
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ বছরের পর বছর ধরে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করার কারনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় গত ৪ দিন ধরে অন্ধকারে প্রতিষ্ঠানটিসহ সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের ১৭ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার কারনে গত রোববার স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ উপজেলা পরিষদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এর ফলে উপজেলা পরিষদ ভবনে থাকা এলজিইডি, পিআইও অফিস, উপজেলা চেয়ারম্যান অফিস, ভুমি অফিস, উপজেলা কোয়ার্টার, সমবায় অফিস, চেয়ারম্যান এর বাসভবন ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসসহ পুরো এলাকা এখন অন্ধকারে।
রোয়াংছড়ি বিদ্যুৎ অফিসের বিল সররাহকারী এথোয়াই ওরফে বিন্দু জানায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা পরিষদের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া আছে ১৭ লক্ষ ৫২ হাজার টাকার বেশি।
একদিকে তীব্র তাপদহ, অন্যদিকে কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) অধ্যুষিত এলাকা হওয়ার কারনে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা দ্রুত এই সংকট সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা সীবলী বড়ুয়া জানান, টানা চারদিন ধরে অন্ধকারে থাকার কারনে সন্ধ্যা নামলেই আমরা আতংকে থাকি, কারন এলাকার পরিস্থিতি ভালো নয়, এটা তো সবাই জানে।
এদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারনে এতে বিপাকে পড়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, সরকারি আবাসিক এলাকায় বসবাসরত সরকারি - বেসরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীর পরিবার। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজকর্মে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, অফিসগুলোতে কমে গেছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি।
রোয়াংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান চহাইমং বলেন, গত ১৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া হয়ে আসছে, গত বছর আমি ১০ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছি, তারপরও গত রোববার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
এই বিষয়ে রোয়াংছড়ি বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী মুজিবর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় উপজেলা পরিষদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন আছে, এতে আমাদের করার কিছুই নেই।

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ বছরের পর বছর ধরে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করার কারনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় গত ৪ দিন ধরে অন্ধকারে প্রতিষ্ঠানটিসহ সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের ১৭ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার কারনে গত রোববার স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ উপজেলা পরিষদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এর ফলে উপজেলা পরিষদ ভবনে থাকা এলজিইডি, পিআইও অফিস, উপজেলা চেয়ারম্যান অফিস, ভুমি অফিস, উপজেলা কোয়ার্টার, সমবায় অফিস, চেয়ারম্যান এর বাসভবন ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসসহ পুরো এলাকা এখন অন্ধকারে।
রোয়াংছড়ি বিদ্যুৎ অফিসের বিল সররাহকারী এথোয়াই ওরফে বিন্দু জানায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা পরিষদের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া আছে ১৭ লক্ষ ৫২ হাজার টাকার বেশি।
একদিকে তীব্র তাপদহ, অন্যদিকে কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) অধ্যুষিত এলাকা হওয়ার কারনে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা দ্রুত এই সংকট সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা সীবলী বড়ুয়া জানান, টানা চারদিন ধরে অন্ধকারে থাকার কারনে সন্ধ্যা নামলেই আমরা আতংকে থাকি, কারন এলাকার পরিস্থিতি ভালো নয়, এটা তো সবাই জানে।
এদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারনে এতে বিপাকে পড়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, সরকারি আবাসিক এলাকায় বসবাসরত সরকারি - বেসরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীর পরিবার। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজকর্মে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, অফিসগুলোতে কমে গেছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি।
রোয়াংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান চহাইমং বলেন, গত ১৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া হয়ে আসছে, গত বছর আমি ১০ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছি, তারপরও গত রোববার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
এই বিষয়ে রোয়াংছড়ি বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী মুজিবর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় উপজেলা পরিষদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন আছে, এতে আমাদের করার কিছুই নেই।

চাকরি পুনর্বহাল, পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন দেশের পাঁচটি ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ সোমবার সকালে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
২ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
২ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে