
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

চা-বাগান, হাওর, টিলা ও পাহাড়ঘেরা বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-১ সংসদীয় আসন দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি, সংগঠিত শক্তি নিয়ে এগোচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন আলোচনায়। ফলে এখানে মিলছে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস।
এবারের নির্বাচন কেবল দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সীমাবদ্ধ নয়; ব্যক্তিগত ইমেজ, আঞ্চলিকতা ও ভোটব্যাংকের সমীকরণও বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে। জাতীয় সংসদের ২৩৫ নম্বর এই আসনে রয়েছে ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৮১৬ জন; এর মধ্যে পোস্টাল ভোট ৬ হাজার ৫৬২টি।
১৯৮৪ সালে সিলেট জেলা বিভক্ত হওয়ার পর এই আসনের জন্ম। শুরুতে জাতীয় পার্টির আধিপত্য থাকলেও সময়ের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি শক্ত অবস্থান গড়ে তোলে। ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালে জাতীয় পার্টির এবাদুর রহমান চৌধুরী নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে মাত্র ৩৪২ ভোটের ব্যবধানে জয় আসনটির প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চরিত্র তুলে ধরে।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের মো. শাহাব উদ্দিন প্রথমবারের মতো আসনটি দখল করেন। ২০০১ সালে বিএনপি জিতলেও সেটিই ছিল তাদের শেষ বিজয়। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা সময়ে শাহাব উদ্দিন আসনটি ধরে রাখেন। ২০২৪ সালে সংসদ ভেঙে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটে।
এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম আগেভাগে প্রার্থিতা ঘোষণা করে সংগঠিত প্রচারে এগিয়ে আছেন। শরিক দলগুলোর সমর্থন ও তৃণমূলের সাংগঠনিক কাজ তার পক্ষে দৃশ্যমান সুবিধা তৈরি করেছে।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু। মনোনয়ন ঘিরে প্রাথমিক বিভাজন থাকলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপ্রত্যাশী শরিফুল হক সাজু দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। দুই নেতা এক সঙ্গে প্রচারে নামায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ঐক্যের বার্তা মিলেছে। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আব্দুন নুর তালুকদার বিএনপিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় এই সমীকরণে বিএনপি বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে।
এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আল-ইসলাহ নেতা মুফতি বেলাল আহমদ অনলাইন জনপ্রিয়তা ও তরুণদের সমর্থনে আলোচনার কেন্দ্রে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন লাঙ্গল প্রতীকে নিজেকে ‘নৌকার বিকল্প’ হিসেবে তুলে ধরে ভিন্ন কৌশলে প্রচার চালিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।
গণফ্রন্টের প্রার্থী শরিফুল ইসলামের প্রচারণা শহরকেন্দ্রিক না হলেও তিনি বিভিন্ন গ্রামের ভোটারদের নিয়ে উঠান বৈঠক, গণসংযোগে সক্রিয় ছিলেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের রিজার্ভ ভোট, চা-শ্রমিকদের ভোট এবং আঞ্চলিকতার প্রভাব ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকলেও তাদের কর্মী-সমর্থক, চা-শ্রমিক ও তরুণ ভোটারদের ভোট কোন দিকে যাবে— সেটিই চূড়ান্ত ফলাফলে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। বিএনপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে— বিষয়টি জনগণের কাছে পরিস্কার। বড়লেখা-জুড়ীর সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সবাই বিএনপির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।’
জামায়াতের মাওলানা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অতীতে একাধিকবার অন্য দলগুলোকে ভোট দিয়ে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। মানুষ পরিবর্তন চায়। এবার জামায়াতে ইসলামী নিয়ে মানুষের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। আমি যেদিন থেকে মাঠে কাজ করছি, সেদিন থেকে সাধারণ মানুষ আমাকে গ্রহণ করছে ও নানা পরামর্শ দিচ্ছে। মাঠে কাজ করতে গিয়ে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি, আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদ বলেন, ‘মানুষ যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবে এটা নিশ্চিত। জয়ের ব্যাপারে আমি খুবই আশাবাদী। সভা-সমাবেশে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। নির্বাচিত হলে কর্মসংস্থানসহ এলাকার উন্নয়ন আমার অগ্রাধিকারে থাকবে।’
