
উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর আজ শুক্রবার কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। তার সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল ছিল।
এ সময় মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে রোহিঙ্গারা দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা জানান। তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বেলা পৌনে ২টা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ক্যাম্পে পরিচালিত মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অন্যতম বড় দাতা যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিনিধিদল মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে ক্যাম্প পরিদর্শনে আসে। এ সময় তারা ক্যাম্পের বিভিন্ন সেবাকেন্দ্র ঘুরে দেখার পাশাপাশি একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে উঠে ক্যাম্পের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
মিজানুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গারা মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তারা নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দ্রুত ফিরে যেতে চান বলেও জানিয়েছেন। পরিদর্শন শেষে বিকেলে মার্কিন প্রতিনিধিদল কক্সবাজারে আরআরআরসির কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠক করে।
বৈঠকে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানতে চান, এখনো নতুন করে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসছেন কি না, বাংলাদেশ থেকে কেউ মিয়ানমারে ফিরছেন কি না, রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি কী এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সম্পর্ক কেমন।
জবাবে মিজানুর রহমান জানান, এখনো প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ১০ জন রোহিঙ্গা রাখাইনে চলমান সংঘাত, নির্যাতন বা চিকিৎসার প্রয়োজনে বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাবাসন বন্ধ থাকায় এবং কিছু রোহিঙ্গার অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মধ্যেও অসন্তোষ বেড়েছে।
বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর কয়েক মাসে প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। গত ৯ বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি। বরং গত দেড় বছরে রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উখিয়ার ক্যাম্প-৪, ক্যাম্প-৬ ও ক্যাম্প-৮ (ওয়েস্ট) এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য বিতরণ, তথ্য নিবন্ধন ও এলপিজি বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
ক্যাম্প-৬-এর একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা, ওষুধের প্রাপ্যতা এবং বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ ছাড়া ইউএনএইচসিআরের অর্থায়নে পরিচালিত ডেটা রেজিস্ট্রেশন সেন্টার, নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন কার্যক্রম, আইওএমের অর্থায়নে এলপিজি বিতরণ এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ই-ভাউচারভিত্তিক খাদ্য বিতরণ কার্যক্রমও ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
পরিদর্শনের সময় ক্যাম্প-৪ এলাকায় কয়েক শ রোহিঙ্গা প্ল্যাকার্ড হাতে মার্কিন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এ সময় তারা নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর আজ শুক্রবার কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। তার সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল ছিল।
এ সময় মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে রোহিঙ্গারা দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা জানান। তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বেলা পৌনে ২টা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ক্যাম্পে পরিচালিত মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অন্যতম বড় দাতা যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিনিধিদল মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে ক্যাম্প পরিদর্শনে আসে। এ সময় তারা ক্যাম্পের বিভিন্ন সেবাকেন্দ্র ঘুরে দেখার পাশাপাশি একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে উঠে ক্যাম্পের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
মিজানুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গারা মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তারা নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দ্রুত ফিরে যেতে চান বলেও জানিয়েছেন। পরিদর্শন শেষে বিকেলে মার্কিন প্রতিনিধিদল কক্সবাজারে আরআরআরসির কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠক করে।
বৈঠকে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানতে চান, এখনো নতুন করে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসছেন কি না, বাংলাদেশ থেকে কেউ মিয়ানমারে ফিরছেন কি না, রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি কী এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সম্পর্ক কেমন।
জবাবে মিজানুর রহমান জানান, এখনো প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ১০ জন রোহিঙ্গা রাখাইনে চলমান সংঘাত, নির্যাতন বা চিকিৎসার প্রয়োজনে বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাবাসন বন্ধ থাকায় এবং কিছু রোহিঙ্গার অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মধ্যেও অসন্তোষ বেড়েছে।
বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর কয়েক মাসে প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। গত ৯ বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি। বরং গত দেড় বছরে রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উখিয়ার ক্যাম্প-৪, ক্যাম্প-৬ ও ক্যাম্প-৮ (ওয়েস্ট) এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য বিতরণ, তথ্য নিবন্ধন ও এলপিজি বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
ক্যাম্প-৬-এর একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা, ওষুধের প্রাপ্যতা এবং বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ ছাড়া ইউএনএইচসিআরের অর্থায়নে পরিচালিত ডেটা রেজিস্ট্রেশন সেন্টার, নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন কার্যক্রম, আইওএমের অর্থায়নে এলপিজি বিতরণ এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ই-ভাউচারভিত্তিক খাদ্য বিতরণ কার্যক্রমও ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
পরিদর্শনের সময় ক্যাম্প-৪ এলাকায় কয়েক শ রোহিঙ্গা প্ল্যাকার্ড হাতে মার্কিন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এ সময় তারা নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি জানান।

সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে রাতে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। তাই সতর্কতা হিসেবে বিজিবি চাওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
২ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
২ দিন আগে