
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শামীমা সুলতানার কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরিয়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ।
আজ শুক্রবার সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এ এ মামুন ও সদস্যসচিব অধ্যাপক বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে ওই অধ্যাপকের শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৪৭ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা থাকলেও অনেকেই বিবৃতির বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শামীমা সুলতানা কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে শিক্ষার্থীদের হত্যা, হামলা, নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দায়ী করে নিজ কার্যালয় থেকে তাঁর (প্রধানমন্ত্রী) ছবি সরিয়ে ফেলেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে ফেলার মাধ্যমে অধ্যাপক শামীমা সুলতানা দেশের আইন ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করেছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০০২ সালের ২৭ মার্চের সরকারি কার্যালয়, আদালত ও প্রতিষ্ঠানে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি টানানোর পরিপত্রটি লঙ্ঘন করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি শুধু প্রতিকৃতি নামিয়ে ফেলেননি; অধিকন্তু প্রতিকৃতি নামিয়ে কার্যালয়ে বসে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বক্তব্যে তিনি সরকারপ্রধানকে ‘খুনি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা অত্যন্ত গর্হিত ও নিন্দনীয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা জানাতে চাই, তিনি বাংলা বিভাগের সভাপতির কক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্থাপিত প্রতিকৃতি টানানোর স্থান থেকে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে ফেলেছেন। সভাপতির কক্ষটি তাঁর ব্যক্তিগত কক্ষ নয় এবং তিনি এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরানোর মতো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। আমরা তাঁর এই হীন ও গর্হিত কাজে জড়িত থাকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই।’
অধ্যাপক শামীমা সুলতানার কার্যালয়ের একটি ছবি গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে শামীমা সুলতানাকে চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। তাঁর পেছনে দেয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দেখা গেলেও পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছিল না। এ বিষয়ে গতকাল তিনি বলেছিলেন, ‘তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) জন্য এই মুহূর্তে ঘরে পর্যন্ত কেউ নিরাপদ নন। তাঁর হাতে অসংখ্য শিক্ষার্থীর রক্ত লেগে আছে। যাঁর জন্য বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান হুমকির মুখে পড়ে যায়, তাঁর ছবি আমার কার্যালয়ে কীভাবে রাখি? আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর কার্যকলাপের কারণে মানুষের হৃদয়ে আর নেই। তাই বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখেছি। কিন্তু তাঁর ছবি সরিয়ে ফেলেছি।’
বিবৃতিতে যাঁদের নাম আছে, তাঁদের অনেকেই বিবৃতির বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, ‘বিবৃতির বিষয়টি সবাইকে জানানো হয়নি। এটা নিয়মবহির্ভূত। তবে সংগঠনে এটা প্রচলিত আছে। কমিটিতে যাঁরা আছেন, সবার নাম দিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক নীলাঞ্জন কুমার সাহা বলেন, ‘আমি বিবৃতির বিষয়ে কিছু জানি না। হয়তো সংগঠনের সব সদস্যের নাম দেওয়া হয়। তাই আমার নামটিও দেওয়া আছে।’
জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সদস্যসচিব অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, ‘বিবৃতিতে যা আছে, ওটাই আমাদের বক্তব্য। সংগঠনে যাঁরা সদস্য রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গতকাল যাঁরা মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। মিটিংয়ে উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিতে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন না, তাঁদের নামও দেওয়া হয়েছে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শামীমা সুলতানার কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরিয়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ।
আজ শুক্রবার সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এ এ মামুন ও সদস্যসচিব অধ্যাপক বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে ওই অধ্যাপকের শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৪৭ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা থাকলেও অনেকেই বিবৃতির বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শামীমা সুলতানা কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে শিক্ষার্থীদের হত্যা, হামলা, নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দায়ী করে নিজ কার্যালয় থেকে তাঁর (প্রধানমন্ত্রী) ছবি সরিয়ে ফেলেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে ফেলার মাধ্যমে অধ্যাপক শামীমা সুলতানা দেশের আইন ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করেছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০০২ সালের ২৭ মার্চের সরকারি কার্যালয়, আদালত ও প্রতিষ্ঠানে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি টানানোর পরিপত্রটি লঙ্ঘন করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি শুধু প্রতিকৃতি নামিয়ে ফেলেননি; অধিকন্তু প্রতিকৃতি নামিয়ে কার্যালয়ে বসে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বক্তব্যে তিনি সরকারপ্রধানকে ‘খুনি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা অত্যন্ত গর্হিত ও নিন্দনীয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা জানাতে চাই, তিনি বাংলা বিভাগের সভাপতির কক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্থাপিত প্রতিকৃতি টানানোর স্থান থেকে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে ফেলেছেন। সভাপতির কক্ষটি তাঁর ব্যক্তিগত কক্ষ নয় এবং তিনি এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরানোর মতো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। আমরা তাঁর এই হীন ও গর্হিত কাজে জড়িত থাকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই।’
অধ্যাপক শামীমা সুলতানার কার্যালয়ের একটি ছবি গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে শামীমা সুলতানাকে চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। তাঁর পেছনে দেয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দেখা গেলেও পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছিল না। এ বিষয়ে গতকাল তিনি বলেছিলেন, ‘তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) জন্য এই মুহূর্তে ঘরে পর্যন্ত কেউ নিরাপদ নন। তাঁর হাতে অসংখ্য শিক্ষার্থীর রক্ত লেগে আছে। যাঁর জন্য বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান হুমকির মুখে পড়ে যায়, তাঁর ছবি আমার কার্যালয়ে কীভাবে রাখি? আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর কার্যকলাপের কারণে মানুষের হৃদয়ে আর নেই। তাই বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখেছি। কিন্তু তাঁর ছবি সরিয়ে ফেলেছি।’
বিবৃতিতে যাঁদের নাম আছে, তাঁদের অনেকেই বিবৃতির বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, ‘বিবৃতির বিষয়টি সবাইকে জানানো হয়নি। এটা নিয়মবহির্ভূত। তবে সংগঠনে এটা প্রচলিত আছে। কমিটিতে যাঁরা আছেন, সবার নাম দিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক নীলাঞ্জন কুমার সাহা বলেন, ‘আমি বিবৃতির বিষয়ে কিছু জানি না। হয়তো সংগঠনের সব সদস্যের নাম দেওয়া হয়। তাই আমার নামটিও দেওয়া আছে।’
জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সদস্যসচিব অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, ‘বিবৃতিতে যা আছে, ওটাই আমাদের বক্তব্য। সংগঠনে যাঁরা সদস্য রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গতকাল যাঁরা মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। মিটিংয়ে উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিতে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন না, তাঁদের নামও দেওয়া হয়েছে।’

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত শিশুদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
বন্ধুদের এমন অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। অতিথিদের মাঝে হাস্যরস আর আলোচনা— দুটিই ছিল চোখে পড়ার মতো।
১৯ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম (বাদশা) ধানের শীষ, জামায়াতের আবিদুর রহমান (সোহেল) দাঁড়িপাল্লা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিম্নমানের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
১ দিন আগে