
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, যেসব ষড়যন্ত্র এখন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, জনগণ রোডম্যাপ পেয়ে নির্বাচনমুখী হয়ে গেলে সেসব আর কেউ করার সাহস পাবে না।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের ইস্যু তৈরির বিষয়ে এবং বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষায় সহযোগিতা চাওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই ডিসেম্বরে লাখো মানুষের শাহাদাতের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা পেয়েছে, তা গণতন্ত্রের জন্য, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য এবং দেশের শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য। আজকের এই বিজয়ের মাসে আমাদের সবার প্রত্যয় বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের দায়িত্ব এই দেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের বিরুদ্ধে পতিত সরকার বিদেশ থেকে যে ষড়যন্ত্র করছে, সেই ফ্যাসিস্ট, পতিত সরকারের বিরুদ্ধে সবাই একমত পোষণ করেছেন।
যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, তা দেশের জন্যগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য অপচেষ্টা- উল্লেখ করে বিএনপির এ স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, আমরা সরকারের সঙ্গে একমত পোষণ করেছি। সবাই মিলে যেমনি জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করা হয়েছে, তেমনি তাদের এবং তাদের সহযোগীদের ষড়যন্ত্রকে এদেশের ছাত্র-জনতা সবাই মিলে মোকাবিলা করব।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, যেসব ষড়যন্ত্র এখন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, জনগণ রোডম্যাপ পেয়ে নির্বাচনমুখী হয়ে গেলে সেসব আর কেউ করার সাহস পাবে না।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের ইস্যু তৈরির বিষয়ে এবং বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষায় সহযোগিতা চাওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই ডিসেম্বরে লাখো মানুষের শাহাদাতের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা পেয়েছে, তা গণতন্ত্রের জন্য, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য এবং দেশের শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য। আজকের এই বিজয়ের মাসে আমাদের সবার প্রত্যয় বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের দায়িত্ব এই দেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের বিরুদ্ধে পতিত সরকার বিদেশ থেকে যে ষড়যন্ত্র করছে, সেই ফ্যাসিস্ট, পতিত সরকারের বিরুদ্ধে সবাই একমত পোষণ করেছেন।
যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, তা দেশের জন্যগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য অপচেষ্টা- উল্লেখ করে বিএনপির এ স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, আমরা সরকারের সঙ্গে একমত পোষণ করেছি। সবাই মিলে যেমনি জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করা হয়েছে, তেমনি তাদের এবং তাদের সহযোগীদের ষড়যন্ত্রকে এদেশের ছাত্র-জনতা সবাই মিলে মোকাবিলা করব।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১ দিন আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১ দিন আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
২ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
২ দিন আগে