ৩টা থেকে গোলাগুলি শুরু হয় সকালে ৬টার দিকে আমার স্বামী ঘর থেকে বের হয় শাহ কামাল দলবল নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। সেখানে আমার স্বামীর শরীর গুলি লাগলে সেখানেই তিনি মারা যান। আমার স্বামীকে যারা এভাবে গুলি করে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুহুল আমিন জানান, দুই জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। এর মধ্যে আরিফকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি সাইফুল আলম জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সিলেটে পুলিশের ধাওয়া করা ছিনতাইকারী-মাদকসেবীকে আটক করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে র্যাবের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। তারা নাম ইমন আচার্য। তিনি র্যাব-৯ এ কর্মরত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার দুপুর ২টার পর ঝিনাইদহ পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হামলা ও মারধর শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। একটি উলটে যাওয়া ট্রাক্টর উদ্ধারে সহযোগিতা করতে গেলে ‘পুলিশের তাড়া খেয়েই দুর্ঘটনা ঘটেছে’— এমন গুজব ছড়িয়ে তাদের ওপর এই বর্বর হামলা চ
৮ ঘণ্টা আগে
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করলে পুলিশকেই ঘিরে ধরে জনতা। তাদের দাবি, অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
১ দিন আগে