
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টার থেকে ফের দুই পোড়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, মরদেহ দুটি নারী ও ছেলে শিশুর হতে পারে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোড মহল্লার পরিত্যক্ত ‘সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টার’-এর ভেতরে মরদেহ দুটির সন্ধান পায় পুলিশ।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি দায়িত্বরত পুলিশের কর্মকর্তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাভার কলেজের এক শিক্ষার্থী প্রসাব করার জন্য কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ওই শিক্ষার্থী কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে পোড়া মরদেহ দেখতে পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে সাভার মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, অপারেশন) হেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে মরদেহ দুটি পোড়া হওয়ায় তাদের পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
এর আগে, গত বছরের ২৯ আগস্ট দিবাগত রাতে একই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে ওই নিহত যুবকের এখনো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। এরপর ১১ অক্টোবর রাতে আবারও সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে অজ্ঞাত (৩০) এক নারীর অর্ধনগ্ন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোডে মহল্লার পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার টয়লেটের ভেতর থেকে এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা-পুলিশ। তবে তিন খুনের ঘটনায় নিহতদের পরিচয় পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি।

সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টার থেকে ফের দুই পোড়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, মরদেহ দুটি নারী ও ছেলে শিশুর হতে পারে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোড মহল্লার পরিত্যক্ত ‘সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টার’-এর ভেতরে মরদেহ দুটির সন্ধান পায় পুলিশ।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি দায়িত্বরত পুলিশের কর্মকর্তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাভার কলেজের এক শিক্ষার্থী প্রসাব করার জন্য কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ওই শিক্ষার্থী কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে পোড়া মরদেহ দেখতে পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে সাভার মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, অপারেশন) হেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে মরদেহ দুটি পোড়া হওয়ায় তাদের পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
এর আগে, গত বছরের ২৯ আগস্ট দিবাগত রাতে একই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে ওই নিহত যুবকের এখনো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। এরপর ১১ অক্টোবর রাতে আবারও সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে অজ্ঞাত (৩০) এক নারীর অর্ধনগ্ন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোডে মহল্লার পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার টয়লেটের ভেতর থেকে এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা-পুলিশ। তবে তিন খুনের ঘটনায় নিহতদের পরিচয় পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি।

মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে উড়ালসড়কের সিঁড়ির কাছে এক যুবককে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করেন কয়েকজন। তাঁর বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারধর শুরু হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে