
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের অভিযোগে এক পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন এজাহার দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম (৫৭) ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য দেন। কিন্তু অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এতে প্রায় ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়, তার বৈধ আয় ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা হলেও পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
অপরদিকে, সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি সরকারি চাকরির ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন।
দুদক জানায়, এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দুদকের রাজশাহী কার্যালয়ের মামলা নং-০১ হিসেবে রুজু করা হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের অভিযোগে ওই পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম বলেন, 'মামলাটি সঠিক নয়। আমাদের বৈধ আয় ও ট্যাক্স সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে। এগুলো আমার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি।'

রাজশাহীতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের অভিযোগে এক পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন এজাহার দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম (৫৭) ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য দেন। কিন্তু অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এতে প্রায় ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়, তার বৈধ আয় ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা হলেও পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
অপরদিকে, সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি সরকারি চাকরির ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন।
দুদক জানায়, এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দুদকের রাজশাহী কার্যালয়ের মামলা নং-০১ হিসেবে রুজু করা হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের অভিযোগে ওই পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম বলেন, 'মামলাটি সঠিক নয়। আমাদের বৈধ আয় ও ট্যাক্স সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে। এগুলো আমার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি।'

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বরগুনার তালতলী থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল ইমরান ট্রাভেলসের বাসটি। রাত পৌনে ১২টার দিকে ধলু গাজীর মোড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটাকে চাপা দিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
শনিবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় অপ্রতীমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারও তার ছেলের বয়সের চেয়ে বড় কয়েকজন বন্ধুর বিষয়ে উল্লেখ করেন। নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেলে অপ্রতীম তাদের সঙ্গে ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে
এর আগে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিরপুরের দুটি পৃথক এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে মিরপুর-১১ নম্বরের জমজম টাওয়ারের সামনে শিকড় পরিবহনের একটি বাস এবং মিরপুর-১ আনসার ক্যাম্প এলাকায় অভিজাত পরিবহনের আরেকটি বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যার পর যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটক ও যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ইবাদুর রহমান নামের এক রিকশাচালক আহত হন। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
১৮ ঘণ্টা আগে