মৌলভীবাজার-১ আসনের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোটের সমীকরণ বদলে দিতে পারেন। তরুণ ভোটাররা দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ, কর্মসংস্থান এবং অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি খুঁজছেন। অনেকের মতে, চা-শ্রমিকদের ভোটই হতে পারে ‘গেম চেঞ্জার’।
তরুণ ভোটার সায়েম আহমদ ও রাহিমা বেগম জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা প্রথম ভোটার হয়েছিলেন। কিন্তু ভোটকেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে পারেননি। এবার নির্বিঘ্নে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। তবে যে প্রার্থী দুর্নীতি-মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যা দূর করাসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাকেই ভোট দেবেন তারা।
সব মিলিয়ে মৌলভীবাজার-১ আসনের নির্বাচন আর দ্বিমুখী নয়; আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি, বিএনপির ঐক্য, জামায়াতের সংগঠিত শক্তি, জাতীয় পার্টির কৌশল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সক্রিয়তায় এটি এখন বহুমাত্রিক। কে শেষ পর্যন্ত জয়ী হবেন— তা নিয়ে ভোটারদের কৌতূহল ও আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।

চা-বাগান, হাওর, টিলা ও পাহাড়ঘেরা বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-১ সংসদীয় আসন দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি, সংগঠিত শক্তি নিয়ে এগোচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন আলোচনায়। ফলে এখানে মিলছে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস।
এবারের নির্বাচন কেবল দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সীমাবদ্ধ নয়; ব্যক্তিগত ইমেজ, আঞ্চলিকতা ও ভোটব্যাংকের সমীকরণও বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে। জাতীয় সংসদের ২৩৫ নম্বর এই আসনে রয়েছে ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৮১৬ জন; এর মধ্যে পোস্টাল ভোট ৬ হাজার ৫৬২টি।
১৯৮৪ সালে সিলেট জেলা বিভক্ত হওয়ার পর এই আসনের জন্ম। শুরুতে জাতীয় পার্টির আধিপত্য থাকলেও সময়ের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি শক্ত অবস্থান গড়ে তোলে। ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালে জাতীয় পার্টির এবাদুর রহমান চৌধুরী নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে মাত্র ৩৪২ ভোটের ব্যবধানে জয় আসনটির প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চরিত্র তুলে ধরে।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের মো. শাহাব উদ্দিন প্রথমবারের মতো আসনটি দখল করেন। ২০০১ সালে বিএনপি জিতলেও সেটিই ছিল তাদের শেষ বিজয়। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা সময়ে শাহাব উদ্দিন আসনটি ধরে রাখেন। ২০২৪ সালে সংসদ ভেঙে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটে।
এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম আগেভাগে প্রার্থিতা ঘোষণা করে সংগঠিত প্রচারে এগিয়ে আছেন। শরিক দলগুলোর সমর্থন ও তৃণমূলের সাংগঠনিক কাজ তার পক্ষে দৃশ্যমান সুবিধা তৈরি করেছে।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু। মনোনয়ন ঘিরে প্রাথমিক বিভাজন থাকলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপ্রত্যাশী শরিফুল হক সাজু দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। দুই নেতা এক সঙ্গে প্রচারে নামায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ঐক্যের বার্তা মিলেছে। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আব্দুন নুর তালুকদার বিএনপিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় এই সমীকরণে বিএনপি বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে।
এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আল-ইসলাহ নেতা মুফতি বেলাল আহমদ অনলাইন জনপ্রিয়তা ও তরুণদের সমর্থনে আলোচনার কেন্দ্রে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন লাঙ্গল প্রতীকে নিজেকে ‘নৌকার বিকল্প’ হিসেবে তুলে ধরে ভিন্ন কৌশলে প্রচার চালিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।
গণফ্রন্টের প্রার্থী শরিফুল ইসলামের প্রচারণা শহরকেন্দ্রিক না হলেও তিনি বিভিন্ন গ্রামের ভোটারদের নিয়ে উঠান বৈঠক, গণসংযোগে সক্রিয় ছিলেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের রিজার্ভ ভোট, চা-শ্রমিকদের ভোট এবং আঞ্চলিকতার প্রভাব ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকলেও তাদের কর্মী-সমর্থক, চা-শ্রমিক ও তরুণ ভোটারদের ভোট কোন দিকে যাবে— সেটিই চূড়ান্ত ফলাফলে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। বিএনপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে— বিষয়টি জনগণের কাছে পরিস্কার। বড়লেখা-জুড়ীর সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সবাই বিএনপির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।’
জামায়াতের মাওলানা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অতীতে একাধিকবার অন্য দলগুলোকে ভোট দিয়ে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। মানুষ পরিবর্তন চায়। এবার জামায়াতে ইসলামী নিয়ে মানুষের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। আমি যেদিন থেকে মাঠে কাজ করছি, সেদিন থেকে সাধারণ মানুষ আমাকে গ্রহণ করছে ও নানা পরামর্শ দিচ্ছে। মাঠে কাজ করতে গিয়ে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি, আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদ বলেন, ‘মানুষ যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবে এটা নিশ্চিত। জয়ের ব্যাপারে আমি খুবই আশাবাদী। সভা-সমাবেশে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। নির্বাচিত হলে কর্মসংস্থানসহ এলাকার উন্নয়ন আমার অগ্রাধিকারে থাকবে।’
মৌলভীবাজার-১ আসনের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোটের সমীকরণ বদলে দিতে পারেন। তরুণ ভোটাররা দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ, কর্মসংস্থান এবং অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি খুঁজছেন। অনেকের মতে, চা-শ্রমিকদের ভোটই হতে পারে ‘গেম চেঞ্জার’।
তরুণ ভোটার সায়েম আহমদ ও রাহিমা বেগম জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা প্রথম ভোটার হয়েছিলেন। কিন্তু ভোটকেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে পারেননি। এবার নির্বিঘ্নে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। তবে যে প্রার্থী দুর্নীতি-মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যা দূর করাসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাকেই ভোট দেবেন তারা।
সব মিলিয়ে মৌলভীবাজার-১ আসনের নির্বাচন আর দ্বিমুখী নয়; আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি, বিএনপির ঐক্য, জামায়াতের সংগঠিত শক্তি, জাতীয় পার্টির কৌশল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সক্রিয়তায় এটি এখন বহুমাত্রিক। কে শেষ পর্যন্ত জয়ী হবেন— তা নিয়ে ভোটারদের কৌতূহল ও আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ‘ফুটবল’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহম্মদ কবির করিম।
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বিকালে দিকে বিশ্বনাথ পৌরসভার নতুন বাজারে সিলেট-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় যোগ দিতে তিনি মিছিল নিয়ে রওনা দেন। সভাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দক্ষিণ সুরমার একটি বেসরকারি মে
২১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে এ আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলছে। বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা ভোটের মাঠে এগিয়ে থাকলেও তার সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী।
১ দিন আগে
বিএনপি চেয়ারম্যানের অন্যতম উপদেষ্টা ও রাজশাহী–২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক সংকট হলো শিক্ষিত বেকারত্ব। লেখাপড়া শেষ করেও অসংখ্য তরুণ কাজ না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছে, যার ফলে সামাজিক অবক্ষয় বাড়ছে। জনপ্রতিনিধি হলে শিক্ষিত বেকারদের কর্মস
১ দিন আগে