
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ৯০ জেলে ও নাবিককে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে কোস্টগার্ড।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গা কোস্টগার্ডের জেটিতে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে সকাল সোয়া ৯টায় তাদের বহনকারী জাহাজ চট্টগ্রামে এসে পৌঁছায়।
প্রায় একমাস পর বন্দিদশা থেকে স্বজনদের কাছে ফিরতে পেরে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন নাবিক ও স্বজনরা।
কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. জহিরুল হক জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি ফিশিংবোট এফভি কৌশিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে পড়ে ডুবে যায়। বোটটির ১২ জন জেলেকে উদ্ধার করে ভারতীয় কোস্টগার্ড। পরে তাদের ভারতে নিয়ে যায়। গত ৯ ডিসেম্বর এফভি লাইলা-২ ও এফভি মেঘনা-৫ নামে দুটি জাহাজ ধরে নিয়ে যায় ভারতীয় কোস্টগার্ড। তাদের অভিযোগ ছিল ভারতীয় জলসীমায় মাছ ধরছিল জাহাজ দুটি।
সেখানে ৭৮ জন নাবিক ও জেলে ছিল। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ফেরাতে উদ্যোগ নেয়। দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার মাধ্যমে বন্দি বিনিময়ের সিদ্ধান্ত হয়। বন্দি বিনিময়ের দায়িত্বটি বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে দেওয়া হয়।
সে প্রেক্ষাপটে গত ৫ জানুযারি বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা এলাকায় বাংলাদেশে অবস্থানরত ৯৫ জন ভারতীয় জেলে ও ৬টি বোটসহ ভারতীয় কোস্টগার্ডে হস্তান্তর করা হয়। একইভাবে ভারতে থাকা ৯০ জন জেলে এবং দুটি ফিশিংবোট কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। ইতোমধ্যে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মেঘনা-৫ এর প্রধান প্রকৌশলী শরিফুল আলম বলেন, পরিবারের কাছে ফিরতে ফেরে আনন্দ লাগছে। বন্দি থাকা অবস্থায় কখন ফিরতে পারবো তা নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল। অন্য কোনও সমস্যা হয়নি।

ভারতের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ৯০ জেলে ও নাবিককে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে কোস্টগার্ড।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গা কোস্টগার্ডের জেটিতে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে সকাল সোয়া ৯টায় তাদের বহনকারী জাহাজ চট্টগ্রামে এসে পৌঁছায়।
প্রায় একমাস পর বন্দিদশা থেকে স্বজনদের কাছে ফিরতে পেরে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন নাবিক ও স্বজনরা।
কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. জহিরুল হক জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি ফিশিংবোট এফভি কৌশিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে পড়ে ডুবে যায়। বোটটির ১২ জন জেলেকে উদ্ধার করে ভারতীয় কোস্টগার্ড। পরে তাদের ভারতে নিয়ে যায়। গত ৯ ডিসেম্বর এফভি লাইলা-২ ও এফভি মেঘনা-৫ নামে দুটি জাহাজ ধরে নিয়ে যায় ভারতীয় কোস্টগার্ড। তাদের অভিযোগ ছিল ভারতীয় জলসীমায় মাছ ধরছিল জাহাজ দুটি।
সেখানে ৭৮ জন নাবিক ও জেলে ছিল। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ফেরাতে উদ্যোগ নেয়। দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার মাধ্যমে বন্দি বিনিময়ের সিদ্ধান্ত হয়। বন্দি বিনিময়ের দায়িত্বটি বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে দেওয়া হয়।
সে প্রেক্ষাপটে গত ৫ জানুযারি বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা এলাকায় বাংলাদেশে অবস্থানরত ৯৫ জন ভারতীয় জেলে ও ৬টি বোটসহ ভারতীয় কোস্টগার্ডে হস্তান্তর করা হয়। একইভাবে ভারতে থাকা ৯০ জন জেলে এবং দুটি ফিশিংবোট কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। ইতোমধ্যে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মেঘনা-৫ এর প্রধান প্রকৌশলী শরিফুল আলম বলেন, পরিবারের কাছে ফিরতে ফেরে আনন্দ লাগছে। বন্দি থাকা অবস্থায় কখন ফিরতে পারবো তা নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল। অন্য কোনও সমস্যা হয়নি।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১৯ ঘণ্টা আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
১ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
১ দিন আগে