
নড়াইল প্রতিনিধি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে নড়াইলে বাজার এখন জমজমাট। নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার থাকায় ক্রেতারা সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বিঘ্নে কেনাকাটা সারছেন। এবারের পূজার বাজারে মেয়েদের কাছে সবচেয়ে বেশি চাহিদা সৃষ্টি করেছে পাকিস্তানে তৈরি পোশাক 'সারারা' এবং 'লেহেঙ্গা'।
রূপগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন বিপণিবিতানে ক্রেতা সাধারণের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিদিন দুপুর গড়িয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত ক্রেতারা পরিবার-পরিজন, বিশেষ করে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে পছন্দের পোশাক-পরিচ্ছদ কেনাকাটা করছেন।
পূজার বাজারে দাম বেশি বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা সাধারণ। তবে বিক্রেতারাও স্বীকার করেছেন যে গত বছরের তুলনায় এবার বাজার দর কিছুটা বেশি, আর তাই সামঞ্জস্য রেখে তাদের বেচা-বিক্রি করতে হচ্ছে। দাম বেশি হওয়া সত্ত্বেও বেচা-বিক্রি বেশ ভালো চলছে বলে জানিয়েছেন দোকানীরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যমতে, গতবারের 'কিরণমালা' ও 'বাজিরাও' কিংবা তার আগের 'পাখি' পোশাকের চলকে ছাপিয়ে এবার পূজার বাজার মাতাচ্ছে 'সারারা' ও 'লেহেঙ্গা'। এছাড়া 'ক্যাবাচি', 'শিপন', 'আফগানি' নামের পাকিস্তানি থ্রি পিসগুলোও তরুণীদের নজর কেড়েছে। তবে তরুণদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা গেছে; তাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে দেশীয় পাঞ্জাবি, বিশেষ করে লিমিট ও আড়ংয়ের পাঞ্জাবি। প্যান্টের বাজারে অবশ্য জিনস, থাই, চায়না ও ফরমাল প্যান্টের চাহিদা রয়েছে প্রচুর।
শহরের রূপগঞ্জ বাণিজ্যিক এলাকার গার্মেন্টস মালিক দীপক কুমার জানিয়েছেন, এবারের পূজার বাজারে নতুনত্বের ছোঁয়া এসেছে এবং মেয়েদের জন্য নামীদামী পোশাকের ছড়াছড়ি রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে পাকিস্তানি পোশাকগুলো সর্বনিম্ন দুই হাজার থেকে চার হাজার টাকা দামের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে এবং তরুণীরা সেই পোশাকগুলোই বেশি কিনছেন।

শহরের আলতাপ হোসেন, ভূঁইয়া শপিংমল সহ শুভেচ্ছা ফ্যাশন, নিউ ফ্যাশন পয়েন্ট, সোনলী বস্ত্রালয়, আল আমিন বস্ত্রালয়, এবং বাংলাদেশ বস্ত্রালয়ে পূজার কেনাকাটা করতে প্রচুর ভিড় জমেছে। পোশাকের পাশাপাশি বিভিন্ন জুতা, জুয়েলারি ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও ক্রেতা সাধারণের আনাগোনা লক্ষ্যণীয়।
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পূজা মণ্ডপের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন সহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আশা প্রকাশ করা হচ্ছে, সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে।
নড়াইলের নবাগত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম বলেছেন, দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক।
তিনি জানান, পূজা উদযাপন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি নিশ্চিত করেছেন, দুর্গাপূজাকে নিরাপদ রাখতে পুরো জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। প্রতিটি মণ্ডপে আনসার (পুরুষ ও মহিলা) ও ব্যাটালিয়ান পুলিশ থাকছে এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবে।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে নড়াইলে বাজার এখন জমজমাট। নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার থাকায় ক্রেতারা সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বিঘ্নে কেনাকাটা সারছেন। এবারের পূজার বাজারে মেয়েদের কাছে সবচেয়ে বেশি চাহিদা সৃষ্টি করেছে পাকিস্তানে তৈরি পোশাক 'সারারা' এবং 'লেহেঙ্গা'।
রূপগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন বিপণিবিতানে ক্রেতা সাধারণের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিদিন দুপুর গড়িয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত ক্রেতারা পরিবার-পরিজন, বিশেষ করে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে পছন্দের পোশাক-পরিচ্ছদ কেনাকাটা করছেন।
পূজার বাজারে দাম বেশি বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা সাধারণ। তবে বিক্রেতারাও স্বীকার করেছেন যে গত বছরের তুলনায় এবার বাজার দর কিছুটা বেশি, আর তাই সামঞ্জস্য রেখে তাদের বেচা-বিক্রি করতে হচ্ছে। দাম বেশি হওয়া সত্ত্বেও বেচা-বিক্রি বেশ ভালো চলছে বলে জানিয়েছেন দোকানীরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যমতে, গতবারের 'কিরণমালা' ও 'বাজিরাও' কিংবা তার আগের 'পাখি' পোশাকের চলকে ছাপিয়ে এবার পূজার বাজার মাতাচ্ছে 'সারারা' ও 'লেহেঙ্গা'। এছাড়া 'ক্যাবাচি', 'শিপন', 'আফগানি' নামের পাকিস্তানি থ্রি পিসগুলোও তরুণীদের নজর কেড়েছে। তবে তরুণদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা গেছে; তাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে দেশীয় পাঞ্জাবি, বিশেষ করে লিমিট ও আড়ংয়ের পাঞ্জাবি। প্যান্টের বাজারে অবশ্য জিনস, থাই, চায়না ও ফরমাল প্যান্টের চাহিদা রয়েছে প্রচুর।
শহরের রূপগঞ্জ বাণিজ্যিক এলাকার গার্মেন্টস মালিক দীপক কুমার জানিয়েছেন, এবারের পূজার বাজারে নতুনত্বের ছোঁয়া এসেছে এবং মেয়েদের জন্য নামীদামী পোশাকের ছড়াছড়ি রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে পাকিস্তানি পোশাকগুলো সর্বনিম্ন দুই হাজার থেকে চার হাজার টাকা দামের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে এবং তরুণীরা সেই পোশাকগুলোই বেশি কিনছেন।

শহরের আলতাপ হোসেন, ভূঁইয়া শপিংমল সহ শুভেচ্ছা ফ্যাশন, নিউ ফ্যাশন পয়েন্ট, সোনলী বস্ত্রালয়, আল আমিন বস্ত্রালয়, এবং বাংলাদেশ বস্ত্রালয়ে পূজার কেনাকাটা করতে প্রচুর ভিড় জমেছে। পোশাকের পাশাপাশি বিভিন্ন জুতা, জুয়েলারি ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও ক্রেতা সাধারণের আনাগোনা লক্ষ্যণীয়।
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পূজা মণ্ডপের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন সহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আশা প্রকাশ করা হচ্ছে, সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে।
নড়াইলের নবাগত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম বলেছেন, দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক।
তিনি জানান, পূজা উদযাপন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি নিশ্চিত করেছেন, দুর্গাপূজাকে নিরাপদ রাখতে পুরো জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। প্রতিটি মণ্ডপে আনসার (পুরুষ ও মহিলা) ও ব্যাটালিয়ান পুলিশ থাকছে এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে