
ফেনী প্রতিনিধি

ফেনী সদর উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও ফসলি জমির মাটি কাটার প্রতিবাদ করায় সরকারি কলেজ ছাত্রদলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার (১৮ মে) রাত ১১টার দিকে উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বগইড় বল্লাপুকুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
হামলায় গুরুতর আহত ওই নেতার নাম মো. আবতাহি হোসেন তাহি (২০)। তিনি মহিপাল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ফেনী সদর উপজেলার রামপুর এলাকার নাসির উদ্দীনের ছেলে। হামলায় তাকে বাঁচাতে গিয়ে মো. জাবেদ (২৩) নামের পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বিরলী এলাকার আরেক যুবক আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বগইড় এলাকায় ফসলি জমির মাটি ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল স্থানীয় খুরশিদ ও মারুফ নামের দুই যুবক। সোমবার রাতে এ নিয়ে তাহির সঙ্গে তাদের তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে খুরশিদ ও মারুফ ধারালো ছুরি দিয়ে তাহির পিঠে ও শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে তাহির পিঠে গভীর ক্ষত তৈরি হয় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বাধা দিতে গেলে জাবেদকেও ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তাহির পিঠে ছুরিটি বিদ্ধ অবস্থায় ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত জাবেদ প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন।
মহিপাল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি গাজী সালাউদ্দিন আমান এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘পাঁচগাছিয়া এলাকায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন আমাদের কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আফতাহি হোসেন তাহি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
ফেনী জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম দুলাল বলেন, ‘স্থানীয় দুই চিহ্নিত যুবকের মাদক ও মাটি কাটার অপকর্মের প্রতিবাদ করায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমরা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।’
ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম জানান, ‘খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত মূল অভিযুক্ত খুরশিদকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

ফেনী সদর উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও ফসলি জমির মাটি কাটার প্রতিবাদ করায় সরকারি কলেজ ছাত্রদলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার (১৮ মে) রাত ১১টার দিকে উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বগইড় বল্লাপুকুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
হামলায় গুরুতর আহত ওই নেতার নাম মো. আবতাহি হোসেন তাহি (২০)। তিনি মহিপাল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ফেনী সদর উপজেলার রামপুর এলাকার নাসির উদ্দীনের ছেলে। হামলায় তাকে বাঁচাতে গিয়ে মো. জাবেদ (২৩) নামের পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বিরলী এলাকার আরেক যুবক আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বগইড় এলাকায় ফসলি জমির মাটি ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল স্থানীয় খুরশিদ ও মারুফ নামের দুই যুবক। সোমবার রাতে এ নিয়ে তাহির সঙ্গে তাদের তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে খুরশিদ ও মারুফ ধারালো ছুরি দিয়ে তাহির পিঠে ও শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে তাহির পিঠে গভীর ক্ষত তৈরি হয় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বাধা দিতে গেলে জাবেদকেও ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তাহির পিঠে ছুরিটি বিদ্ধ অবস্থায় ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত জাবেদ প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন।
মহিপাল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি গাজী সালাউদ্দিন আমান এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘পাঁচগাছিয়া এলাকায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন আমাদের কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আফতাহি হোসেন তাহি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
ফেনী জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম দুলাল বলেন, ‘স্থানীয় দুই চিহ্নিত যুবকের মাদক ও মাটি কাটার অপকর্মের প্রতিবাদ করায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমরা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।’
ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম জানান, ‘খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত মূল অভিযুক্ত খুরশিদকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১ দিন আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১ দিন আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
২ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে