
বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া এলাকায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বাগান বাড়ি, গরু ও মৎস্য খামারসহ প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পদ জিম্মায় নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেখানে সেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয়। একইসঙ্গে বাগানবাড়িতেও তালা লাগিয়ে দেন।
জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, আদালতের নির্দেশনার পর বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি জিম্মায় নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এসব সম্পত্তি থেকে যা আয় হবে তা সরকারের কোষাগারে জমা হবে।
তিনি আরও বলেন, আজ বৃহস্পতিবার থেকে এই জমির রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস এম মঞ্জুরুল হককে আহ্বায়ক করে একটি ৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি এখন থেকে এই বিষয়ে সার্বিক তদারকি করার পাশাপাশি সকল আয় ব্যয়ের হিসেব দুদকের মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপন করবে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস এম মঞ্জুরুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপপরিচালক এমএম শাহনেয়াজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শীল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো.আবদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি দুদক খুঁজে বের করার পর বান্দরবানেও বিশাল সম্পত্তির খোঁজ মেলে। বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালকে ৫০ একর ও লামায় প্রায় ১০০ একর সম্পত্তির রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন জেলার সুয়ালকে ২৫ একর সম্পত্তির নথি খুঁজে পায়। এসব সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নিয়েছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন।

বান্দরবানের সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া এলাকায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বাগান বাড়ি, গরু ও মৎস্য খামারসহ প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পদ জিম্মায় নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেখানে সেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয়। একইসঙ্গে বাগানবাড়িতেও তালা লাগিয়ে দেন।
জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, আদালতের নির্দেশনার পর বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি জিম্মায় নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এসব সম্পত্তি থেকে যা আয় হবে তা সরকারের কোষাগারে জমা হবে।
তিনি আরও বলেন, আজ বৃহস্পতিবার থেকে এই জমির রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস এম মঞ্জুরুল হককে আহ্বায়ক করে একটি ৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি এখন থেকে এই বিষয়ে সার্বিক তদারকি করার পাশাপাশি সকল আয় ব্যয়ের হিসেব দুদকের মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপন করবে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস এম মঞ্জুরুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপপরিচালক এমএম শাহনেয়াজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শীল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো.আবদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি দুদক খুঁজে বের করার পর বান্দরবানেও বিশাল সম্পত্তির খোঁজ মেলে। বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালকে ৫০ একর ও লামায় প্রায় ১০০ একর সম্পত্তির রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন জেলার সুয়ালকে ২৫ একর সম্পত্তির নথি খুঁজে পায়। এসব সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নিয়েছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. রিয়াজুল কবির আটজন নিহত হওয়া তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, শনিবার ভোর থেকে প্রবল দমকা বাতাস ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ফলে সোমেশরী নদীর পানি বেড়ে মধ্যনগর জামে মসজিদের পাশের কালভার্টের সামনের পাউবোর দেওয়া বাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে হাওরে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। এসময় হাওরে ধান কাটতে গিয়েছিলেন কৃষকরা। কষ্টে ফলানো একমাত্র বোরো ফসল চোখের সামনে ড
১ দিন আগে
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও নদ-নদীর পানি বাড়ায় ও পাহাড়ি ঢলে নতুন করে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কাটা ধানের স্তূপেও চারা গজিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির পানিতে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ হাওর এলাকা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অন্তত ২৫ হ
১ দিন আগে
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের খেওয়ারচর হাটে উপজেলা প্রশাসনের নোটিশের দুই সপ্তাহ পার হলেও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন অবৈধ দোকানঘর এখনো অপসারণ করা হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
১ দিন আগে