
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে টর্নেডোয় ১১টি বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গবার (২০ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে উপজেলার চর আমানউল্যহ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে বুধবার (২১ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে আকস্মিকভাবে টর্নেডো শুরু হয়। এক-দুই মিনিট স্থায়ী টর্নেডোর আঘাতে চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাবুনিয়া গ্রামের আবুল কালাম, মো. রাশেদ, নুরুল হক, মো. আজাদ ও আবুল কামের বসতঘরসহ ১১টি ঘর বিধ্বস্ত হয়। এ টর্নেডোতে বসতবাড়ি ছাড়াও বহু গাছপালা উপড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বসতঘর হারিয়ে বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার বলেন, আকস্মিক টর্নেডোতে চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের কয়েকটি বাড়ির কমপক্ষে ১১টি বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। বাকিগুলো আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার গুলোকে ঘর নির্মাণে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে টর্নেডোয় ১১টি বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গবার (২০ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে উপজেলার চর আমানউল্যহ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে বুধবার (২১ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে আকস্মিকভাবে টর্নেডো শুরু হয়। এক-দুই মিনিট স্থায়ী টর্নেডোর আঘাতে চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাবুনিয়া গ্রামের আবুল কালাম, মো. রাশেদ, নুরুল হক, মো. আজাদ ও আবুল কামের বসতঘরসহ ১১টি ঘর বিধ্বস্ত হয়। এ টর্নেডোতে বসতবাড়ি ছাড়াও বহু গাছপালা উপড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বসতঘর হারিয়ে বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার বলেন, আকস্মিক টর্নেডোতে চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের কয়েকটি বাড়ির কমপক্ষে ১১টি বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। বাকিগুলো আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার গুলোকে ঘর নির্মাণে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১৭ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে