
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় একটি লবণ কারখানায় আগুন লেগে অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডের কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছেন চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলাউদ্দিন তালুকদার।
তিনি বলেন, বেলা ১১টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
আগুনে দগ্ধরা হলেন— দিদারুল আলম (৩২), উজ্জ্বল দাশ (৫৩), মোহাম্মদ লিটন (২৮), সিরাজুল ইসলাম (৩৪), জাহিদুল আলম (৪২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) ও সেলিম উদ্দিন (৩০)।
তাদের মধ্যে দিদারুল আলমের শরীরের ৯৫ শতাংশ, লিটনের ৪০, জাহিদুলের ৩৫, সেলিমের ২০ শতাংশ, আলমের ৬৫, মাহমুদুল হকের ৬০, নূর নবীর ৪৫, উজ্জ্বলের ৫০, জাহেদুল ইসলামের ও সিরাজুল ইসলামের ১০ শতাংশ করে পুড়েছে।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, সকালে কারখানার ভেতরে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করছিলেন বাইরের কিছু শ্রমিক। এ সময় শর্ট সার্কিট থেকে মেশিনে ও পাশে থাকা কাগজের আগুনে কয়েকজন আহত হয়েছে।
বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের লিডার আজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ১০টা ১০ মিনিটে খবর পেয়ে আমরা কারখানায় গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে কিছু পোড়া কাগজ দেখেছি। আমরা যাওয়ার আগেই সেখানকার লোকজন আগুন নির্বাপণ করে ফেলেছিল।’
আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি ফায়ার সার্ভিস। এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষেরও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় একটি লবণ কারখানায় আগুন লেগে অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডের কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছেন চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলাউদ্দিন তালুকদার।
তিনি বলেন, বেলা ১১টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
আগুনে দগ্ধরা হলেন— দিদারুল আলম (৩২), উজ্জ্বল দাশ (৫৩), মোহাম্মদ লিটন (২৮), সিরাজুল ইসলাম (৩৪), জাহিদুল আলম (৪২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) ও সেলিম উদ্দিন (৩০)।
তাদের মধ্যে দিদারুল আলমের শরীরের ৯৫ শতাংশ, লিটনের ৪০, জাহিদুলের ৩৫, সেলিমের ২০ শতাংশ, আলমের ৬৫, মাহমুদুল হকের ৬০, নূর নবীর ৪৫, উজ্জ্বলের ৫০, জাহেদুল ইসলামের ও সিরাজুল ইসলামের ১০ শতাংশ করে পুড়েছে।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, সকালে কারখানার ভেতরে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করছিলেন বাইরের কিছু শ্রমিক। এ সময় শর্ট সার্কিট থেকে মেশিনে ও পাশে থাকা কাগজের আগুনে কয়েকজন আহত হয়েছে।
বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের লিডার আজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ১০টা ১০ মিনিটে খবর পেয়ে আমরা কারখানায় গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে কিছু পোড়া কাগজ দেখেছি। আমরা যাওয়ার আগেই সেখানকার লোকজন আগুন নির্বাপণ করে ফেলেছিল।’
আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি ফায়ার সার্ভিস। এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষেরও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বড়জোড়া গ্রামের ধ্বংসের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চক্রের ফেলে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল ও খুঁটি অপসারণের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
১ দিন আগে
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি।”
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বেড়া মডেল থানার পাশের কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে চুরির অভিযোগ তুলে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর, গলায় জুতার মালা পরানো ও মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার ১২ বছর বয়সী ছোট বোনকেও একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
১ দিন আগে