কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ কর্মীর নেতৃত্বে হামলায় আহত ৭

নোয়াখালী প্রতিনিধি

জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের হাবিবপুর গ্রামে আওয়ামী লীগ কর্মী হাত কাঁটা জামাল উদ্দিন ও সবুজের নের্তৃত্বে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকেল তিনটায় এ ঘটনা ঘটে।

এই সময় তাদের হামলায় আবদুল হালিম (৬০), আরিফুল ইসলাম (২৫), পারুল আক্তার (৫০), আবদুল হাই (৩৫), ফারুক হোসেন (৪০), আলেয়া বেগম (৪৫) ও নাছিমা আক্তারসহ (৪২) ৭ জন আহত হয়।

৯৯৯ ফোন দিলে কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ এসে আহতদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুত্বর।

আহতদের স্বজনরা জানান, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী জামালের নেতৃত্বে পারুল আক্তারের বেশ কিছু জায়গা জবর দখল করে। ঘটনার দিন শনিবার বিকেলে পারুল তার নির্মাণাধীন ওয়াল ও ওয়াশরুমের কাজ করতে গেলে জামালের নেতৃত্বে সবুজ, রিয়াজ ও বাবু বাড়িতে এসে অতর্কিতভাবে ঢালাই ভেঙে দেয় এবং হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তাদেরকে বাধা দিলে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহিলা ও পুরুষদের কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে। পরে ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ কর্মী হাত কাঁটা জামাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী মো. ফৌজুল আজিম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে। জড়িত অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে প্রায় ৬ কোটি টাকার ফসলহানি

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।

১০ ঘণ্টা আগে

নাগেশ্বরীতে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩

রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন

১৪ ঘণ্টা আগে

কিশোরগঞ্জে তলিয়ে গেছে ২ হাজার হেক্টর জমির ধান, কৃষকের আহাজারি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।

১ দিন আগে

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে দুটি বাঁধ, ডুবছে জমির ধান

টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

১ দিন আগে