
প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

প্রায় ১০ বছর আগে কেন্দ্র থেকে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এক বছর মেয়াদের এই কমিটির বেশির ভাগই বিবাহিত। কেউ কেউ চাকরিসহ বিভিন্ন ব্যবসা করছেন। কমিটির নেতারা আবার দুই ভাগে বিভক্ত। সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটে পক্ষ দুটি পাল্টাপাল্টি কমিটি দিচ্ছে। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব জানা গেছে। নাম প্রকাশ না করে ছাত্রলীগ ও মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানান, সামনে জাতীয় নির্বাচন।
সরকারবিরোধী কর্মসূচি নিয়ে আন্দোলন করছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলে বিভক্তি নেই। তারা একসঙ্গে কর্মসূচি পালন করছে। গতকাল ছাত্রশিবির নগরের প্রাণকেন্দ্র নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে।
সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্রসংগঠনগুলো রাজপথে থাকলেও বিভক্তির কারণে আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কোনো সাংগঠনিক কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে না। বিভক্তির মধ্যে তাঁরা অনেকটা নিষ্ক্রিয়। মাঝেমধ্যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে হাতে গোনা কয়েকজনকে দেখা গেলেও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে নেতাদের খুব একটা দেখা যায় না।
মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদ রাসেল বলেন, ‘ছাত্রলীগ এখন সাংগঠনিকভাবে চট্টগ্রাম নগরে খুবই দুর্বল। কেন্দ্রকে বারবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানোর পরও মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করছে না, আবার সম্মেলনও করছে না তারা।
এতে বর্তমানে নগর ছাত্রলীগের সব জায়গায় বিভক্তি দেখা যাচ্ছে। সবাইকে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার কোনো ধরনের উদ্যোগ নেই। দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যেসব ইউনিটে কমিটি দিচ্ছেন, সেখানে আমরাও পাল্টা কমিটি দিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের কারো নিয়মিত ছাত্রত্ব নেই। কেউ কেউ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত দেখিয়ে ছাত্রত্বের কথা বললেও একেকজনের বয়স ৩৫ থেকে ৪০-এর কাছাকাছি।’
নগর ছাত্রলীগের উভয় পক্ষের একাধিক নেতা জানান, বিশৃঙ্খলার কারণে গত ২৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ২৭ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি কেন্দ্র থেকে বিলুপ্ত করা হয়েছে। মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিও দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ।
মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর বলেন, ‘ছাত্রলীগের সর্বশেষ বিশেষ বর্ধিত সভায় আমরা (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক) জানিয়েছিলাম সম্মেলনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম নগরে নতুন কমিটি করার জন্য। কিন্তু এ ব্যাপারে উনারা এখনো কোনো কিছু জানাননি।’
বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জাকারিয়া দস্তগীর বলেন, ‘কমিটির বেশির ভাগেরই ছাত্রত্ব নেই। অনেকেই বিবাহিত এবং ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। আসলে দীর্ঘদিন ধরে যদি একই কমিটি থাকে, এই অবস্থা হয়। কেন্দ্র থেকে যখন যে কর্মসূচি দেয়, আমরা সেসব কর্মসূচি পালন করছি।’

প্রায় ১০ বছর আগে কেন্দ্র থেকে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এক বছর মেয়াদের এই কমিটির বেশির ভাগই বিবাহিত। কেউ কেউ চাকরিসহ বিভিন্ন ব্যবসা করছেন। কমিটির নেতারা আবার দুই ভাগে বিভক্ত। সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটে পক্ষ দুটি পাল্টাপাল্টি কমিটি দিচ্ছে। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব জানা গেছে। নাম প্রকাশ না করে ছাত্রলীগ ও মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানান, সামনে জাতীয় নির্বাচন।
সরকারবিরোধী কর্মসূচি নিয়ে আন্দোলন করছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলে বিভক্তি নেই। তারা একসঙ্গে কর্মসূচি পালন করছে। গতকাল ছাত্রশিবির নগরের প্রাণকেন্দ্র নিউ মার্কেট এলাকায় মিছিল করেছে।
সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্রসংগঠনগুলো রাজপথে থাকলেও বিভক্তির কারণে আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কোনো সাংগঠনিক কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে না। বিভক্তির মধ্যে তাঁরা অনেকটা নিষ্ক্রিয়। মাঝেমধ্যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে হাতে গোনা কয়েকজনকে দেখা গেলেও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে নেতাদের খুব একটা দেখা যায় না।
মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদ রাসেল বলেন, ‘ছাত্রলীগ এখন সাংগঠনিকভাবে চট্টগ্রাম নগরে খুবই দুর্বল। কেন্দ্রকে বারবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানোর পরও মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করছে না, আবার সম্মেলনও করছে না তারা।
এতে বর্তমানে নগর ছাত্রলীগের সব জায়গায় বিভক্তি দেখা যাচ্ছে। সবাইকে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার কোনো ধরনের উদ্যোগ নেই। দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যেসব ইউনিটে কমিটি দিচ্ছেন, সেখানে আমরাও পাল্টা কমিটি দিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের কারো নিয়মিত ছাত্রত্ব নেই। কেউ কেউ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত দেখিয়ে ছাত্রত্বের কথা বললেও একেকজনের বয়স ৩৫ থেকে ৪০-এর কাছাকাছি।’
নগর ছাত্রলীগের উভয় পক্ষের একাধিক নেতা জানান, বিশৃঙ্খলার কারণে গত ২৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ২৭ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি কেন্দ্র থেকে বিলুপ্ত করা হয়েছে। মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিও দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ।
মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর বলেন, ‘ছাত্রলীগের সর্বশেষ বিশেষ বর্ধিত সভায় আমরা (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক) জানিয়েছিলাম সম্মেলনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম নগরে নতুন কমিটি করার জন্য। কিন্তু এ ব্যাপারে উনারা এখনো কোনো কিছু জানাননি।’
বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জাকারিয়া দস্তগীর বলেন, ‘কমিটির বেশির ভাগেরই ছাত্রত্ব নেই। অনেকেই বিবাহিত এবং ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। আসলে দীর্ঘদিন ধরে যদি একই কমিটি থাকে, এই অবস্থা হয়। কেন্দ্র থেকে যখন যে কর্মসূচি দেয়, আমরা সেসব কর্মসূচি পালন করছি।’

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি মসজিদের ইমাম মো. আমির হোসেনের (৪৩) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বাংলাবাজার ঘোড়ামারা এলাকার রাজা মিয়া সওদাগর জামে মসজিদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৪ ঘণ্টা আগে
আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর ধানমন্ডি জোনের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষে এ ঘটনা ঘটে। মিছিল ও সমাবেশের ভিডিওতে স্থানীয় জামায়াত নেতা মুস্তাফিজুর রহমান, মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, আনিসুজ্জামান ও জাহিনুর রহমানকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে