
কুমিল্লা প্রতিনিধি

টানা ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে চলে গেছে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকা। রাতভর বর্ষণে নগরীর প্রধান সড়ক, অলিগলি ও আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা।
কুমিল্লা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১০৭ মিলিমিটার। আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দিনভর আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে সকালেই নগরীর অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। কর্মস্থলগামী মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী উম্মে কুলসুম বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাসা থেকে বের হলেও জলাবদ্ধতার কারণে ভিজে যেতে হয়েছে। নগরীর প্রায় সব সড়ক পানিতে ডুবে থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এদিকে, ছেলেকে জিলা স্কুলে পৌঁছে দিতে গিয়ে জলাবদ্ধতার মধ্যে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে। পরে বাবা-ছেলেকে মিলে গাড়ি ঠেলে নেওয়ার দৃশ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন জানান, তার ঘরে হাঁটুসমান পানি ঢুকেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো তার বাসায় পানি প্রবেশ করল।
জলাবদ্ধতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে নগরীর জিলা স্কুল সড়ক, পুলিশ লাইনস, রেসকোর্স, চর্থা, ঠাকুরপাড়া, বিসিক শিল্পনগরী, গোবিন্দপুর, মুরাদপুর ও ছায়াবিতান এলাকায়। এসব এলাকার অনেক বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নিচু স্থাপনায় পানি ঢুকে পড়েছে।
অনেক স্থানে ড্রেন উপচে ময়লা-আবর্জনাযুক্ত পানি সড়কে ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠেছে। জলাবদ্ধতার সুযোগে রিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ভাড়া বেড়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন যাত্রীরা।
পরিস্থিতি দেখতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন। তারা জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রাজনীতি/আরআইআর

টানা ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে চলে গেছে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকা। রাতভর বর্ষণে নগরীর প্রধান সড়ক, অলিগলি ও আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা।
কুমিল্লা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১০৭ মিলিমিটার। আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দিনভর আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে সকালেই নগরীর অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। কর্মস্থলগামী মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী উম্মে কুলসুম বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাসা থেকে বের হলেও জলাবদ্ধতার কারণে ভিজে যেতে হয়েছে। নগরীর প্রায় সব সড়ক পানিতে ডুবে থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এদিকে, ছেলেকে জিলা স্কুলে পৌঁছে দিতে গিয়ে জলাবদ্ধতার মধ্যে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে। পরে বাবা-ছেলেকে মিলে গাড়ি ঠেলে নেওয়ার দৃশ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন জানান, তার ঘরে হাঁটুসমান পানি ঢুকেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো তার বাসায় পানি প্রবেশ করল।
জলাবদ্ধতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে নগরীর জিলা স্কুল সড়ক, পুলিশ লাইনস, রেসকোর্স, চর্থা, ঠাকুরপাড়া, বিসিক শিল্পনগরী, গোবিন্দপুর, মুরাদপুর ও ছায়াবিতান এলাকায়। এসব এলাকার অনেক বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নিচু স্থাপনায় পানি ঢুকে পড়েছে।
অনেক স্থানে ড্রেন উপচে ময়লা-আবর্জনাযুক্ত পানি সড়কে ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠেছে। জলাবদ্ধতার সুযোগে রিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ভাড়া বেড়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন যাত্রীরা।
পরিস্থিতি দেখতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন। তারা জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রাজনীতি/আরআইআর

নিহত নাছিমা নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার কৈলশাপুর বনপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি শ্রীপুরের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
৩ ঘণ্টা আগে
, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে মোট ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ উৎপাদন।
৩ ঘণ্টা আগে
রোববার সুন্দরবনের আন্ধারমানিকের বনে মিলিয়ে যাওয়া সেই ডোরাকাটা শরীর হয়তো আর সহজে মানুষের চোখে ধরা দেবে না। কিন্তু গাছের গায়ে বাঁধা ছোট্ট ইনফ্রারেড ক্যামেরাগুলো নীরবে তার চলার পথ রেকর্ড করবে। সেই ফুটেজ শুধু একটি বাঘিনীর জীবনযাত্রার দলিল হবে না, এটি হবে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের এক নতুন আশার গল্প
৫ ঘণ্টা আগে
ক্যাম্প প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে পাঁচজন, ২০২৪ সালে ৯ জন, ২০২৫ সালে একজন এবং চলতি বছরে ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে