
শংকর লাল দাস, পটুয়াখালী

পটুয়াখালী জেলায় ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রায় সমানে সমান থাকলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। এ পরিস্থিতিতে পটুয়াখালী-১ আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ ও ১১-দলীয় ঐক্যের এবি পার্টির ‘ঈগলে’র মধ্যেই— এমন আভাস মিলছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে।
পটুয়াখালী জেলায় সংসদীয় আসন চারটি। এর মধ্যে পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। অপরদিকে জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের এবি পার্টির প্রার্থী অধ্যাপক মেজর (অব.) ডা. মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব মিনারও জোরেশোরে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফিরোজ আলম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) থেকে গৌতম চন্দ্র শীল, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম এবং জাতীয় পার্টির আ. মন্নান হাওলাদার নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভোটারদের সমর্থন আদায়ে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয়দের মতে, এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও ১১-দলীয় ঐক্য সমর্থিত এবি পার্টির প্রার্থী ডা. আব্দুল ওহাব মিনারের মধ্যে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রার্থীদের সক্রিয় প্রচারে মাঠ ততই সরগরম হয়ে উঠছে।
পটুয়াখালী-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫ হাজার ৮৪০ জন। জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে অতীতে বিএনপির প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী নির্বাচিত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (২০০১–২০০৪) ও বাণিজ্যমন্ত্রীর (২০০৪-২০০৬) দায়িত্ব পালন করেছেন। তার সমর্থকদের দাবি, এই আসনের অবকাঠামো উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার স্মৃতি এখনও ভোটারদের মনে আছে।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী এলাকার উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। এ ছাড়া নির্বাচনি প্রচারে তিনি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক বাজার ব্যবস্থাপনা এবং চাঁদাবাজিমুক্ত ব্যবসা পরিবেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
সম্প্রতি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে প্রথমেই চাঁদাবাজি বন্ধ করে ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তায় বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
তবে সম্প্রতি পটুয়াখালী জেলা সদর, পৌরসভা, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা বিএনপির চারটি ইউনিট কমিটি স্থগিত করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, নির্বাচনের আগে এমন সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ের মনোবলে প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও দলীয় সূত্র বলছে, নির্বাচনি কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, দলের সাফল্যের স্বার্থে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটিই কার্যকর করা হয়েছে।
অন্যদিকে ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আব্দুল ওহাব মিনারের ‘ঈগল’ প্রতীক ঘিরে ভিন্ন হিসাব-নিকাশ চলছে। জামায়াত-সমর্থিত এই প্রার্থীর মূল লক্ষ্য আওয়ামী লীগের ভোটারদের সমর্থন আদায় করা— এমন আলোচনা রয়েছে স্থানীয়ভাবে।
সব মিলিয়ে পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত-সমর্থিত উভয় পক্ষই আওয়ামী লীগের ভোটারদের কাছে টানতে নানা প্রতিশ্রুতি ও বার্তা দিচ্ছে। উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতির আশ্বাস— সবই শোনা যাচ্ছে নির্বাচনি প্রচারে। তবে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ভোটাররা কোন দিকে ঝুঁকবেন, তা এখনও অনিশ্চিত। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই আসনের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।

পটুয়াখালী জেলায় ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রায় সমানে সমান থাকলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। এ পরিস্থিতিতে পটুয়াখালী-১ আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ ও ১১-দলীয় ঐক্যের এবি পার্টির ‘ঈগলে’র মধ্যেই— এমন আভাস মিলছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে।
পটুয়াখালী জেলায় সংসদীয় আসন চারটি। এর মধ্যে পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। অপরদিকে জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের এবি পার্টির প্রার্থী অধ্যাপক মেজর (অব.) ডা. মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব মিনারও জোরেশোরে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফিরোজ আলম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) থেকে গৌতম চন্দ্র শীল, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম এবং জাতীয় পার্টির আ. মন্নান হাওলাদার নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভোটারদের সমর্থন আদায়ে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয়দের মতে, এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও ১১-দলীয় ঐক্য সমর্থিত এবি পার্টির প্রার্থী ডা. আব্দুল ওহাব মিনারের মধ্যে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রার্থীদের সক্রিয় প্রচারে মাঠ ততই সরগরম হয়ে উঠছে।
পটুয়াখালী-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫ হাজার ৮৪০ জন। জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে অতীতে বিএনপির প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী নির্বাচিত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (২০০১–২০০৪) ও বাণিজ্যমন্ত্রীর (২০০৪-২০০৬) দায়িত্ব পালন করেছেন। তার সমর্থকদের দাবি, এই আসনের অবকাঠামো উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার স্মৃতি এখনও ভোটারদের মনে আছে।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী এলাকার উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। এ ছাড়া নির্বাচনি প্রচারে তিনি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক বাজার ব্যবস্থাপনা এবং চাঁদাবাজিমুক্ত ব্যবসা পরিবেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
সম্প্রতি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে প্রথমেই চাঁদাবাজি বন্ধ করে ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তায় বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
তবে সম্প্রতি পটুয়াখালী জেলা সদর, পৌরসভা, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা বিএনপির চারটি ইউনিট কমিটি স্থগিত করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, নির্বাচনের আগে এমন সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ের মনোবলে প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও দলীয় সূত্র বলছে, নির্বাচনি কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, দলের সাফল্যের স্বার্থে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটিই কার্যকর করা হয়েছে।
অন্যদিকে ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আব্দুল ওহাব মিনারের ‘ঈগল’ প্রতীক ঘিরে ভিন্ন হিসাব-নিকাশ চলছে। জামায়াত-সমর্থিত এই প্রার্থীর মূল লক্ষ্য আওয়ামী লীগের ভোটারদের সমর্থন আদায় করা— এমন আলোচনা রয়েছে স্থানীয়ভাবে।
সব মিলিয়ে পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত-সমর্থিত উভয় পক্ষই আওয়ামী লীগের ভোটারদের কাছে টানতে নানা প্রতিশ্রুতি ও বার্তা দিচ্ছে। উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতির আশ্বাস— সবই শোনা যাচ্ছে নির্বাচনি প্রচারে। তবে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ভোটাররা কোন দিকে ঝুঁকবেন, তা এখনও অনিশ্চিত। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই আসনের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।

গত বুধবার দুপুরে ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান চলাকালীন চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে এই হট্টগোল ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর এবং বেশ কয়েকটি
৬ ঘণ্টা আগে
সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করে ভারতে আটকা পড়া ১২৮ জেলে দেশে ফিরেছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশে এসে আটকা পড়া ২৩ ভারতীয় জেলে ফিরে গেছেন নিজ দেশে। কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশি ১২৮ জেলেকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব জেলেরা বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, ‘মির্জা আব্বাসের দুর্নীতি আপনরা পত্রিকায় দেখেন নাই? পড়েন নাই যে মির্জা আব্বাস দুর্নীতি করেছে? আপনরা কি জানেন এই দুর্নীতির মামলা যে উঠে গেছে? এই মামলা উঠছে ৫ তারিখের পরে। উনি এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আলেম— আল্লামা মির্জা আব্বাস।’
২০ ঘণ্টা আগে
উদ্বোধন শেষে ফেরি আনার পেছনে অবদান নিয়ে পৃথকভাবে স্লোগান দিতে থাকে এনসিপি ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। আর স্লোগানকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এরপর শুরু হয় সংঘর্ষ। তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা।
২০ ঘণ্টা আগে