
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় স্ত্রীর শিলের আঘাতে ওবায়দুর রহমান মুন্সি (৫৫) নামে উপজেলা কৃষকদল নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও পুত্রবধূকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওবায়দুর রহমান মুন্সি উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল খালেক মুন্সির (ডক সাহেব) ছেলে।
পুলিশ, এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ওবায়দুর রহমান মুন্সির সঙ্গে তার স্ত্রী, ছেলে ও পুত্রবধূর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার রাতে ওবায়দুর রহমান মুন্সির স্ত্রী পাথরের শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।
নিহতের ভাই সিরাজুল হক বলেন, ওবায়দুরের সঙ্গে পারিবারিক কলহের জের ধরে দীর্ঘদিন যাবৎ তার স্ত্রী, ছেলে ও পুত্রবধূর বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার রাতে তার স্ত্রী পাথরের শিল দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করে। আমি ভাই হত্যার বিচার চাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক নানা কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহতের স্ত্রী সাবিনা বেগম ও পুত্রবধূ মাসকারা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী সাবিনা বেগম স্বীকার করেছেন নিজেই তার স্বামীকে পাথরের শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছেন। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় স্ত্রীর শিলের আঘাতে ওবায়দুর রহমান মুন্সি (৫৫) নামে উপজেলা কৃষকদল নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও পুত্রবধূকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওবায়দুর রহমান মুন্সি উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল খালেক মুন্সির (ডক সাহেব) ছেলে।
পুলিশ, এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ওবায়দুর রহমান মুন্সির সঙ্গে তার স্ত্রী, ছেলে ও পুত্রবধূর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার রাতে ওবায়দুর রহমান মুন্সির স্ত্রী পাথরের শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।
নিহতের ভাই সিরাজুল হক বলেন, ওবায়দুরের সঙ্গে পারিবারিক কলহের জের ধরে দীর্ঘদিন যাবৎ তার স্ত্রী, ছেলে ও পুত্রবধূর বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার রাতে তার স্ত্রী পাথরের শিল দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করে। আমি ভাই হত্যার বিচার চাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক নানা কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহতের স্ত্রী সাবিনা বেগম ও পুত্রবধূ মাসকারা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী সাবিনা বেগম স্বীকার করেছেন নিজেই তার স্বামীকে পাথরের শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছেন। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সোমবার (৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের পাকুরিয়ার চরের নান্টুর মোড় এলাকায় হামলার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
রোববার (২ আগস্ট) উপজেলা সদর, পৌরসভা ও কয়েকটি ইউনিয়নে পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
২ দিন আগে
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে