
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে মাদক মামলার এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত রুবেল মিয়া (২২) নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং রাজা হাওলাদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে বাবা নিজেই নিকলী থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে বাবার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে নিকলী থানা পুলিশ। পরে তাকে থানায় এনে হাজতে রাখা হয়।
গ্রেপ্তারের প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাজতের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা রুবেলকে হাজতের কার্নিশের সঙ্গে নিজের পরিহিত শার্ট পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে থানা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামত গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে হাজতের দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রুবেল মিয়া নিজের পরিহিত শার্ট ব্যবহার করে থানা হাজতেই আত্মহত্যা করেছেন। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তার বাবার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে এটি প্রাথমিক ধারণা মাত্র। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে মাদক মামলার এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত রুবেল মিয়া (২২) নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং রাজা হাওলাদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে বাবা নিজেই নিকলী থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে বাবার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে নিকলী থানা পুলিশ। পরে তাকে থানায় এনে হাজতে রাখা হয়।
গ্রেপ্তারের প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাজতের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা রুবেলকে হাজতের কার্নিশের সঙ্গে নিজের পরিহিত শার্ট পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে থানা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামত গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে হাজতের দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রুবেল মিয়া নিজের পরিহিত শার্ট ব্যবহার করে থানা হাজতেই আত্মহত্যা করেছেন। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তার বাবার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে এটি প্রাথমিক ধারণা মাত্র। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘বিকেলে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস এবং ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, ‘ফজল আমিন আমাদের সংগঠনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক। ওমর আলী মাতবর রোডে স্থানীয় সমাজের মধ্যে রাস্তায় রিকশাভ্যান বসানো নিয়ে বিরোধ হয় বলে শুনেছি।’
৪ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় জামায়াত কর্মী মানিকের নেতৃত্বে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ জন এবং বিএনপিপন্থি সোহেল ও বিহারি সংগঠনের নেতা সাদাকাত খান ফাক্কুর নেতৃত্বাধীন ২০০ থেকে ২৫০ জনের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া হয়। এ সময় পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এনসিপির সভাস্থলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কওমি ছাত্রদেড় সংগঠনটি পূর্বনির্ধারিত ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার কথা জানিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে