
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেইন করার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। রোববার সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত থেকে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া কেরানীহাট, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ এবং কক্সবাজারের চকরিয়া মাতামুহুরী সেতুতে সড়ক অবরোধ করা হয়। এসময় মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।
সাতকানিয়া, লোহাগাড়ায় ও চকরিয়ায় ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন আন্দোলন’ ব্যানারে এ সড়ক অবরোধ কর্মসুচি পালন করা হয়।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদের সংগঠক হোসাইন মোহাম্মদ মাসুম বলেন, “এ সড়কে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনায় প্রচুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি প্রশস্ত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বলা হলেও কোনো নজর দিচ্ছে না প্রশাসন।
“সড়ক ছয় লেইন করার দাবিতে রোববার সকাল থেকে সাতকানিয়ার কেরানীহাট, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, চকরিয়া মাতামুহুরি ব্রিজের ‘রোড ব্লকেড’ কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।”
এ সংগঠক বলেন, “বিকাল ৪টা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি ছিল। প্রশাসন থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। উপদেষ্টার সাথে কথা বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।”
মোহাম্মদ মাসুম বলেন, “আমাদের জননেতা শাহজাহান চৌধুরীও আমাদের সাথে কথা বলেছেন। ১৫ দিন সময় নিয়েছেন।
“তিনিও উপদেষ্টার সাথে কথা বলবেন, বলেছেন। যার কারণে আমরা বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সবাই সড়ক ছেড়ে দিয়েছি।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টা থেকে কেরানীহাট সড়কে ‘রোড ব্লকেড’ লেখা ব্যানার নিয়ে নিয়ে মহাসড়কে নেমে আসে লোকজন। এসময় তারা মহাসড়ক ছয় লেইন করার দাবি জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় উভয়মুখী যানবাহনগুলো আটকে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবার গাড়িগুলো ছেড়ে দিয়েছে।
বেলা ১১টার দিকে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেনা সদস্যরা উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে তুলে দিলেও ১০-১৫ মিনিট পর আরেক দল গিয়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে।
এসময় সাতানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামীর নেতা শাহজাহান চৌধুরী আন্দোলনকারীদের ফোন করে অবরোধ তুলে ফেলার আহ্বান জানান। এরপর বেলা ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা সড়ক থেকে উঠে যান।
হাইওয়ে পুলিশের দোহাজারী থানার এসআই রুহুল আমিন বলেন, “সড়ক প্রশস্ত করার দাবিতে লোকজন সাতকানিয়ার কেরানীহাট ও লোহাগাড়ার অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছিল। পরে বেলা ১২টার দিক থেকে তারা সড়ক থেকে সড়ে যাওয়া শুরু করেন। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।”

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেইন করার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। রোববার সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত থেকে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া কেরানীহাট, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ এবং কক্সবাজারের চকরিয়া মাতামুহুরী সেতুতে সড়ক অবরোধ করা হয়। এসময় মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।
সাতকানিয়া, লোহাগাড়ায় ও চকরিয়ায় ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন আন্দোলন’ ব্যানারে এ সড়ক অবরোধ কর্মসুচি পালন করা হয়।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদের সংগঠক হোসাইন মোহাম্মদ মাসুম বলেন, “এ সড়কে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনায় প্রচুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি প্রশস্ত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বলা হলেও কোনো নজর দিচ্ছে না প্রশাসন।
“সড়ক ছয় লেইন করার দাবিতে রোববার সকাল থেকে সাতকানিয়ার কেরানীহাট, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, চকরিয়া মাতামুহুরি ব্রিজের ‘রোড ব্লকেড’ কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।”
এ সংগঠক বলেন, “বিকাল ৪টা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি ছিল। প্রশাসন থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। উপদেষ্টার সাথে কথা বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।”
মোহাম্মদ মাসুম বলেন, “আমাদের জননেতা শাহজাহান চৌধুরীও আমাদের সাথে কথা বলেছেন। ১৫ দিন সময় নিয়েছেন।
“তিনিও উপদেষ্টার সাথে কথা বলবেন, বলেছেন। যার কারণে আমরা বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সবাই সড়ক ছেড়ে দিয়েছি।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টা থেকে কেরানীহাট সড়কে ‘রোড ব্লকেড’ লেখা ব্যানার নিয়ে নিয়ে মহাসড়কে নেমে আসে লোকজন। এসময় তারা মহাসড়ক ছয় লেইন করার দাবি জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় উভয়মুখী যানবাহনগুলো আটকে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবার গাড়িগুলো ছেড়ে দিয়েছে।
বেলা ১১টার দিকে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেনা সদস্যরা উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে তুলে দিলেও ১০-১৫ মিনিট পর আরেক দল গিয়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে।
এসময় সাতানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামীর নেতা শাহজাহান চৌধুরী আন্দোলনকারীদের ফোন করে অবরোধ তুলে ফেলার আহ্বান জানান। এরপর বেলা ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা সড়ক থেকে উঠে যান।
হাইওয়ে পুলিশের দোহাজারী থানার এসআই রুহুল আমিন বলেন, “সড়ক প্রশস্ত করার দাবিতে লোকজন সাতকানিয়ার কেরানীহাট ও লোহাগাড়ার অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছিল। পরে বেলা ১২টার দিক থেকে তারা সড়ক থেকে সড়ে যাওয়া শুরু করেন। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।”

আন্দোলনকারীরা আরও জানান, তাদের দাবিদাওয়া সম্বলিত ফাইলটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্তু অযথা সময়ক্ষেপণ করে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। দাবিদাওয়ার বিষয়টি সমাধান করা না হলে আগামী ৩ ডিসেম্বর অর্ধদিবস ও ৪ ডিসেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে বলে জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
তারা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার আব্দুল জহিরের ছেলে আবুল আসাদ বাদল (৬২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কোট্টাপাড়া এলাকায় নাজির উদ্দিনের ছেলে মঈন উদ্দিন (১০০)।
১১ ঘণ্টা আগে
কিশোর দাবি করে কয়েক বছর আগে তার নানাকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করে এবং বস্তুটি ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়িতে ফেলে গিয়েছিল। কিশোর আরও জানায়, এটির গুলি বাড়িতে থাকলেও সে সঙ্গে আনেনি।
১ দিন আগে
তিনি বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তারাই মূল শিক্ষা দেন। আর শিক্ষকদের অবস্থার উন্নতির জন্য আমরা বরাবরই কাজ করেছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আমরা ১০ম গ্রেড দিয়েছি এবং সহকারী শিক্ষকদের আমরা ১১তম গ্রেড দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি সফল হবো।
১ দিন আগে