
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

সিদ্ধিরগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় করা আরো একটি হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ইন্টিরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডল হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার নম্বর ৪১ মামলায় আইভীকে এই শোন এ্যারেষ্ট দেখানো হয়। ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই কৃষক ওয়াজেদ আলী বাদি হয়ে ইন্টিরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংগঠিত সহিংসতার ঘটনায় আগুনে পুড়ে নিহত হয় ইন্টিরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডল। মামলাটি তদন্ত করছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাছুম বিল্লাহ। তিনি এই মামলায় তদন্তে সাবেক মেয়র আইভীর সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে আইভীকে শোন এ্যারেস্ট দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। বিষয়টি আদালত গ্রহণ করে আইভীকে গ্রেপ্তার দেখায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, বর্তমানে আইভী কারাগারে থাকায় আদালতের নির্দেশে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই চিটাগাং রোড এলাকাং ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের নীচতলায় অগ্নিসংযোগ ঘটে। এতে ব্যাংকের ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনের কাজে নিয়োজিত সেলিম মন্ডল সহ তিন শ্রমিক আগুনে পুড়ে মারা যায়।
এর আগে আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী ফতুল্লা থানায় করা বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলায় এবং সদর মডেল থানায় দায়ের করা হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলায় জামিন পান।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৯ মে ভোর রাতে শহরের দেওভোগ এলাকায় অবস্থিত চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই সাথে গত বছরের নভেম্বর মাসে হাইকোর্ট ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পাঁচ মামলায় জামিন দিয়েছিলেন। এরপর আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়। পরে ১৮ নভেম্বর তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা ও সদর থানায় দায়ের করা আরও পাঁচ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিলো।

সিদ্ধিরগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় করা আরো একটি হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ইন্টিরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডল হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার নম্বর ৪১ মামলায় আইভীকে এই শোন এ্যারেষ্ট দেখানো হয়। ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই কৃষক ওয়াজেদ আলী বাদি হয়ে ইন্টিরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংগঠিত সহিংসতার ঘটনায় আগুনে পুড়ে নিহত হয় ইন্টিরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডল। মামলাটি তদন্ত করছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাছুম বিল্লাহ। তিনি এই মামলায় তদন্তে সাবেক মেয়র আইভীর সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে আইভীকে শোন এ্যারেস্ট দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। বিষয়টি আদালত গ্রহণ করে আইভীকে গ্রেপ্তার দেখায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, বর্তমানে আইভী কারাগারে থাকায় আদালতের নির্দেশে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই চিটাগাং রোড এলাকাং ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের নীচতলায় অগ্নিসংযোগ ঘটে। এতে ব্যাংকের ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনের কাজে নিয়োজিত সেলিম মন্ডল সহ তিন শ্রমিক আগুনে পুড়ে মারা যায়।
এর আগে আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী ফতুল্লা থানায় করা বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলায় এবং সদর মডেল থানায় দায়ের করা হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলায় জামিন পান।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৯ মে ভোর রাতে শহরের দেওভোগ এলাকায় অবস্থিত চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই সাথে গত বছরের নভেম্বর মাসে হাইকোর্ট ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পাঁচ মামলায় জামিন দিয়েছিলেন। এরপর আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়। পরে ১৮ নভেম্বর তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা ও সদর থানায় দায়ের করা আরও পাঁচ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিলো।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি মসজিদের ইমাম মো. আমির হোসেনের (৪৩) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বাংলাবাজার ঘোড়ামারা এলাকার রাজা মিয়া সওদাগর জামে মসজিদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৬ ঘণ্টা আগে