
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রাউজান থানার কবিরাজ সুলাল চৌধুরী ও নগরীর বাকলিয়া থানার গৃহবধূ পারভীন আকতার হত্যা মামলায় এ রায় দেয়া হয়।
কবিরাজ সুলাল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মিঠু চৌধুরী প্রকাশ মিন্টু চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, মো. দেলোয়ার হোসেন ও এরশাদ হোসেন। এ ছাড়া, সুদীপ্ত চৌধুরী প্রকাশ সঞ্জিত চৌধুরীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
বাকলিয়া থানার গৃহবধূ পারভীন হত্যা মামলায় স্বামী মোহাম্মদ জামালকে প্রাণদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, কবিরাজ সুলাল চৌধুরীর (৫৫) সঙ্গে আসামি মিন্টু চৌধুরী ও সুমন চৌধুরীর দীর্ঘদিন ধরে জমির বিরোধ চলে আসছিল। সুলাল চৌধুরী রাউজান আজাদী বাজারে অভয়া ঔষধালয় নামে একটি দোকানে বসে কবিরাজ হিসেবে চিকিৎসা দিতেন। রোগী দেখা শেষে প্রতিদিন রাত ৯টার দিকে একটি নির্ধারিত রিক্শাযোগে তিনি বাড়ি ফিরতেন। ঘটনার দিন, ২০১৬ সালের ২৫ জুনও কবিরাজ সুলাল চৌধুরী বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নোয়াজিষপুর চিকদাইর সড়কের সামনে মিন্টু চৌধুরী ও সুমন চৌধুরীর নেতৃত্বে কয়েকজন তার রিক্শার গতিরোধ করে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তায় নামিয়ে এলোপাতাড়ি দা-ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। সুলাল চৌধুরীর মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামিরা তাকে পাশের ডোবায় ফেলে দেয়। পরে রাত ১০টার দিকে পথচারীরা ঘটনাস্থলে রক্ত ও রক্তাক্ত স্যান্ডেল দেখে খুঁজতে গিয়ে ডোবায় সুলাল চৌধুরীর লাশ দেখতে পান। পরে সুলালের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা এসে লাশ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় সুলাল চৌধুরীর ছেলে সৌরভ চৌধুরী বাদী হয়ে ২৭ জুন রাউজান থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেয়া হলে মামলার চার্জ গঠন হয়। মোট ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
সাক্ষ্যপ্রমাণে সুলাল চৌধুরীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এইচএম শফিকুল ইসলামের আদালত আজ দুপুরে আসামি মিন্টু চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, মো. দেলোয়ার হোসেন ও এরশাদ হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং সুদীপ্ত চৌধুরীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি মো. ইলিয়াস প্রকাশ ইলুকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডের আসামি মো. দেলোয়ার হোসেন ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সুদীপ্ত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু চৌধুরী, সুমন চৌধুরী ও এরশাদ হোসেন পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এদিকে বাকলিয়া থানার গৃহবধূ পারভীন হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয় আজ দুপুরে মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুন্নেসার আদালতে।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা মুরাদনগরের মো. জামাল (৩৫)-এর সঙ্গে বাঁশখালী জালিয়াপাড়ার শামসুল আলমের কন্যা পারভীন আকতার (২৪)-এর বিয়ে হয়। এরপর তারা দক্ষিণ বাকলিয়া দোতলা মসজিদের পাশে বাস্তুহারা কলোনিতে থাকতেন। ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি বিকেলে সাংসারিক বিরোধে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে রাত ৩টার দিকে জামাল তার স্ত্রী পারভীনকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ফোনে জানতে পেরে পরদিন পারভীনের বোন বেবী আকতার এসে বিস্তারিত জেনে বাকলিয়া থানায় ভগ্নিপতি জামালের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছর ১৩ অক্টোবর মামলার চার্জ গঠন হয়। মোট ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জন আদালতে উপস্থিত হয়ে তাদের সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পারভীনের স্বামী জামালের বিরুদ্ধে প্রাণদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রাউজান থানার কবিরাজ সুলাল চৌধুরী ও নগরীর বাকলিয়া থানার গৃহবধূ পারভীন আকতার হত্যা মামলায় এ রায় দেয়া হয়।
কবিরাজ সুলাল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মিঠু চৌধুরী প্রকাশ মিন্টু চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, মো. দেলোয়ার হোসেন ও এরশাদ হোসেন। এ ছাড়া, সুদীপ্ত চৌধুরী প্রকাশ সঞ্জিত চৌধুরীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
বাকলিয়া থানার গৃহবধূ পারভীন হত্যা মামলায় স্বামী মোহাম্মদ জামালকে প্রাণদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, কবিরাজ সুলাল চৌধুরীর (৫৫) সঙ্গে আসামি মিন্টু চৌধুরী ও সুমন চৌধুরীর দীর্ঘদিন ধরে জমির বিরোধ চলে আসছিল। সুলাল চৌধুরী রাউজান আজাদী বাজারে অভয়া ঔষধালয় নামে একটি দোকানে বসে কবিরাজ হিসেবে চিকিৎসা দিতেন। রোগী দেখা শেষে প্রতিদিন রাত ৯টার দিকে একটি নির্ধারিত রিক্শাযোগে তিনি বাড়ি ফিরতেন। ঘটনার দিন, ২০১৬ সালের ২৫ জুনও কবিরাজ সুলাল চৌধুরী বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নোয়াজিষপুর চিকদাইর সড়কের সামনে মিন্টু চৌধুরী ও সুমন চৌধুরীর নেতৃত্বে কয়েকজন তার রিক্শার গতিরোধ করে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তায় নামিয়ে এলোপাতাড়ি দা-ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। সুলাল চৌধুরীর মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামিরা তাকে পাশের ডোবায় ফেলে দেয়। পরে রাত ১০টার দিকে পথচারীরা ঘটনাস্থলে রক্ত ও রক্তাক্ত স্যান্ডেল দেখে খুঁজতে গিয়ে ডোবায় সুলাল চৌধুরীর লাশ দেখতে পান। পরে সুলালের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা এসে লাশ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় সুলাল চৌধুরীর ছেলে সৌরভ চৌধুরী বাদী হয়ে ২৭ জুন রাউজান থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেয়া হলে মামলার চার্জ গঠন হয়। মোট ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
সাক্ষ্যপ্রমাণে সুলাল চৌধুরীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এইচএম শফিকুল ইসলামের আদালত আজ দুপুরে আসামি মিন্টু চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, মো. দেলোয়ার হোসেন ও এরশাদ হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং সুদীপ্ত চৌধুরীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি মো. ইলিয়াস প্রকাশ ইলুকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডের আসামি মো. দেলোয়ার হোসেন ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সুদীপ্ত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু চৌধুরী, সুমন চৌধুরী ও এরশাদ হোসেন পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এদিকে বাকলিয়া থানার গৃহবধূ পারভীন হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয় আজ দুপুরে মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুন্নেসার আদালতে।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা মুরাদনগরের মো. জামাল (৩৫)-এর সঙ্গে বাঁশখালী জালিয়াপাড়ার শামসুল আলমের কন্যা পারভীন আকতার (২৪)-এর বিয়ে হয়। এরপর তারা দক্ষিণ বাকলিয়া দোতলা মসজিদের পাশে বাস্তুহারা কলোনিতে থাকতেন। ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি বিকেলে সাংসারিক বিরোধে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে রাত ৩টার দিকে জামাল তার স্ত্রী পারভীনকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ফোনে জানতে পেরে পরদিন পারভীনের বোন বেবী আকতার এসে বিস্তারিত জেনে বাকলিয়া থানায় ভগ্নিপতি জামালের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছর ১৩ অক্টোবর মামলার চার্জ গঠন হয়। মোট ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জন আদালতে উপস্থিত হয়ে তাদের সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পারভীনের স্বামী জামালের বিরুদ্ধে প্রাণদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র এক দিন বাকি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় ভোটে নড়াইলে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না— এমন ‘অতিথি’ প্রার্থীদের ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন জেলার ভ্যান, ইজিবাইক ও রিকশাচালকসহ বিভিন্ন খাতের শ্রমিকরা। শহরের অন্তত ৭০ জন শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে এ মতামত পাওয়া গেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ নম্বর সংসদীয় আসন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ১১ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন এ আসনের মুসলিম লীগের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মোস্তফা।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেত্রকোনা-২ (সদর–বারহাট্টা) আসনের প্রার্থী ও এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
১ দিন আগে
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে দুর্বৃত্তরা এসব অগ্নিসংযোগ ঘটায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা জেলা পুলিশের মিডিয়া শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম।
১ দিন আগে