
ভোলা প্রতিনিধি

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে উভয় দলের নারী ও পুরুষ নেতাকর্মী রয়েছেন।
শনিবার সকালে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুলাইপত্তন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।
আহতদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর টবগী ইউনিয়ন আমির মাওলানা আব্দুল হালিমসহ অন্তত আটজন এবং বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী রয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াত নেতা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ২০–৩০ জন নেতাকর্মী ভোলা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় তারা বিএনপি কর্মী আয়ুব আলীর বাড়িতে প্রবেশ করলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি কর্মী আয়ুব আলী ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। এতে ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। আমরা এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
অন্যদিকে জামায়াতের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মো. আজম বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরাই পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলার সময় তারা বাড়িঘর ভাঙচুরও করেছে। আমরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে উভয় দলের নারী ও পুরুষ নেতাকর্মী রয়েছেন।
শনিবার সকালে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুলাইপত্তন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।
আহতদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর টবগী ইউনিয়ন আমির মাওলানা আব্দুল হালিমসহ অন্তত আটজন এবং বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী রয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াত নেতা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ২০–৩০ জন নেতাকর্মী ভোলা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় তারা বিএনপি কর্মী আয়ুব আলীর বাড়িতে প্রবেশ করলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি কর্মী আয়ুব আলী ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। এতে ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। আমরা এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
অন্যদিকে জামায়াতের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মো. আজম বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরাই পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলার সময় তারা বাড়িঘর ভাঙচুরও করেছে। আমরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিহত ৫ জনের মধ্যে তাৎক্ষনিক দুইজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন, উপজেলার নূরপুর এলাকার বিপুল পাহান (২৫) ও সঞ্জু রাও (৪৫)।
৮ ঘণ্টা আগে
গত বুধবার দুপুরে ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান চলাকালীন চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে এই হট্টগোল ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর এবং বেশ কয়েকটি
৮ ঘণ্টা আগে
সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করে ভারতে আটকা পড়া ১২৮ জেলে দেশে ফিরেছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশে এসে আটকা পড়া ২৩ ভারতীয় জেলে ফিরে গেছেন নিজ দেশে। কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশি ১২৮ জেলেকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব জেলেরা বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ছিলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, ‘মির্জা আব্বাসের দুর্নীতি আপনরা পত্রিকায় দেখেন নাই? পড়েন নাই যে মির্জা আব্বাস দুর্নীতি করেছে? আপনরা কি জানেন এই দুর্নীতির মামলা যে উঠে গেছে? এই মামলা উঠছে ৫ তারিখের পরে। উনি এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আলেম— আল্লামা মির্জা আব্বাস।’
১ দিন আগে