
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে বিএনপির গাড়ি বহরে আওয়ামী লীগের হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির নেতাকর্মীদের।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা সদরের ঘোনাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় বিএনপির বহরের ৬টি গাড়ি ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতরা হলেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শওকত আলী দিদার ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা লিটন। এরমধ্যে নিহত শওকত আলী দিদার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আম্পায়ার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। তার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে।
জানা গেছে, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী তার নিজ বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছিলেন। তার আগমন উপলক্ষ্যে জেলা শহরের ঘোনাপাড়া এলাকায় পথসভার আয়োজন করেন স্থানীয় বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ৩টায় জেলা শহরের বেদগ্রাম এলাকায় পথসভা শেষে ৪টার দিকে ঘোনাপাড়া উদ্দেশ্যে রওনা হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসময় ঘোনাপাড়ায় তাদের গাড়িবহর পৌঁছালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।
এসময় ছবি তুলতে গেলে সময় টিভির চিত্রসাংবাদিক এইচ এম মানিককে মারধর ও ক্যামেরা ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে শওকত আলী দিদারকে বেধড়ক পিটিয়ে সড়কের পাশে ফেলে রাখে হামলাকারীরা। তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়াও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে একজন মারা যান।
হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও তার স্ত্রী গোপালগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওশন আরা রত্না, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সবুজসহ আরও ৩০ জন আহত হন।
নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. আনিচুর রহমান ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. আনিচুর রহমান বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ঘোনাপাড়া সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জিলানীর পথসভার কথা ছিল। এ সময় পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে মহাসড়কে পাশে অবস্থান নেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরে বেদগ্রাম থেকে ঘোনাপাড়া যাওয়ার সময় জিলানীর গাড়িবহরে হামলা চালান তারা। এসময় দুপক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শওকত আলী দিদার নিহত হন।
এদিকে গোপালগঞ্জে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গোপালগঞ্জে বিএনপির গাড়ি বহরে আওয়ামী লীগের হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির নেতাকর্মীদের।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা সদরের ঘোনাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় বিএনপির বহরের ৬টি গাড়ি ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতরা হলেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শওকত আলী দিদার ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা লিটন। এরমধ্যে নিহত শওকত আলী দিদার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আম্পায়ার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। তার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে।
জানা গেছে, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী তার নিজ বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছিলেন। তার আগমন উপলক্ষ্যে জেলা শহরের ঘোনাপাড়া এলাকায় পথসভার আয়োজন করেন স্থানীয় বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ৩টায় জেলা শহরের বেদগ্রাম এলাকায় পথসভা শেষে ৪টার দিকে ঘোনাপাড়া উদ্দেশ্যে রওনা হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসময় ঘোনাপাড়ায় তাদের গাড়িবহর পৌঁছালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।
এসময় ছবি তুলতে গেলে সময় টিভির চিত্রসাংবাদিক এইচ এম মানিককে মারধর ও ক্যামেরা ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে শওকত আলী দিদারকে বেধড়ক পিটিয়ে সড়কের পাশে ফেলে রাখে হামলাকারীরা। তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়াও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে একজন মারা যান।
হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও তার স্ত্রী গোপালগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওশন আরা রত্না, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সবুজসহ আরও ৩০ জন আহত হন।
নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. আনিচুর রহমান ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. আনিচুর রহমান বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ঘোনাপাড়া সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জিলানীর পথসভার কথা ছিল। এ সময় পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে মহাসড়কে পাশে অবস্থান নেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরে বেদগ্রাম থেকে ঘোনাপাড়া যাওয়ার সময় জিলানীর গাড়িবহরে হামলা চালান তারা। এসময় দুপক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শওকত আলী দিদার নিহত হন।
এদিকে গোপালগঞ্জে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিকেল ৫টার পর বাংলাবাজার থেকে আশুরার একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বাংলাবাজার বাটা ক্রসিং পার হওয়ার সময় একদল দুর্বৃত্ত আশুরার মিছিলে থাকা এক তরুণকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী পাশের একটি মার্কেটে ঢুকে পড়েন। সেখানেই দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।
২১ ঘণ্টা আগে
পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ‘নিশান গাস্ত’। কারবালার শোক, ত্যাগ, সত্য ও ন্যায়ের আদর্শকে ধারণ করে প্রায় দুই শতাব্দী ধরে নিজস্ব রীতি ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এ শোকানুষ্ঠান পালিত হয়ে আসছে, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মহররম পালনের ধরন থেকে অনেকটাই স্বতন্ত্র।
১ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একটি বাসায় ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে নিহত পরিবারের একমাত্র ছেলে জুনাইদ ইসলাম সিফাত অজ্ঞাত পরিচয়দের আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
১ দিন আগে
নিহত মঞ্জু শেখ সদর উপজেলার আড়িয়া গোহাইলবাড়ি এলাকার দারোগ শেখের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ এবং চরতারাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ রহমত আলীর আপন ভাতিজা।
১ দিন আগে