
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মারা গেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) এই সহসভাপতি। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরিবার জানিয়েছে, রোববার আসরের নামাজের পর রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা হবে।
রোববার (২১ জুন) সকালে সাবেক এই সংসদ সদস্যের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যাপক মাহবুবে এলাহি সানি। প্রয়াত মোশারফ তার চাচাশ্বশুর ছিলেন।
সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি আক্রান্ত ছিলেন।
গত শতকের ষাটের দশকে মোশারফ হোসেন অবিভক্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন মুজিব বাহিনী তথা বাংলাদেশে লিবারেশন ফোর্সের (বিএলএফ) নোয়াখালী ও হাতিয়ার জোনাল কমান্ডার।
১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোশরফ হোসেন। সবশেষ ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। শোকবার্তায় তিনি বলেন, মোশারফ হোসেন মিয়ার মৃত্যুতে আমরা একজন দেশপ্রেমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অভিভাবককে হারালাম। মুক্তিযুদ্ধে এবং রামগতি-কমলনগর অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এ ছাড়া বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বারাকাত দুলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, রামগতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন, কমলনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক মুছাকালিমুল্লাহ এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলসহ (বাসদ) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা সাবেক এই সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মারা গেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) এই সহসভাপতি। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরিবার জানিয়েছে, রোববার আসরের নামাজের পর রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা হবে।
রোববার (২১ জুন) সকালে সাবেক এই সংসদ সদস্যের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যাপক মাহবুবে এলাহি সানি। প্রয়াত মোশারফ তার চাচাশ্বশুর ছিলেন।
সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি আক্রান্ত ছিলেন।
গত শতকের ষাটের দশকে মোশারফ হোসেন অবিভক্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন মুজিব বাহিনী তথা বাংলাদেশে লিবারেশন ফোর্সের (বিএলএফ) নোয়াখালী ও হাতিয়ার জোনাল কমান্ডার।
১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোশরফ হোসেন। সবশেষ ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। শোকবার্তায় তিনি বলেন, মোশারফ হোসেন মিয়ার মৃত্যুতে আমরা একজন দেশপ্রেমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অভিভাবককে হারালাম। মুক্তিযুদ্ধে এবং রামগতি-কমলনগর অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এ ছাড়া বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বারাকাত দুলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, রামগতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন, কমলনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক মুছাকালিমুল্লাহ এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলসহ (বাসদ) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা সাবেক এই সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।

ম্যুরাল অপসারণের বিষয়ে মাধবপুরের সাবেক ইউএনও জাহিদ বিন কাসেমের কাছে জানতে চাইলে বলেন, তিনি এটি অপসারণের বিষয়ে জানতেন না, মুক্তিযোদ্ধারা ভালো বলতে পারবেন। তিনি জানান, সম্প্রতি প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দায়িত্বকালে ম্যুরালটি অপসারণ করা হয়েছিল।
১৮ ঘণ্টা আগে
পরিবারের দাবি, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেও মুন্নি নির্যাতনের কথা বাবা-মাকে জানিয়েছিলেন। তাই হঠাৎ তার আত্মহত্যার বিষয়টি তাদের কাছে সন্দেহজনক। মরদেহ নামানোর পর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় বলেও দাবি করেন তারা। এসব আঘাতের ছবি ও ভিডিও তাদের কাছে রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘বিকেলে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস এবং ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।’
১৯ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, ‘ফজল আমিন আমাদের সংগঠনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক। ওমর আলী মাতবর রোডে স্থানীয় সমাজের মধ্যে রাস্তায় রিকশাভ্যান বসানো নিয়ে বিরোধ হয় বলে শুনেছি।’
২০ ঘণ্টা আগে