
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষের ঘটনায় সাদ অনুসারী নেতা মুফতি মুয়াজ বিন নূরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২। রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে তার রিমান্ড শুনানির পর অতিরিক্ত বিচারক আলমগীর আল মামুন ওই আদেশ দেন। মহানগর আদালত পরিদর্শক মো. আহসান উল্লাহ এ তথ্য জানান।
আদালত সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানার পুলিশ মুয়াজ নূরকে ঢাকার খিলক্ষেতের বাসা থেকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে পরদিন শুক্রবার তাকে গাজীপুর আদালতে পাঠায় পুলিশ। বিচারক রোববার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে নূরকে আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রোববার রিমান্ডের ওপর শুনানি হয়।
এর আগে সকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে এজলাসে নিয়ে আসা হয়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাদ অনুসারী ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকশ জনকে আসামি করে টঙ্গী পশ্চিম থানায় হত্যা মামলা করেন মাওলানা জুবায়ের অনুসারী এস এম আলম হোসেন।
গত ১৮ ডিসেম্বর তুরাগ তীরে ইজতেমা মাঠের দখল নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান জুবায়ের ও সাদপন্থিরা। এতে নিহত হন ৩ জন। আহত হন শতাধিক। সংঘাতের পর ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, অবস্থান, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করে পুলিশ। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষের ঘটনায় সাদ অনুসারী নেতা মুফতি মুয়াজ বিন নূরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২। রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে তার রিমান্ড শুনানির পর অতিরিক্ত বিচারক আলমগীর আল মামুন ওই আদেশ দেন। মহানগর আদালত পরিদর্শক মো. আহসান উল্লাহ এ তথ্য জানান।
আদালত সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানার পুলিশ মুয়াজ নূরকে ঢাকার খিলক্ষেতের বাসা থেকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে পরদিন শুক্রবার তাকে গাজীপুর আদালতে পাঠায় পুলিশ। বিচারক রোববার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে নূরকে আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রোববার রিমান্ডের ওপর শুনানি হয়।
এর আগে সকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে এজলাসে নিয়ে আসা হয়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাদ অনুসারী ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকশ জনকে আসামি করে টঙ্গী পশ্চিম থানায় হত্যা মামলা করেন মাওলানা জুবায়ের অনুসারী এস এম আলম হোসেন।
গত ১৮ ডিসেম্বর তুরাগ তীরে ইজতেমা মাঠের দখল নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান জুবায়ের ও সাদপন্থিরা। এতে নিহত হন ৩ জন। আহত হন শতাধিক। সংঘাতের পর ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, অবস্থান, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করে পুলিশ। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাঙ্গামাটির কাপ্তাই-রাঙ্গামাটি-আসামবস্তি সড়কের আগরবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
৬ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে নগরের ষোলশহর এলাকায় কয়েক শ চালক সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন। এতে মুরাদপুর থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে তৈরি হয় তীব্র যানজট।
৭ ঘণ্টা আগে
এর আগে বুধবার ত্রিশালের কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকায় মারধরের ওই ঘটনা ঘটান ইউএনও আরাফাত। ছড়িয়ে পড়া ওই ঘটনার ফুটেজে দেখা যায়, কথা চলতে থাকার একপর্যায়ে ইউএনও ইজারাদারের এক কর্মীকে পরপর দুটি থাপ্পড় দেন। র্যাবের এক সদস্য ওই কর্মীকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও ওই সদস্যের হাত থেকে একটি
১৮ ঘণ্টা আগে