
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৬৭ নেতা একযোগে দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার (২ আগস্ট) উপজেলা সদর, পৌরসভা ও কয়েকটি ইউনিয়নে পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের সাংগঠনিক সম্পর্ক এখানেই শেষ। আইন ও রাষ্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তারা স্বেচ্ছায় এবং নিজ সিদ্ধান্তে দল ছাড়ছেন। ভবিষ্যতেও দলটির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা রাখবেন না বলেও জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকায় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ কেউ জানান, অনেক দিন ধরেই তারা দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। আবার কেউ অসুস্থতা, ব্যবসা বা পারিবারিক ব্যস্ততাকেও পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
উপজেলা সদরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন পৌর আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর বিল্লাল মোল্লা। তাঁর সঙ্গে পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য পলাশ মোল্লা এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারাও দল ছাড়ার ঘোষণা দেন।
আলাদা আরেকটি সংবাদ সম্মেলনে একই সিদ্ধান্ত জানান উপজেলা কৃষক লীগের সদস্যসচিব মো. জাকির সরদার, পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আনিচুর রহমান বিশ্বাস ও কাশেম শেখসহ পৌর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
এ ছাড়া উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হরিদাস বিশ্বাস, সহসভাপতি প্রণয় কর্মকার, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মোহন বাঁশি পান্ডে, সদস্য নৃপেন পান্ডে, বুদ্ধি কান্তি পান্ডে, মৃতুঞ্জয় পান্ডেসহ একাধিক নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একইভাবে মহারাজপুর, গোবিন্দপুর ও ভাবড়াশুর ইউনিয়নের কয়েকজন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতাও পৃথক সংবাদ সম্মেলনে দল ছাড়ার কথা জানান।
পদত্যাগকারীরা দাবি করেন, আইন মেনে এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন থেকে আওয়ামী লীগের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৬৭ নেতা একযোগে দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার (২ আগস্ট) উপজেলা সদর, পৌরসভা ও কয়েকটি ইউনিয়নে পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের সাংগঠনিক সম্পর্ক এখানেই শেষ। আইন ও রাষ্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তারা স্বেচ্ছায় এবং নিজ সিদ্ধান্তে দল ছাড়ছেন। ভবিষ্যতেও দলটির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা রাখবেন না বলেও জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকায় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ কেউ জানান, অনেক দিন ধরেই তারা দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। আবার কেউ অসুস্থতা, ব্যবসা বা পারিবারিক ব্যস্ততাকেও পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
উপজেলা সদরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন পৌর আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর বিল্লাল মোল্লা। তাঁর সঙ্গে পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য পলাশ মোল্লা এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারাও দল ছাড়ার ঘোষণা দেন।
আলাদা আরেকটি সংবাদ সম্মেলনে একই সিদ্ধান্ত জানান উপজেলা কৃষক লীগের সদস্যসচিব মো. জাকির সরদার, পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আনিচুর রহমান বিশ্বাস ও কাশেম শেখসহ পৌর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
এ ছাড়া উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হরিদাস বিশ্বাস, সহসভাপতি প্রণয় কর্মকার, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মোহন বাঁশি পান্ডে, সদস্য নৃপেন পান্ডে, বুদ্ধি কান্তি পান্ডে, মৃতুঞ্জয় পান্ডেসহ একাধিক নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একইভাবে মহারাজপুর, গোবিন্দপুর ও ভাবড়াশুর ইউনিয়নের কয়েকজন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতাও পৃথক সংবাদ সম্মেলনে দল ছাড়ার কথা জানান।
পদত্যাগকারীরা দাবি করেন, আইন মেনে এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন থেকে আওয়ামী লীগের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

এক নারী নিহত হয়েছেন বিস্ফোরণে উড়ে যাওয়া একটি সিলিন্ডারের আঘাতে। সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যান থেকে উদ্ধার করা হয় পাঁচজনের মরদেহ। আর দগ্ধ ও আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে চিকিৎসাধীন অবস্থায়।
১ দিন আগে
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা একে নাশকতার ঘটনা বলে সন্দেহ করছি। কোচের ভেতরে খুব দ্রুত আগুন ছড়িয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে পেট্রোল বা গানপাউডার ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।
১ দিন আগে
শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাটে একটি মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকার খবর পায় পুলিশ। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করার পর থানা পুলিশ ওই কক্ষে প্রবেশ করবে।
২ দিন আগে
দরজার বাইরে ঝোলানো কাঠের নামফলকটি এখনো আগের মতোই আছে। মা-বাবার সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল এক বালকের ছবি, পাশে লেখা— ‘অপ্রতিমদের বাসা। প্রযত্নে- নাহিদ ও শাহরিয়ার।’ বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই, এই বাসার ভেতর এখন কতটা শোক জমে আছে।
২ দিন আগে