
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর জেলার দুটি আসনেই নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মেহেরপুর-১ ও ২ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মেহেরপুর-১ আসনে মো. তাজউদ্দীন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনে মো. নাজমুল হুদা নির্বাচিত হয়েছেন।
মেহেরপুরের দুটি আসনেই এবারের নির্বাচন ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। বিশেষ করে মেহেরপুর-১ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি প্রার্থী মাসুদ অরুনের হার স্থানীয় রাজনীতিতে বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই আসনে জামায়াত নেতা মো. তাজউদ্দীন খান শুরু থেকেই সুসংগঠিত প্রচারণা চালিয়েছিলেন।
বিএনপির মাসুদ অরুন সাবেক এমপি এবং শক্তিশালী প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও জামায়াতের নিজস্ব ভোটব্যাংক এবং নিরপেক্ষ ভোটারদের সমর্থন তাজউদ্দীনের পাল্লা ভারী করে। ১২৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. তাজউদ্দীন খান পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট। তার বিপরীতে বিএনপির মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট।
মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনেও জয় পেয়েছে দাঁড়িপাল্লা। এখানে জামায়াতের মো. নাজমুল হুদা ৯০টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর জেলার দুটি আসনেই নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মেহেরপুর-১ ও ২ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মেহেরপুর-১ আসনে মো. তাজউদ্দীন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনে মো. নাজমুল হুদা নির্বাচিত হয়েছেন।
মেহেরপুরের দুটি আসনেই এবারের নির্বাচন ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। বিশেষ করে মেহেরপুর-১ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি প্রার্থী মাসুদ অরুনের হার স্থানীয় রাজনীতিতে বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই আসনে জামায়াত নেতা মো. তাজউদ্দীন খান শুরু থেকেই সুসংগঠিত প্রচারণা চালিয়েছিলেন।
বিএনপির মাসুদ অরুন সাবেক এমপি এবং শক্তিশালী প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও জামায়াতের নিজস্ব ভোটব্যাংক এবং নিরপেক্ষ ভোটারদের সমর্থন তাজউদ্দীনের পাল্লা ভারী করে। ১২৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. তাজউদ্দীন খান পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট। তার বিপরীতে বিএনপির মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট।
মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনেও জয় পেয়েছে দাঁড়িপাল্লা। এখানে জামায়াতের মো. নাজমুল হুদা ৯০টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট।

নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১০ হাজার ৮৫৯ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের সবগুলোতেই বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা। পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। বাকি একটি আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বিএনপিরই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।
২ ঘণ্টা আগে
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য বলছে, ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৮৪০ ভোট। সে হিসাবে খালিদুজ্জামানের চেয়ে সাত হাজার ৯৮৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তারেক রহমান।
৪ ঘণ্টা আগে